ঈর্ষা বনাম হিংসা

এবি ছিদ্দিক

বাংলা ভাষায় বহুল ব্যবহৃত দুটি শব্দ হচ্ছে ‘ঈর্ষা’ আর ‘হিংসা’। অভিধানের পৃষ্ঠা উলটালে ‘ঈর্ষা’ শব্দটির জন্য ‘পরশ্রীকাতরতা’, ‘ক্ষমাহীনতা’, ‘হিংসা’ প্রভৃতি এবং ‘হিংসা’ শব্দটির জন্য ‘বধ’, ‘হনন’, ‘অনিষ্ট’, ‘ক্ষতিসাধনের বাসনা’, ‘বিদ্বেষ’, ‘ঈর্ষা’ প্রভৃতি অর্থ

এবি ছিদ্দিক

পাওয়া যায়। বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে আধুনিক বাংলায় উল্লেখ-করা শব্দ দুটি পরস্পরের সমার্থক। আভিধানিক অর্থে ‘ঈর্ষা’ আর ‘হিংসা’ সমার্থক হলেও শব্দ দুটির প্রায়োগিক অর্থে বিস্তর পার্থক্য রয়েছে। ক্ষেত্রভেদে এই পার্থক্য নিরূপণের জন্যে আগে শব্দ দুটোর প্রকৃত অর্থ সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা থাকা উচিত। আর, আমার বিশ্বাস, এই লেখাটির পাঠ সম্পন্ন করার পর আপনার মধ্যে সে ধারণা কিছুটা হলেও জন্মাবে।

শুরুতেই একটি ছোট্ট ঘটনা দিয়ে আমার মূল লেখা শুরু করছি— শীতের শুরুতে সানা ও সাফা মায়ের সঙ্গে প্রসাধনীর দোকানে গেল। শীতের প্রকোপ থেকে ঠোঁটকে বাঁচাতে মা ষোড়শী সানাকে সাড়ে তিনশ টাকা দামের বায়োকুয়া আর এগারো বছরের কিশোরী সাফাকে ত্রিশ টাকা দামের মেরিল লিপ-জেল কিনে দিল। বাসায় এসেই সাফার কান্না শুরু। এই অনুযোগে যে, মা, সানাকে বেশি দেখতে পারে। সেজন্যে সবসময় ভালো ও দামি জিনিসগুলো সানাকে দেয় আর কম দামি কিংবা সানা নিয়ে ফেলার পর যা অবশিষ্ট থাকে, তা তাকে দেয়।

বোনকে বেশি দামের প্রসাধনী কিনে দেওয়ায় কিংবা সর্বক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়ায় সাফার মনে যে বৈষম্যবোধের উদয় ঘটেছে, বোনের অনুরূপ প্রাপ্তির বাসনা জন্মেছে, তাই (তা-ই) হচ্ছে সানার প্রতি তার ঈর্ষা।

‘ঈর্ষা’ শব্দটিকে সংজ্ঞায়িত করবার জন্যে সবচেয়ে উপযুক্ত শব্দ হচ্ছে ‘পরশ্রীকাতরতা’। অর্থাৎ, পরের (অন্যের) ‘শ্রী’ সহজে মেনে নিতে না-পারা কিংবা সইতে না-পারাই হচ্ছে ঈর্ষা। এখানে ‘শ্রী’ শব্দটি দিয়ে মানুষের চেহারার সৌন্দর্য যেমন নির্দেশ করা হয়, তেমনি মানুষের আচরণগত সৌন্দর্য আর দক্ষতাও নির্দেশ করা হয়। মোদ্দা কথা হচ্ছে— নির্দিষ্ট কারোর অনুরূপ সৌন্দর্য, গুণ, দক্ষতা, অর্জন, যশ, প্রভৃতি নিজের না-থাকায় কিংবা অন্যের মতো স্নেহ-অনুরাগ নিজের ভালেও না-জোটায় ওই ব্যক্তির প্রতি নিজের মধ্যে যে হীনম্মন্যতা কাজ করে, নিজেকে ওই ব্যক্তির অনুরূপ গুণ বা অর্জন কিংবা দক্ষতা অথবা অনুরাগ লাভের বাসনায় পোড়ায়, তাই (তা-ই) হচ্ছে ঈর্ষা।

