পৃথিবীর ইতিহাস ও নামকরণ : কত জানা আজানা বিচিত্র তথ্য

পৃথিবীর ইতিবৃত্ত

ড. মোহাম্মদ আমীন

পৃথিবীর উচ্চতার পরিবর্তন

ভূপৃষ্ঠের উচ্চতা পরিবর্তিত হতে পারে সর্বনিম্ন −৪১৮ মিটার যার অবস্থান মৃত সাগর এবং সর্বোচ্চ উচ্চতা হতে পারে ৮,৮৪৮ মিটার, যা হিমালয় পর্বতের চূড়ায়। সমুদ্র পৃষ্ঠতলের উপরে পৃথিবীর ভূপৃষ্ঠের গড় উচ্চতা ৮৪০ মিটার।

পৃথিবী থেকে সূর্যের বিভিন্ন সময় অবস্থানগত দূরত্ব

পৃথিবী সূর্যের সবচেয়ে কাছে থাকে (অনুসূরবিন্দুতে) জানুয়ারি মাসে, যেটা দক্ষিণ গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল। পৃথিবী সূর্য থেকে সবচাইতে দূরে থাকে (অপদূরবিন্দুতে) জুলাই মাসে, যেটা উত্তর গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল, এবং অনুসূরবিন্দুর তুলনায় সূর্য থেকে আসা সৌর বিকিরণের মাত্র ৯৩.৫৫% পতিত হয় ভূমির কোন নিদির্ষ্ট বর্গ এলাকায়। তদসত্ত্বেও উত্তর গোলার্ধে ভূমির আকার অনেক বড়ো, যা সমুদ্রের তুলনায় অনেক সহজে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সুতরাং, গ্রীষ্মকাল ২.৩ ডিগ্রি C (৪ ডিগ্রি F) উষ্ম হয়ে থাকে উত্তর গোলার্ধে, দক্ষিণ গোলার্ধের তুলনায় অনুরূপ পরিবেশ থাকা শর্তেও। সমুদ্র সমতল থেকে অধিক উচ্চ ভূমির ক্ষেত্রে জলবায়ু অনেক ঠান্ডা থাকে কারণ সেখানে বাতাসের ঘনত্ব কম থাকে।

বিষুব রেখা দুই মেরুর চেপে থাকা আবিষ্কার

১৭৩৫ খ্রিষ্টাব্দে ফরাসি গণিত ও ভুগোলবিদরা পৃথিবীর সঠিক কাঠামো চিহ্নিত করার জন্য প্রথম গবেষণা কাজ শুরু করেন। এ লক্ষ্যে ফরাসী সরকার বিজ্ঞান একাডেমির ঐ গবেষণা কাজের জন্য বিপুল অর্থ বরাদ্দ করে। বিজ্ঞানীরা ব্যাপক গবেষণা চালিয়ে পৃথিবীর বিষুব রেখা ও দুই মেরুর ভেতরের দিকে চেপে থাকার বিষয়টি আবিস্কার করেন।

 দিন রাতের তারতম্য এবং বড়ো ছোটো দিনরাত

২১ শে জুন উত্তর গোলার্ধে সবচেয়ে বড়ো দিন এবং সবচেয়ে ছোটো রাত হয়। দক্ষিণ গোলার্ধে বিপরীত অবস্থা বিরাজ করে। ২১ শে জুন সূর্য উত্তরায়নের শেষ সীমায় পৌঁছায় একে কর্কটক্রান্তি রেখা বলে। ২১ শে মার্চ  এবং ২৩ শে সেপ্টেম্বর দিবারাত্রি সমান হয়। ২২ শে ডিসেম্বর উত্তর গোলাধের্র সবচেয়ে ছোটো দিন ও সবচেয়ে বড়ো রাত হয়। দক্ষিণ গোলার্ধে বিপরীত অবস্থা থাকে।

