টাপ্ ও ডাপ্‌: আ (টাপ): টাপ্‌ অর্থ কী: আ (ডাপ্‌): ডাপ্ অর্থ কী

আ(টাপ্‌): আ(টাপ্‌): আ(টাপ্‌) হলো— সংস্কৃত স্ত্রী-প্রত্যয়। এই প্রত্যয় থেকে জাত স্ত্রীলিঙ্গ বা স্ত্রীবাচক বা অনুরূপ শব্দের শেষে ‘আ’ হয়। যেমন: মহিলা= [√মহ্‌+ইল+আ (টাপ)]।

প্রধান বৈশিষ্ট্য: আ(টাপ্‌) যুক্ত হওয়ার ফলে প্রাপ্ত শব্দেও মূল শব্দ অটুট থাকে। যেমন:

অগ্নিকন্যা = অগ্নি+ √কন্‌+য+ আ (টাপ্)।
ভাষা= √ভাষ্+অ+আ (টাপ্)।
রূপা= √রূপ্‌ + আ (টাপ্‌) 
মহা= √মহ্+অ+আ(টাপ)
মেখলা=  মি+√খল্+আ(টাপ্‌)
কষা= √কষ্‌+অ+আ (টাপ্‌) 
লেখা= √লিখ্+ অ + আ (টাপ্)
দোলা= দুল্‌+অ+আ(টাপ্)
জঙ্ঘা=  √জঙ্ঘ্+অ+ আ(টাপ্)
-শালা= √শল্+অ+আ (টাপ্)
রক্ষিতা= রক্ষিত+আ (টাপ্)
সংজ্ঞার্থ=সম্‌+√জ্ঞা+অ+আ (টাপ্)
 শ্রদ্ধা= শ্রৎ+√ধা+অ+আ(টাপ্‌)
জিহীর্ষা= হৃ+সন+অ+আ (টাপ্)
আদ্যা=  আদ্য+আ (টাপ্)
দূ্র্বা= √দূর্ব্+অ+(ঘঞ্)+আ(টাপ্)
গবেষণা=  গবেষণ+আ (টাপ্‌)
ডাপ্‌ (আ): ডাপ্‌ (আ) হলো— একটি সংস্কৃত স্ত্রী-প্রত্যয়। এই প্রত্যয় থেকে উদ্ভূত শব্দের শেষেও ‘আ’ যোগ হয়।” তাহলে একই প্রত্যয় ‘আ’-র জন্য নাম দুটো কেন? কারণ, আ (ডাপ্‌) প্রত্যয় যুক্ত হলে মূল শব্দ অটুট থাকে না। যেমন:  অনামা= অনামন্‌ + আ (ডাপ্‌)। এখানে ডাপ্‌ মূলশব্দের প্রান্তিক ‘ন্‌’ বিলোপ করে দিয়েছে।
টাপ্‌ মূলশব্দ অটুট রাখে, কিন্তু ডাপ্‌ মূলশব্দ অটুট রাখে না। 
error: Content is protected !!