জয়ন্তী জয়ন্তীদের জেনে নিন

ড. মোহাম্মদ আমীন
এই পেজের লিংক: https://draminbd.com/2019/10/11/জয়ন্তী-জয়ন্তীদের-জেনে-নি/
জয়ন্তী কী? ইংরেজি Jubilee শব্দের অর্থ জয়ন্তী।  জয়ন্ত বলতে বোঝায় দেবরাজ  ইন্দ্রের পত্মী শচীদেবীর গর্ভজাত পুত্র, শিব, ভীমের ছদ্মনাম প্রভৃতি। প্রাচীন সাহিত্যে দেবী দুর্গা, দেবরাজ ইন্দ্রের কন্যা, শ্রীকৃষ্ণের  জন্মতিথি প্রভৃতি প্রকাশে জয়ন্তী শব্দ সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়েছে। পরে শ্রীকৃষ্ণের  জন্মতিথি অনুষঙ্গে  জয়ন্তী শব্দের  অন্যতম অর্থ করা হয়েছে:  বরেণ্য ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বর্ষপূর্তি উলক্ষ্যে পালনীয় উৎসব প্রভৃতি।  বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধানমতে,  বাক্যে বিশেষ্য হিসেবে ব্যবহৃত সংস্কৃত জয়ন্তী শব্দের অর্থ দেবী দুর্গা, দেবরাজ ইন্দ্রের কন্যা, পতাকা, শ্রীকৃষ্ণের  জন্মতিথি, বরেণ্য ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে পালনীয় উৎসব প্রভৃতি।  জয়ন্তী সর্বদা পূর্ব পদের সঙ্গে সেঁটে বসে।এবার জেনে নিন সারা বিশ্বে অনুষ্ঠিত উল্লেখযোগ্য জয়ন্তীদের:
১। ১৫ বছর পূর্তিকে বলা হয়: স্ফটিকজয়ন্তী (Crystal Jubilee)
২। ২৫ বছর পূর্তিকে বলা হয়: রজতজয়ন্তী (Silver Jubilee)
৩। ৩৫ বছর পূর্তিকে বলা হয়: প্রবালজয়ন্তী (Coral Jubilee)
৪। ৪০ বছর পূর্তিকে বলা হয়: রুবিজয়ন্তী (Ruby Jubilee)
৫। ৫০ বছর পূর্তিকে বলা হয়: সুবর্ণজয়ন্তী / স্বর্ণজয়ন্তী (Golden Jubilee)
৬। ৬০ বছর পূর্তিকে বলা হয়: হীরকজয়ন্তী(Diamond Jubilee)
৭। ৬৫ বছর পূর্তিকে বলা হয়: নীলাজয়ন্তী (Sapphire Jubilee / Blue Jubilee)
৮। ৭৫ বছর পূর্তিকে বলা হয়: প্লাটিনামজয়ন্তী (Platinum Jubilee)
৯। ১০০ বছর পূর্তিকে বলা হয়: শতবর্ষ (Centenary jubilee)
১০। ১৫০ বছর পূর্তিকে বলা হয়: সার্ধশত (Sesquicentennial)
১১। ২০০ বছর পূর্তিকে বলা হয়: দ্বিশতবর্ষ (Bicentenary/ bicentennial)
অষ্টাষ্ট

অষ্টধর্ম : পৌরাণিকমতে মানবচরিত্রের আটটি ধর্ম। সত্য, শৌচ, অহিংসা, অনসূয়া, ক্ষমা, অনৃশংসা, অকার্পণ্য ও সন্তোষ।