 গোলার্ধভিত্তিক শীতগ্রীষ্ম

উত্তর গোলার্ধে যখন গ্রীষ্মকাল দক্ষিন গোলার্ধে তখন শীতকাল। উত্তর গোলার্ধে যখন শরৎকাল দক্ষিন গোলার্ধে তখন শরৎকাল। উত্তর গোলার্ধে যখন শরৎকাল দক্ষিন গোলার্ধে তখন বসন্তকাল। বাংলাদেশ উত্তর গোলার্ধে অবস্থিত।

পৃথিবীর সর্বোচ্চ  উত্তর দক্ষিণের স্থায়ী স্থাপনা

পৃথিবীর সর্বোচ্চ উত্তর দিকের স্থায়ী স্থাপনাটি এলার্টে, যা নুনাভুট, কানাডার এললেসমেয়ার আইল্যান্ডে অবস্থিত (৮২ডিগ্রি ২৮′ উত্তর), পৃথিবীর সর্বোচ্চ দক্ষিণ দিকের স্থায়ী স্থাপনাটি হলো আমুন্ডসেন- স্কট সাউথ পোল স্টেশন, অ্যান্টারটিকায়, দক্ষিণ মেরুর কাছাকাছি, (৯০ ডিগ্রি দক্ষিণ)।

জ্ঞানসমুদ্রে ঝাঁপ দিন পুরো পৃথিবী দেখে নিন

পৃথিবীর ইতিহাস

পৃথিবীর ইতিহাস একনজরে : গঠন পরিভ্রমণ নামকরণ সৃষ্টি ও স্থায়িত্ব

পৃথিবীর ইতিহাস ও নামকরণ : চাঁদ চৌম্বকক্ষেত্র বরফ যুগ প্রথম অণুর সন্ধান রোডেনিয়া

পৃথিবীর ইতিহাস ও নামকরণ : পৃথিবীর ভবিষ্যৎ আকৃতি ভর গঠন উপাদান

পৃথিবীর ইতিহাস ও নামকরণ : অক্সিজেনের আগমণ প্রাণের বিস্ফোরণ জীবাশ্ম স্নোবাল-আর্থ জীবজগতের বিলুপ্তি

পৃথিবীর ইতিহাস ও নামকরণ : ভুপৃষ্ঠ ভৌগোলিক-বিভাজন ভর তাপমাত্রা মালভূমি সমভূমি এবং গভীরতম স্থান

পৃথিবীর ইতিহাস ও নামকরণ : চাঁদ চন্দ্রকলা জোয়ারভাটা চান্দ্রমাস

পৃথিবীর ইতিহাস ও নামকরণ : আহ্নিক গতি বার্ষিক গতি : ছায়বৃত্ত উষা গোধুলি : সৌরদিবস সৌর বছর লিপইয়ার

পৃথিবীর ইতিহাস ও নামকরণ : মহাসাগর : মহাসাগরের ভর গভীরতা আয়তন লবণাক্ততা : পানির পরিমাণ

পৃথিবীর ইতিহাস ও নামকরণ : চৌম্বকক্ষেত্র অভিকর্ষজাত ত্বরণ

পৃথিবীর ইতিহাস ও নামকরণ : জীবমণ্ডল : জীবমণ্ডলের গঠন: কক্ষীয় দ্রুতি

পৃথিবীর ইতিহাস ও নামকরণ : একনজরে পৃথিবী

পৃথিবীর ইতিহাস ও নামকরণ : পৃথিবীর আবাদী জমি : জনসংখ্যা : বাসযোগ্যতা

পৃথিবীর ইতিহাস ও নামকরণ : ধর্ম ও বিজ্ঞানের হিসেবে পৃথিবীর বয়স : প্লাস্টিক যুগ

পৃথিবীর ইতিহাস ও নামকরণ : পৃথিবীর সার্বভৌম দেশ : সম্পদ : মহাদেশ : রাষ্ট্র ও ভূমি

সাধারণ জ্ঞান সমগ্র

 

 

error: Content is protected !!