কেমন মজা বাংলা ভাষা

 কেমন মজা বাংলা ভাষা
ড. মোহাম্মদ আমীন
১. ঘড়িটা এত বাজে যে বাজে না [ শিবরাম চক্রবর্তী]
২. বই বাজারে কাটে কম, পোকায় কাটে বেশি [ প্রমথ চৌধুরী]
৩. কামান-এর সামনে বসে সারা দিন তিনি দাড়ি কামান, টাকা কামান কখন?[ ড. মোহাম্মদ আমীন, রঙ্গরসে বাংলা বানান]
৪. আমি কারও মাজা মাজা পছন্দ করি না [ড. মোহাম্মদ আমীন, রঙ্গরসে বাংলা বানান।]
৫. আমি ভাবির কথা ভাবি না। [ ড. মোহাম্মদ আমীন, কথোপকথন]
৬. বুড়ি কাঁথামুড়ি দিয়ে ঝালমুড়ি খেতে পছন্দ করে।[ ড. মোহাম্মদ আমীন]
৭. কে বলে ঈশ্বর গুপ্ত, ব্যপ্ত চরাচর/ যাহার প্রভায় প্রভা পায় প্রভাকর”(ঈশ্বর গুপ্ত)
৮. জাল ফেলে জাল টাকা সবে ধরে হালফিল
জ্বাল দিয়ে ডাল রাঁধা ডালে বসে মুশকিল।
মনে সাধ নিতে স্বাদ টক ঝাল মিষ্টি
বর্শার মতো বেঁধে বর্ষার বৃষ্টি।
কলিকাল এল বলে ফুল কলি ফোটে না
এক কলি গান গেয়ে ঘরে কলি করো না।
৯.  টাকা যদি ডলার হতো
ডলার হতো টাকা!
তাইলে কি আর চোখ রাঙাতো
আমেরিকান কাকা? [
বিধুভূষণ ভট্টাচার্য]
১০. কর গুনে কর দিতে করকর করে কর,
কড়ি খেলে করীদল করি ভোগ রবিকর।
১১. বাজী চড়ে বাজিমাত বাজি’ উঠে বাতাসে
বাজি পোড়ে ঘনঘন ঘনঘোর আকাশে।
১২. আমাদের ফিরোজ ফি রোজ স্কুলে যেতে চায় না। (শিবরাম চক্রবর্তীর কথা থেকে।)
আরও কত (শুবাচিদের মন্তব্য থেকে)
ফোনটা নষ্ট তাই ফোন আসে না।
আমি যার, তার হাতে খাই, যারতার হাতে খাই না।
চাচায় চা চায়, চাচি চেঁচায়
বড়োদার হাতে বড়ো দা।
তিনি যা পান, জাপান নিয়ে যান।
মনডা কয়, মনডা ভইরা মুক্তাগাছার মন্ডা খাই।
ঢাকা মিষ্টি ঢাকা নিয়ে গেলাম।
আকাশ থেকে পড়ে আর বই পড়া এক নয়।
কচি বাচ্চাটা কচি শসা বিক্রি করছে। 
ধরা খাবে না সে, বরং ধরা ছাড়বে। 
ছাড়, ছাড় বলছি, এই বিষয়ে কোনো ছাড় দিই না।
আপু, ভাত বাড়, বড্ড বাড় বেড়েছে তার।
ওর ভর দেখেছিস, ভুতে ভর করেছে না কি?
সর, সর, আমি দুধের সর খাব ৷
স্যারের খাস কামরায় বসে তুই কী খাস রে?
তোকে পার্কের পাস দিতে পারি, কিন্তু তুই তো যা পাস, তা দিয়ে যেতে পারবি তো?
আর বংশ দিও না ভাই, এমনি বংশের সম্মান ডুবিয়েছি।
কাঁথায় শীত মানেনা, এমন শীতের কাঁথা পুড়ি।
ঘোড়া পুষে  ঘোড়ার ডিম হবে?
গরমে তরমুজের বাজার বেশ গরম।
এক ছিল দাঁড়ি মাঝি দাড়ি তার মস্ত,
কাঁকড়ার দাঁড়া দিয়ে দাড়ি তার ঘষত;
সেই দাঁড়ে একদিন দাঁড়কাক দাঁড়াল,
কাঁকড়ার দাঁড়া দিয়ে দাঁড়ি তারে তাড়াল।