প্রথম বর্ষের সমাপনী পরীক্ষা শেষে যখন দুই সহপাঠিনীর মধ্যে মাত্র তিন নম্বরের পার্থক্য থাকে, তখন দ্বিতীয় জনের মধ্যে প্রথম হতে না-পারায় যে রেশের সৃষ্টি হয়, তাই (তা-ই) হচ্ছে ঈর্ষা। তখন ঈর্ষার বশবর্তী হয়ে দ্বিতীয় সহপাঠিনী বলে, “আমি কেন তার চেয়ে বেশি নম্বর পেলাম না? নিশ্চয়ই ‘ক’ স্যার তাকে রচনায় নম্বর বেশি দিয়েছেন।”
মুনতাহা কথায় কথায় চমৎকারসব প্রবাদবাক্য বলে তাক লাগিয়ে দেয়, শ্রোতাদের প্রশংসা কুড়ায়। এটি দেখে টমও রীতিমতো প্রবাদবাক্য রপ্ত করা শুরু করে দিয়েছে, যাতে লোকে তার কথায়ও অনুরূপ অভিভূত হয়; যাতে সেও সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়ে মুনতাহার চেয়েও বেশি প্রশংসা কুড়াতে পারে। টমের মনে এই যে প্রবাদবাক্য রপ্ত করার মাধ্যমে মুনতাহাকে ছাড়িয়ে যাওয়ার তীব্র আকাঙ্ক্ষা, এটিই হচ্ছে ঈর্ষা।

বাবা যখন ভ্রমণে বের হওয়ার সময় প্রত্যেকবার পুত্রকে সঙ্গে নিয়ে যান আর কন্যাকে ঘরে রেখে যান, তখন ভাইয়ের প্রতি বোনের ঈর্ষা জন্মে। বোন কাতর স্বরে নিজেকে নিজে বলে, “আহা! আমি যদি ভাই (ছেলে) হতাম!”
যৌথ পরিবারে যখন সকল কাজে কোনো এক ভাইয়ের কিংবা বউয়ের মত প্রাধান্য পায়, তখন ওই ভাই বা বউয়ের প্রতি অন্য ভাই কিংবা বউয়ের ঈর্ষা জন্মাতে শুরু করে।

পিঠাপিঠি দুই ভাই কিংবা বোনের মধ্যে ঈর্ষার মাত্রাটা একটু বেশিই থাকে। দাদি যখন দেশি মুরগির বড়ো রানটি বড়োর পাতে তুলে দিয়ে ছোটোর পাতে সাধারণ টুকরো মাংস তুলে দেয়, তখন ঈর্ষান্বিত ছোটো জলভেজা চোখে বলেই দেয়— “তোমরা কেউই আমাকে দেখতে পার না”। তখন বড়োও ছোটোকে বিদ্রূপ করবার সুযোগ হাতছাড়া না-করে বলে, “তোকে কেন দেখতে পারবে? তোকে তো রাস্তার ধারে কুড়িয়ে পেয়েছিল!”

এক দিনের ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০১৯-এ যখন ‘কেন উইলিয়ামসন’ টুর্নামেন্ট সেরা নির্বাচিত হন, তখন অধিকাংশ বাঙালি ক্ষুব্ধ হয়ে যায়। তাদের অভিযোগ, আইসিসি যোগ্যতম দাবিদার সাকিবকে (এখন শাকিব লেখা হচ্ছে) টুর্নামেন্ট সেরার স্বীকৃতি না-দিয়ে অন্যায়ভাবে উইলিয়ামসনকে দিয়েছে। উইলিয়ামসনের বিজয়ী হওয়ার পেছনে বাঙালিদের এমন বিরূপ ভাবনাই হচ্ছে ঈর্ষার প্রকাশ।

