Warning: Constant DISALLOW_FILE_MODS already defined in /home/draminb1/public_html/wp-config.php on line 102

Warning: Constant DISALLOW_FILE_EDIT already defined in /home/draminb1/public_html/wp-config.php on line 103
পথেঘাটে সতিন: বিখ্যাতদের কৌতুক – Dr. Mohammed Amin

পথেঘাটে সতিন: বিখ্যাতদের কৌতুক

বিখ্যাতদের কৌতুক: হাস্যরস ও প্রজ্ঞাযশ

ড. মোহাম্মদ আমীন

পথেঘাটে সতিন

পৌষের মাঝামাঝি কোনো দিন। কবি রজনীকান্ত সেন (২৬ শে জুলাই, ১৮৬৫ – ১৩ই সেপ্টেম্বর, ১৯১০) তাঁর এক কুলীন বন্ধুর দ্বিতীয় বিবাহে বরযাত্রী হলেন। বিবাহের পরদিন সকালে সকল বরযাত্রী বরবধূ নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। মাঝপথে নববধূ আকস্মিকপ্রবল জুরে আক্রান্ত হয়ে ছটফট শুরু করে দিলেন।তিনি ভীষণ বিষণ্ন।
রজনীকান্তের কুলীন বন্ধু সসেমিরা হয়ে রজনীকান্তকে বললেন, এখন কী করি?
রজনীকান্ত বললেন, জ্বর কত ডিগ্রি হতে পারে?
কুলীন বন্ধুটি তার নববধূর গায়ে হাত রেখে বললেন, একশ-তিন।
বরের মুখে নববধূর একশ-তিন শুনে রজনীকান্ত রসিকতা করে বললেন, নববধূর বাড়িতেও এক সতিন, আবার পথেও এক সতিন; তোমার কী অবস্থা হবে আমি তো বুঝতে পারছি না।
কী করব ?
রজনীকান্ত বললেন, তোমার হাঁসের মতো বউটাকে হাসাও।
রজনীকান্ত সেনের কথা শুনে আর এক বন্ধু এসে নববধূ-সহ সবাইকে শুনিয়ে দিলেন রজনীকান্তের কবিতা:
“বাজার হুদ্দা কিন্যা আইন্যা, ঢাইল্যা দিচি পায়;
তোমার লগে কেমতে পারুম, হৈয়্যা উঠছে দায়।
আরসি দিচি, কাহই দিচি, গাও মাজনের হাপান দিচি,
চুলে বান্দনের ফিত্যা দিচি, আর কি দ্যাওন যায়?”
একশতিনের কথা ভুলে হেসে দিলেন নববধূ।
রামকৃষ্ণ ও মহাসাধু
রামকৃষ্ণ পরমহংস দেব এক সন্ধ্যায় ভক্তদের উপদেশ দিচ্ছিলেন। এসময় এক তঁর কাছে এক সাধু এলেন। রামকৃষ্ণ তাকে সবার মতো স্বাগত জানালেন। এমন সাধারণ সম্মানে সাধু খুশি হতে পারলেন না। তিনি মনে করেছিলেন রামকৃষ্ণ তাকে প্রণাম করে অতি সম্মানের সঙ্গে স্বাগত জানাবেন।
তা না পেয়ে সাধু উত্তেজিত স্বরে বললেন, জানেন আমি কে?
রামকৃষ্ণ : কে?
সাধু : আমি ত্রিশ বছর সাধনা করে এখন হেঁটে নদী পার হতে পারি, আপনি কি সেটা পারেন?
স্মিত হেসে রামকৃষ্ণ বললেন, যেখানে এক পয়সা দিলেই মাঝি আমাকে নদী পার করে দেয়, সেখানে এর জন্য ত্রিশ বছর সময় নষ্ট করার মতো বোকা আমি নই।
আপনি হেরেছেন
আমেরিকার প্রেসিডেন্ট কেলভিন কোলিজ কম কথা বলার জন্য বিখ্যাত ছিলেন। একবার এক মহিলা তার একবন্ধুর সঙ্গে বাজি ধরে বললেন, আমি প্রেসিডেন্টর মুখ থেকে দুইয়ের অধিক শব্দ আদায় করে ছাড়ব।
তারপর মহিলা এক পার্টিতে প্রেসিডেন্টের পাশে বসে বিনয়ের সঙ্গে বললেন, মি. কোলিজ, আজ আপনাকে কথা বলতেই হবে। কারণ আমি বাজি ধরেছি আপনার কাছ থেকে দুইয়ের অধিক শব্দের কথা আদায় করার।
মহিলাটিকে হতাশ করে কোলিজ জবাব দিলেন, আপনি হেরেছেন।
————————————————————————