কুটুম পাখি, ইষ্টিকুটুম, হলদে পাখি, কালোমাথা বেনেবউ

ড. মোহাম্মদ আমীন
কুটুম পাখি  বিশেষ প্রজাতির একটি পাখির দেশীয় নাম। এর আওয়াজ শুনে মনে হয়, ‘কুটুম আয় কুটুম আয়’ বলে ডাকছে। তাই নাম তার ‘কুটুম পাখি’। বিশ্বাস করা হতো, এ পাখি ডাকলে বাড়িতে কুটুম বা মেহমান আসবে। ইষ্টিকুটুমের সঙ্গে সম্পর্ক কল্পনা করে কোথাও কোথাও পাখিটির নাম হয়ে যায়  ইষ্টিকুটুম। 
“. . . শোনছিস তন্যি, পুকুরের চালায় জামগাছে কুটুমপাখি ডাকছে, ঐ শোন্‌, ‘কুটুম আয় কুটুম আয় ডাকছে।”—রাজবাড়ী, গিরিবালা দেবী।
 
 মাথার উপরের অংশ এবং পালকের কিয়দংশ ছাড়া পাখিটির শরীরের বাক অংশের পালক হলুদ রঙের। তাই এর আরেক দেশীয় নাম হলদে পাখি। 
হলদে পাখি হলদে পাখি
করছে কেমন ডাকাডাকি
নাতিন আমার লায়েক হইছে, আসবে নতুন কুটুম কেউ. . .।
এর মাথাটি ধনী বেনের নতুন বউয়ের তেলমাখা চুলের মতো কুচকুচে কালো। তাই কোথাও কোথাও কোথাও এটি ‘কালোমাথা বেনেবউ’। আমরা বলতাম, হলদে পাখি।
ঝোপের ভেতর ডাকছে কেউ
কালোমাথা বেনেবউ।
কুটুম পাখির বৈজ্ঞানিক নাম: Oriolus xanthornus। ইংরেজিতে বলা হয়: Black hooded Oriole
বাংলার প্রথম সামাজিক নাটকের নাম কী?
বাংলার প্রথম সামাজিক নাটক ‘কুলীনকুলসর্বস্ব, ‘কুলীনকুল সর্বস্ব’ না কি ‘কুলীনকুলসর্ব্বস্ব’?
উত্তর: কুলীন কুলসর্ব্বস্ব।
রামনারায়ণ তর্করত্ন রচিত এবং ১৮৫৪ খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশিত বাংলার প্রথম সামাজিক নাটকটির আসল নাম: ‘কুলীন কুলসর্ব্বস্ব’। এটি লেখকের দেওয়া নাম। ওই নামে ১৮৫৪ খ্রিষ্টাব্দে গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়।
তখন দ্বিত্ব বর্ণে রেফ দেওয়া ব্যাকরণ মতে সিদ্ধ ছিল। সর্বস্ব বানান ওভাবে (সর্ব্বস্ব) ছিল শুদ্ধ। ১৯৩৬ খ্রিষ্টাব্দে রবীন্দ্রনাথের নেতৃত্বে গঠিত কমিটির সুপারিশ মতে বর্ণ-দিত্বে য-ফলা পরিহার করা হয়।
জানা অজানা অনেক মজার বিষয়: https://draminbd.com/?s=অজানা+অনেক+মজার+বিষয়
শুবাচ গ্রুপের সংযোগ: www.draminbd.com
শুবাচ যযাতি/পোস্ট সংযোগ: http://subachbd.com/
আমি শুবাচ থেকে বলছি
— — — — — — — — √— — — — — — — — —
প্রতিদিন খসড়া
আমাদের টেপাভুল: অনবধানতায়
error: Content is protected !!