এই দেশে সমান যোগ্যতাসম্পন্ন একজন ডাক্তারের নির্দেশনাপত্র অন্য একজন ডাক্তার দেখতেই চান না। কেননা, তাঁরা একে অন্যের প্রতি ঈর্ষান্বিত। ধনী দেশের মানুষের উন্নতি ও সমৃদ্ধি দেখে দরিদ্র দেশের মানুষের ঈর্ষা হয়: ‘কাশ! আমাদের দেশেও এরূপ স্টেডিয়াম থাকত!’
মা-বাবা ছোটো ভাইয়ের জন্যে সুন্দরী পাত্রী ঠিক করলে অপেক্ষাকৃত কম সুন্দরী পত্নীর পতি বড়ো ভাইয়ের অন্তরের এককোনায় ঈর্ষা জাগাটাও মোটেও অস্বাভাবিক নয়। নিজে বেকার থাকাবস্থায় সহপাঠীদের কোনো একজনকে ভালো পদে চাকরি পেতে দেখলে মনের মধ্যে যে ‘আহা’-র সৃষ্টি হয়, তাই (তা-ই) হচ্ছে ঈর্ষা। বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ড. মোহাম্মদ আমীন, ডা. মোর্শেদ হাসান, শ্রীমান স্বপন ভট্টাচার্যদের অনুপম লেখাগুলো পড়ে নিজেও সেভাবে লিখতে না-পারার যে আফসোসের উঁকি দেয়, সেভাবে লিখতে পারার ক্ষমতা অর্জনের যে অদম্য আকাঙ্ক্ষার সৃষ্টি হয়; তাই (তা-ই) হচ্ছে ঈর্ষা।

এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, বর্তমানে ঈর্ষাশূন্য মানবহৃদয় খুঁজে পাওয়া একপ্রকার অসম্ভব। অভিভাবকবৃন্দও প্রতিনিয়ত তাঁদের সন্তানদের ঈর্ষান্বিত হতে তাগিদ দিয়ে যাচ্ছেন: “… পাশের বাড়ির ছাফিয়া আটানব্বই পেলে, তুই কেন পাবি না? সাইফু ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট হতে পারলে, তুই কেন পারবি না? সাজিদ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হয়ে গেল, কিন্তু তুই কী হতে পারলি? খালেদ মাহবুব মোর্শেদ বর্ষসেরা শিক্ষক হতে পারলে, তুই কেন পারিস না? শাওক রংতুলির কাজের মাধ্যমে তার পুরস্কারের আলমারি ভরিয়ে ফেলতে পারলে, তোর অর্জনের ডালা কেন শূন্য থাকবে? …” এরূপ আরও হাজার হাজার ‘কেন’-এর উত্তর খুঁজতে গিয়ে এক ছাত্র অন্য ছাত্রকে ঈর্ষার চোখে দেখতে শুরু করে, বন্ধুর হৃদয়ে বন্ধুর প্রতি ঈর্ষা জাগে, সহপাঠীর দিলে সহপাঠীর বিপরীতে ঈর্ষারা দানা বাঁধে, শিক্ষকের মনে শিক্ষকের প্রতি ঈর্ষা জন্মে, চিত্রকরের প্রতি ঈর্ষা জন্মে চিত্রকরের।

