কী কোন কোনো কোনও কোণ কোন কোনা কেন কেনো কখন কখনো কখনও তো-প্রয়োগ

ড. মোহাম্মদ আমীন

কী কোন কোনো কোনও কোণ কোন কোনা কোনাকুনি কেন কেনো কখন কখনো কখনও তো- শব্দের প্রয়োগ

উল্লাস, গুনগুন করে গাইছে: “তুমি কোন কাননের ফুল, কোন গগনের তারা/ তোমায় কোথায় দেখেছি যেন কোন স্বপনের পারা- – -।” রিকশা কোনো বাধা ছাড়া এগিয়ে যাচ্ছে বেইলি রোডের দিকে। ফুরফুরে বাতাস আমেজ দিয়ে যাচ্ছে সুরে, কোন অঘোরে।
“গান থামাও”, কনুইয়ের ধাক্কা-সহ উল্লসিতার আদরাঘাত।
কেন?
তোমার ভাই কোন দেশে জানি থাকেন?
আমেরিকা। চোখের কোণে অভিমান ঢেলে কোনাকুনি দৃষ্টি ফেলল উল্লাস।
কোন অঙ্গরাজ্য?
পেনসিলভেনিয়া।
কোন শহর?
ফিলাডেলফিয়া। এটি আমেরিকার উত্তর পূর্ব কোনায়। ফ্রিডম বেল এখানে রয়েছে। এখানেই কলম্বাস অবতরণ করেছিলেন।
কখন? কোন দশকে?
পঞ্চদশ শতকে। দেশটা নাকি অনেক সুন্দর। কোনোদিন যাইনি। কখনো (কখনও) যদি যেতে পারি আর কোনোদিন কখনো ফিরব না।
যাবে না?
তোমাকে ছাড়া কোনো সময় কখনো কোথাও গিয়েছি?
কখন যাবে?
যে কোনো সময় যে কোনোদিন যে-কোনো একটা উপায় চলে আসতে পারে। তবে কখন আসবে জানি না। জানি না কোনদিন।
আমেরিকা গিয়ে কী করবে শুনি? উল্লসিতার প্রশ্ন।
কোনোরকমে একবার যেতে পারলেই হলো। কোনো না কোনো একটা কাজ পেয়ে যাব।
উল্লাস ?
বলো।
তুমি কখনো কোনোদিন কোনোভাবে আমাকে কষ্ট দেবে না, দেবে না তো?
কোনোভাবেই না, কোনোদিনও না, কোনোমতেই না- তিন কসম।
তুমি কত ভালো, মুখটা এগিয়ে দাও আমার দিকে।
কেন?
ঠোঁট-তুলি দিয়ে তোমার মুখে এঁকে দেব প্রেমদাগ।
আমাদের পাড়ার উত্তর কোণে একটা শিমুল গাছ আছে, দেখেছ?
দেখব না কেন উল্লসিতা বলল, “ওই গাছের নিচে বসেই তো আমরা গাইতাম, কোন গানটা জানি? বলো-না, মনে পড়ছে না কেন গো?- – – মনে পড়েছে।
সুর দাও।
কোনো এক গাঁয়ের বধুর কথা তোমায় শোনাই শোনো
রূপকথা নয় সে নয়– – -।”
কথায় কথায় আর গানেপ্রাণে পথ শেষ। রিকশা ছেড়ে রাস্তার কোনার কোনাকুনি এক দোকানে ঢুকে পড়ল। উল্লসিতা একটি জামা হাতে নিয়ে বলল, এই জামাটি তুমি কেনো না কেন? কতবার বলেছি, জামাটি কেনো। তুমি না আসলে আমার কোনো কথাই শোনো-না। কেনো-না গো জামাটা!
আগে তুমি একটা শাড়ি কেনো।
না।
তুমি কোন শাড়িটি চাও? উল্লাস জানতে চাইল প্রেমাতুর গলায়।
আমি কখন কোন জিনিসটা তোমার কাছে চেয়েছি, চেয়েছি কখনো?
চাওনি; তবু বলো-না কোন শাড়িটি তুমি চাও?
আমি কোনো শাড়ি চাই না।
কী চাও?
শুধু তোমাকে। তোমাকে পেলে আমার সব পাওয়া পূর্ণ হয়ে যাবে। তুমি আমার ভালোবাসার নিত্য মহাকাল- – -।
 
ওপরের লেখায় শব্দগুলির প্রয়োগ বুঝে গেলে নিচেরগুলি পড়ার প্রয়োজন নেই। তবে, মুদ্রণপ্রমাদ দেখলে বলবেন।
——————————————————————–
কোন: কী, কে, কোনটি ( কোন দিন, কোনটি চাই, কোন জন)। কী প্রকারে, কীভাবে, কীসে (তুমিই বা কোন লাট বাহাদুর)। “তুমি কোন জামাটি চাও”— বাক্যে একই অর্থ প্রকাশের জন্য ‘কোনও’ বা ‘কোনো’ পদ ব্যবহার করা যাবে না। কোন শব্দের উচ্চারণ- কোন্।
কোনও: অনির্দিষ্ট একটি বা একজন, বহুর মধ্যে এক। অর্থের দিক হতে এটি ‘কোনো’ শব্দের সমার্থক। ‘কোনও’ শব্দের পরিবর্তে ‘কোনো’ লেখা যায়। তবে কোনো নির্দিষ্ট রচনায় যে-কোনো একটি লেখা সমীচীন।
কোণ: পরস্পর মিলিত দুটি সরলরেখার মধ্যবর্তী স্থান (ত্রিভুজের কোণ), কোনা, দুই পাশের মিলনস্থান (ঘরের কোণ) ইত্যাদি।
কোনা: প্রান্ত, ধার, কোণযুক্ত, কোণবিশিষ্ট।
কখন: কবে।
কখনো: কোনো সময়ে। কখনো এবং কখনও সমার্থক।
 
লিংক: https://draminbd.com/কী-কোন-কোনো-কোনও-কোণ-কোন-কো/
সূত্র: ড. মোহাম্মদ আমীন, ব্যাবহারিক প্রমিত বাংলা বানান সমগ্র, পাঞ্জেরী পাবলিকেশন্স লি.
 
 
অভিধানে ব্যবহৃত কয়েকটি ব্যাকরণিক সংক্ষেপণ চিহ্ন
 
 
অ.— অব্যয়,
ক্রি.— ক্রিয়া,
বি.— বিশেষ্য,
বিণ.— বিশেষণ।
আ.— আরবি,
ই.— ইংরেজি,
ফা.— ফারসি,
বা.— বাংলা,
সং.— সংস্কৃত,
হি.— হিন্দি।
উপ— সংস্কৃত ২০টি উপসর্গের একটি,
সহ— সংস্কৃত ২০টি উপসর্গের একটি।
√— ধাতুচিহ্ন,
√অন্— অন্ ধাতু।
অ— প্রত্যয়।
সহ> স+উপ = সোপ+√অন্+অ = সোপান।
error: Content is protected !!