ফাঁকে ফাঁকে চলে চালাক্,কথা বলে ফাঁক বুঝে,
বাঁকা বাঁকা কথা বলে, বাঁকা পথটাকে খুঁজে।
কঠিন কথায় কষ্ট দিয়ে,ভাবে সে কথার কথা,
বুদ্ধিমান হয় বুদ্ধির ঢেঁকি, কথা বললে অযথা।
সময় শেষ, কাজও শেষ।
হাটে গিয়ে হাটে হাঁড়ি ভাঙলে কেমন হয়?
মুখের উপর কথা বলা মুখের কথা নয়।
শুদ্ধ করিয়া শুদ্ধ বানান সহজ বিশুদ্ধ নয়।
ফুলে ফুলে ভরা সাজ নিয়েও ঐন্দ্রিলা কাঁদছে ফুলে ফুলে, ফুলে উঠেছে তার দু’গাল।
মুখ ভার করেই সে ক্লাসের পড়ার ভার নিতে গেল।
অর্থহীন মানুষের অর্থ কি।
অটলডাংগার পটলবাবু বাজার থেকে পটল কিনতে গিয়ে পটল তুলেছে।
কমেন্ট গুলো পড়িয়া ভাবি, শুবাচের ভারি ভারি সদস্যগণ  কীভাবে  কী ভাবে? আমি বসে বসে ভাবি আপনাদের ভাবী ভাবী, ভরি ভরি ভারী অলংকারে গা ভরিয়া ভারি সুন্দর ভাঁড় সেজে ভর ভোরে ভাড়া বাড়িতে ভাঁড়ামি করছে।
কচু খেলে কচু হবে।
কলা খেলে কলা হবে।
ডিম খেয়ে পরীক্ষা দিতে গেলে ঘোড়ার ডিম পাবে।
পড়ে পড়ে ছেলেটা টেবিল থেকে পড়ে গেল।
আকাশে উড়তে গিয়ে কত লোকের প্রাণ  উড়ে গেল।
রোদে ঘুরে ঘুরে সে মাথা ঘুরে পড়ে গেল্,।
চুল কাটা নিয়ে নাপিতের সাথে চুলাচুলি হয়ে গেল্।
তিনি আকারে খাটো, কিন্তু কানে খাটো না। 
বুয়াকে একটা কচু এনে দিলাম রান্না করতে। সে বলে কি এটাতো দেশি কচু খুব ধরবে।
আমি বল্‌লাম,  কে বলছে এটা দেশি কচু, তুমি কচু চিন।
আমার বইয়ের পোকা ছেলের বইগুলো বইয়ের পোকা খেয়ে ফেলছে
ঢাকা’র মেয়ে অঞ্জনা গেলো কোলকাতায় পড়তে । সহপাঠী বলে তাকে, আপনার ঢাকা জায়গাটা আমার দেখার খুব সখ । অঞ্জনা বললো, আমারও শখ আপনার ধর্মতলাটা দেখার।
‘না বলে এসেছি তা বলে ভেবনা না বলে বিদায় নেব।
সাবাশ, যা বাঁশ আর একটা নিয়ে আয়।
পি. সি. হাতে পিসিমনি পা’টি রাখে পাটিতে
মা দূরে মাদুরে বসে বলে তারে ডাকিতে।
কাশিরাম কাঁসিতে গিয়ে কাশিতে কাশিতে মারা গেল
বাবু দ্যাখতো, বাবুরা অাজ নাকি বাবুপুরে বাবুদের ছেলের বউ দেখতে যাবে।
আপন আপণে আপনকে বসাও।

—————

knowledge Link

সাধারণ জ্ঞান সমগ্র/২

সাধারণজ্ঞান সমগ্র/১

সাধারণ জ্ঞান সমগ্র

শুদ্ধ বানান চর্চা (শুবাচ)/১

শুদ্ধ বানান চর্চা (শুবাচ)/২

শুদ্ধ বানান চর্চা (শুবাচ)/৩

শুদ্ধ বানান চর্চা (শুবাচ)/৪

শুদ্ধ বানান চর্চা (শুবাচ) : শুদ্ধ বানান চর্চা না কি শুদ্ধ বানানচর্চা : শুবাচ বৈঠক

বাংলা বাঙলা বাঙালা বাঙ্গলা ও বাঙ্গালা

error: Content is protected !!