ঈর্ষা মানুষকে সন্তুষ্ট হতে দেয় না। ঈর্ষান্বিত মানুষ নিজের সাফল্যের চেয়ে অন্যের সাফল্যকেই বড়ো করে দেখে। তাই, তাদের মস্তিষ্কে অধিকাংশ সময় হীনম্মন্যতা বাসা বেঁধে থাকে। তবে হ্যাঁ, যদি কোনো ব্যক্তি ঈর্ষার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে, তাহলে তা ওই ব্যক্তিকে সফলতার শিখরে পৌঁছে দিতে পারে। কেননা, মানুষ অন্যের সর্বোচ্চ সাফল্য দেখেই ঈর্ষান্বিত হয়। আবার, ঈর্ষার মাত্রা স্বাভাবিকের পর্যায় ছাড়িয়ে গেলে বন্ধুতা নষ্ট হয়, আত্মীয়তায় ভাঙন ধরে, বন্ধুনী বন্ধুনীর ( ? ) মুখ দেখাদেখি বন্ধ করে দেয়, সহকর্মীর সান্নিধ্য দুর্বিষহ হয়ে ওঠে। আর, ঈর্ষার মাত্রা সম্পূর্ণরূপে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে? আপন সীমা একেবারে ছাড়িয়ে গেলে? তখন কী হয়?

ঈর্ষার মাত্রা আপন সীমা ছাড়িয়ে যে নতুন সীমায় পদার্পণ করে, তাই (তা-ই) হচ্ছে ‘হিংসা’। মানবের ছয় রিপুর অন্যতম একটি রিপু হচ্ছে এই হিংসা। ‘হিংসা’ শব্দটির ব্যুৎপত্তিগত বিশ্লেষণ করলে শব্দটির অর্থ সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা পাওয়া যাবে, ভয়াবহতা আন্দাজ করা যাবে। সেক্ষেত্রে দেখা যায়, সংস্কৃত ‘হিন্‌স্’ ধাতু হতে ‘হিংসা’ শব্দটির উৎপত্তি। ‘হিন্‌স্’ মানে ‘কাউকে সক্রিয়ভাবে আঘাত করার প্রচেষ্টা বা অভিপ্রায়’। আর, মানুষের যে আচরণ এই প্রচেষ্টা বা অভিপ্রায় ধারণ করে, তাই (তা-ই) হচ্ছে ‘হিংসা’। অর্থাৎ, হিংসার সঙ্গে আঘাত জড়িত রয়েছে। আরও নির্দিষ্টভাবে বললে, নির্দিষ্ট কারও সফলতা দেখে ওই নির্দিষ্ট ব্যক্তির অনিষ্টসাধনের বাসনাই হচ্ছে হিংসা। আর, হিংসা (হিন্‌স্) থেকেই হিংস্রতার জন্ম। অর্থাৎ, হিংসাযুক্ত হৃদয়ই হচ্ছে হিংস্রতার আধার। পশুর মধ্যে ঈর্ষা থাকে না, থাকে হচ্ছে হিংসা। তাই, পশুরা হিংস্র হয়, ঈর্ষাপরায়ণ হয় না। হিংস্র পশু অন্য পশুকে বিনা দ্বিধায় বধ করতে পারে। হিংসুক মানুষও হিংস্র পশুর সমান। তারা হিংস্র পশুর মতো অন্যের প্রাণনাশ করতে দুবার ভাবে না।
গ্রামে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে হতাহত হওয়ার ঘটনা মোটেও বিচিত্র ব্যাপার নয়। মূলত একগোষ্ঠী অন্য গোষ্ঠীকে হিংসে করে বলেই উভয়ের মধ্যে হিংস্রতার জন্ম নেয়।

এক সহপাঠীর প্রতি অন্য সহপাঠীর ঈর্ষা, হিংসায় রূপ নিলে ফলাফল কী হতে পারে, তা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে সময়ে-অসময়ে নিহত হওয়া শিক্ষার্থীদের মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধান করলেই বোঝা যায়। বর্তমানে হিংসার বশবর্তী হয়ে এক বন্ধু অন্য বন্ধুকে হত্যা করার ঘটনাও স্বাভাবিকের পর্যায়ে এসে দাঁড়িয়েছে। বিভিন্ন দেশের মধ্যে বিরাজমান সামসময়িক যুদ্ধের মূলও হচ্ছে এই হিংসা। হিংসার বশীভূত হয়ে মানবিক জ্ঞানশূন্য হয়ে যায় বলেই মহামারিতে নির্দিষ্ট কোনো দেশের মানুষদের মরতে দেখে একশ্রেণির মানুষ হিংস্র জন্তুর মতো উল্লাস করতে পারে।

