‘ঙ’ এবং ‘ং’ ব্যবহারের নিয়ম

নীলিমা চৌধুরী

০১. ক-বর্গীয় বর্ণ অর্থাৎ ক, খ, গ, ঘ পরে থাকলে সন্ধিতে ‘ম’ স্থানে ‘ং’ হয়। যেমন : অহম + কার = অহংকার, ভয়ম + কর = ভয়ংকর, সম + ঘটন = সংঘটন, সম + খ্যা = সংখ্যা।

০২. সন্ধিতে পূর্বপদের শেষে ‘ম’ এবং পরপদের প্রথম বর্ণ অন্তস্থ বর্ণ (য, র, ল, ব) থাকলে ‘ম’ স্থলে ‘ং’ হয়। যেমন : সম + লাপ = সংলাপ, সম + বাদ = সংবাদ, সম + যোগ = সংযোগ, সম + যম = সংযম। ব্যতিক্রম- সম + রাট = সম্রাট।
বি. দ্র. পরপদের প্রথমে বর্গীয় ‘ব’ থাকলে ‘ম’ স্থানে ‘ং’ হয় না। যেমন : সম + বন্ধ = সম্বন্ধ, সম + বন্ধী = সম্বন্ধী।

০৩. সন্ধিতে পূর্বপদের শেষে ‘ম’ থাকলে এবং পরপদের প্রথমে শ, স, ষ, হ থাকলে ‘ম’ স্থানে ‘ং’ হয়। যেমন : সম + শয় = সংশয়, সম + সার = সংসার, সম + হার = সংহার।

০৪. বিদেশি শব্দে ‘ং’ ব্যবহৃত হয়। যেমন : মিটিং, কোচিং, ব্যাংক, শিলিং ইত্যাদি।

০৫. তদ্ভব ও দেশি শব্দে ‘ং’ ব্যবহৃত হয়। যেমন : বাংলা, ঠ্যাং ইত্যাদি।

০৬. প্রত্যয় ও বিভক্তিহীন শব্দের শেষে ‘ং’ বসে। যেমন : রং, ঢং, সং ইত্যাদি।

০৭. শব্দের শেষে প্রত্যয় বা বিভক্তি যুক্ত হলে ‘ঙ’ ব্যবহৃত হয়। যেমন : রাঙা, রঙে, ঢঙে ইত্যাদি।”


শুদ্ধ বানান চর্চা (শুবাচ) গ্রুপের নীতিমালা ও যযাতি অনুমোদন

ড. মোহাম্মদ আমীনের বই

বাংলা বানান কোথায কি এবং কেন লিখবেন/১

দৈনন্দিন বিজ্ঞান লিংক

শুদ্ধ বানান চর্চা লিংক/২

শুদ্ধ বানান চর্চা লিংক/৩

শুদ্ধ বানান চর্চা লিংক/৪

কীভাবে হলো দেশের নাম

সাধারণ জ্ঞান সমগ্র/১

সাধারণ জ্ঞান সমগ্র/২

বাংলাদেশ ও বাংলাদেশবিষয়ক সকল গুরুত্বপূর্ণ সাধারণজ্ঞান লিংক

শুদ্ধ বানান চর্চা প্রমিত বাংলা বানান বিধি : বানান শেখার বই

প্রায়শ ভুল হয় এমন কিছু শব্দের বানান/২

প্রায়শ ভুল হয় এমন কিছু শব্দের বানান/৩

error: Content is protected !!