ণ: নিত্য মূর্ধন্য-ণ; স্বাভাবিক মূর্ধন্য-ণ; শর্তহীন- মূর্ধন-ণ: স্বভাবতই মূর্ধন্য-ণ

ড. মোহাম্মদ আমীন

ণ: নিত্য মূর্ধন্য-ণ; স্বাভাবিক মূর্ধন্য-ণ; শর্তহীন- মূর্ধন-ণ: স্বভাবতই মূর্ধন্য-ণ

সংযোগ: https://draminbd.com/ণ-নিত্য-মূর্ধন্য-ণ-স্বাভা/

পিণাক

নিচের স্বাভাবিক ণত্ব ছড়ায় বর্ণিত পিণাক শব্দের অর্থ কী? জানতে চেয়েছেন কয়েকজন শুবাচি।
“চাণক্য মাণিক্য গণ বাণিজ্য লবণ মণ
বেণু বীণা কঙ্কণ কণিকা।
কল্যাণ শোণিত মণি স্থাণু গুণ পুণ্য বেণী
ফণী অণু বিপণি গণিকা।
আপণ লাবণ্য বাণী নিপুণ ভণিতা পাণি
গৌণ কোণ ভাণ পণ শাণ।
চিক্কণ নিক্কণ তূণ কফণি (কনুই) বণিক গুণ
গণনা পিণাক পণ্য বাণ।”

কোণ ও কোন

কোণ বানানে ণ, কোন বানানে ন কেন?
কোণ: পরস্পর মিলিত দুটি সরলরেখার মধ্যবর্তী স্থানকে কোণ বলা হয়। যেমন: স্থূলকোণ, সমকোণ। দুই পার্শ্বের মিলনস্থানও কোণ। যেমন: গৃহকোণ। সূক্ষ্মপ্রান্তও কোণ। যেমন: আঁখিকোণ। অস্ত্রাদির অগ্রভাগও কোণ। যেমন: ছুরির কোণ। এসব অর্থজ্ঞাপক কোণ শব্দটি তৎসম।
ণত্ববিধি বলছে— ঋ ঋৃ র ষ- প্রভৃতি বর্ণের পর যদি প্রত্যয়ের দন্ত্য-ন আসে তবে তা ণ হয়ে যায়। এ হিসেবে কোণ বানানে ণ হওয়ার কথা নয়। তবু ণ। কারণ, কিছু কিছু শব্দে স্বভাবতই ণ বসে। এগুলোকে স্বাভাবিক ণত্ব বলা হয়। কোণ বানানের ণ স্বাভাবিক ণত্ব। কোণ= √কুণ্‌+অ। দেখুন এরূপ কিছু শব্দ:
“চাণক্য মাণিক্য গণ বাণিজ্য লবণ মণ
বেণু বীণা কঙ্কণ কণিকা।
কল্যাণ শোণিত মণি স্থাণু গুণ পুণ্য বেণী
ফণী অণু বিপণি গণিকা।
আপণ লাবণ্য বাণী নিপুণ ভণিতা পাণি
গৌণ কোণ ভাণ পণ শাণ।
চিক্কণ নিক্কণ তূণ কফণি (কনুই) বণিক গুণ
গণনা পিণাক পণ্য বাণ।”
কোন: সর্বনামে কী, কে, কোনটি এবং ক্রিয়াবিশেষণে কী প্রকারে কীভাবে, কীসে প্রভৃতি অর্থজ্ঞাপক কোন বানানে ন। কারণ কোন শব্দটি বাংলা অর্থাৎ অতৎসম । অতৎসম শব্দে ণত্ববিধি চলে না।
error: Content is protected !!