বলা হয়, ইবলিস (শয়তান) আদমের সম্মানে ও সুখে হিংসাপরায়ণ হয়েছিল বলেই জান্নাত থেকে তাকে বিতাড়িত হতে হয়েছিল। এক বাক্যে: পৃথিবীর সকল অশান্তির মূলই হচ্ছে হিংসা।

অতএব, আপনার আশপাশের মানুষের সাফল্যে আপনার হৃদয়ে পরিমিত ঈর্ষা জন্মাতে দিন, তাতে কোনো সমস্যা নেই। কেননা, তা আপনাকেও তাদের মতো সফল হতে তাড়িয়ে সামনের দিকে নিয়ে যাবে, অনুপ্রেরণা জোগাবে। তবে হ্যাঁ, ঈর্ষার মাত্রা যেন কখনো আপন গণ্ডি ছাড়িয়ে হিংসার গণ্ডিতে পা রাখতে না-পারে।

সূত্র:  ঈর্ষা বনাম হিংসা, এবি ছিদ্দিক, শুদ্ধ বানান চর্চা (শুবাচ)।

বাংলা বানান, ভাষা ও শব্দচয়ন কৌশল শেখার কয়েকটি বই।

অমর একুশে গ্রন্থমেলা/২০২০-এ প্রকাশিত বই

পুথিনিলয় প্রকাশিত বই

শুবাচ একশ লিংক: বাংলা ভাষা বাংলা বানান ও বাংলা ব্যাকরণ

পাড় ও পার এবং সুন্দর হাতের লেখা

ইংরেজি বর্ণের প্রতিবর্ণীকরণে দন্ত্য-স এবং তালব্য-স এর ব্যবহার

এক মিনিটের পাঠশালা (১-৫)

এক মিনিটের পাঠশালা (১-১১) : বিসিএস বাংলা

এক মিনিটের পাঠশালা (১০-১৫)

এক মিনিটের পাঠশাল (১৬-২০)

এক মিনিটের পাঠশালা/২৪

দণ্ড দণ্ডায়মান ও দন্ড: প্রয়োজনানুসারে ইত্যাকার

স্যমন্তক: জটিল জটাজালের এক মানবিক উপাখ্যান

বহুল প্রচলিত কিছু অসংলগ্ন সমাস

ব্যাকরণবিধি ছাড়া প্রমিত বানান মনে রাখার কৌশল : নিমোনিক

কোয়ারেন্টিন আইসোলেশন: অর্থ ব্যুৎপত্তি ও ইতিহাস

জন্য বনাম জন্যে

করোনাভাইরাস: সৃষ্টির সেরা আশীর্বাদ

লকডাউন লকআউট ধর্মঘট কারফিউ এবং ১৪৪ ধারা

বিসিএস করোনা: করেনাভাইরাস

বাক্‌ বাগ ও বাগ্‌

অ্যালফাবেটের গল্প

স্ত্রী স্ত্রৈণ এবং স্থল স্থান

ব্যাকরণ মুখস্থ না করেই প্রমিত বানান আত্মস্থ করার কৌশল

ব্যাকরণ মুখস্থ না করেই প্রমিত বানান আত্মস্থ করার কৌশল/২

গোরু: মনুষ্য সভ্যতার প্রথম প্রধানশিক্ষক

মড়ক মারি মহামারি ও বিশ্বমারি

শুবাচ থেকে শুবাচির প্রশ্ন অবিকল

স্পরাডিক এনডেমিক এপিডেমিক ও প্যানডেমিক

ইতালি: মহামারি (Epidemic) ও সর্বমারি(Pandemic)-এর লালনাগার

দর্শক ধর্ষক দর্শন ধর্ষণ দর্শিত ধর্ষিত

উপহাস বনাম পরিহাস

error: Content is protected !!