অষ্টনায়িকা : পৌরাণিকমতে আট জন নায়িকা। মঙ্গলা, বিজয়া, ভদ্রা, জয়ন্তী, অপরাজিতা, নন্দিনী, নারসিংহী ও কৌমারী।
অশীধারাব্রত : শয্যায় স্ত্রী ও পুরুষের মাঝে উন্মুক্ত তরবারি রেখে যৌনমিলন থেকে বিরত থাকার ব্রতবিশেষ।
অষ্টকুলাচল : পুরাণোক্ত আটটি কুলপর্বত।মহেন্দ্র, মলয়,সহ্য, শক্তিমান, ঋক্ষ, বিন্ধ্য, পরিযাত্র ও হিমালয়।
অষ্টদিকপাল : পৌরাণিকমতে আট দিকের কল্পিত আট জন অধীশ্বর। ইন্দ্র পূর্বদিকের, বহ্নি অগ্নিকোণের, যম দক্ষিণদিকের, নৈর্ঋতি নৈর্ঋতকোণের, বরুণ পশ্চিমদিকের, মরুৎ বায়ুকোণের, কুবের উত্তরদিকের এবং ঈশ ঈশানকোণের।
অষ্টধাতু : আটটি ধাতুর সমাহার। সোনা, রুপা, তামা, পিতল, দস্তা, কাঁসা, সিসা ও লোহা।
অষ্টনাগ : পৌরাণিকমতে অষ্টবিধ সর্প। অনন্ত, বাসুকী, পদ্ম, মহাপদ্ম, তক্ষক, কুলীর, কর্কট ও শঙ্খ।
অষ্টপাশ : আট প্রকার মায়াবন্ধন। ঘৃণা, লজ্জা, মান, অপমান, মোহ, দম্ভ, দ্বেষ ও পৈশুন্য।
অষ্টবজ্র : বজ্রতুল্য আটটি দেবাস্ত্র। বিষ্ণুর সুদর্শনচক্র, শিবের ত্রিশুল, ব্রহ্মার অক্ষ, ইন্দ্রের বজ্র, বরুণের পাশ, যমের দণ্ড, কার্তিকের শক্তি এবং দুর্গার অসি।
অষ্টবসু : পৌরাণিকমতে গঙ্গা থেকে উৎপন্ন দক্ষকন্যার আট জন পুত্র এবং অষ্ট গণদেবতা। ভব, ধ্রুব, সোম, বিষ্ণু, অনিল, অনল, প্রত্যুষ ও প্রভাস।
অষ্টমূর্তি : শিবের আটটি মূর্তি।ক্ষিতি, জল, অগ্নি, বায়ু, আকাশ, যজমান, সোম ও সূর্য।
অষ্টযোগিনী : দুর্গার আট জন সখী। শৈলপুত্রী, চণ্ডঘণটা, স্কন্দমাতা, কালরাত্রি, চণ্ডিকা, কুষ্মাণ্ডী, কাত্যায়নী ও মহাগৌরী।
অষ্টরস : অলংকারশাস্ত্রে বর্ণিত অষ্টরস। শৃঙ্গার, বীর, করুণ, অদ্ভুত, হাসা, ভয়ানক, বীভৎস ও রৌদ্র।
অষ্টসখী : শ্রীকৃষ্ণের আট জন লীলাসঙ্গিনী। রাধিকা, ললিতা, বিশাখা, সুচিত্রা, চম্পকলতা, রঙ্গদেবী, সুদেবী ও তুঙ্গদেবী।
অষ্টসিদ্ধি : শিবের যোগলব্ধ অষ্টবিধ ঐশ্বর্য এবং যোগের আটটি অঙ্গ। অণিমা, মহিমা, গরিমা, লঘিমা, প্রাপ্তি, প্রাকাম্য, ঈশিত্ব ও বশিত্ব।

অষ্টাঙ্গ : মানব দেহের আটটি অঙ্গ। দুই হাত, হৃদযন্ত্র, কপাল, দুই চোখ, কণ্ঠ ও মেরূদণ্ড; মতান্তরে পায়ের দুই বৃদ্ধাঙ্গুলি, দুই হাটু, দুই হাত, বক্ষ ও নাসিকা।

শুবাচ গ্রুপের সংযোগ: www.draminbd.com
শুবাচ যযাতি/পোস্ট সংযোগ: http://subachbd.com/
আমি শুবাচ থেকে বলছি
— — — — — — — — — — — — — — — — —
প্রতিদিন খসড়া

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!