পৃথিবীর ইতিহাস ও নামকরণ : পৃথিবীর সার্বভৌম দেশ : সম্পদ : মহাদেশ : রাষ্ট্র ও ভূমি

পৃথিবীর ইতিবৃত্ত

ড. মোহাম্মদ আমীন

পৃথিবীর স্বাধীন সার্বভৌম দেশ

কিছু অংশ বাদ দিয়ে স্বাধীন সার্বভৌম দেশগুলো পৃথিবীর নামের গ্রহের  প্রায় পুরো ভূমির সবটাই নিজেদের বলে দাবি করে। বাদ দেয়া অংশগুলো হলো : মধ্যে হল অ্যান্টার্কটিকার কিছু অংশ, দানিউব নদীর পশ্চিম তীর বরাবর কয়েক খন্ড জমি, মিশর ও সুদানের সীমান্তের অদাবীকৃত এলাকা ‘‘বির টাউইল”। ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের হিসাবমতে, পৃথিবীতে ১৯৩টি সার্বভৌম রাষ্ট্র রয়েছে। যা জাতিসংঘের সদস্য দেশ হিসাবে অন্তর্ভূক্ত, এছাড়াও দুটি পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র ও ৭২টি নির্ভরশীল অঞ্চল এবং সীমিত স্বীকৃতিপ্রাপ্ত রাষ্ট্র রয়েছে।

মহাদেশ

পৃথিবীর সাতটি মহাদেশ হলো : উত্তর আমেরিকা, দক্ষিণ আমেরিকা, অ্যান্টার্কটিকা, ইউরোপ, আফ্রিকা, এশিয়া, অস্ট্রেলিয়া।

পৃথিবীর রাষ্ট্র মতবাদ

পৃথিবীরর মানুষ প্রায় ২০০টি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রে সমগ্র গ্রহকে বিভক্ত করে বসবাস করছে। এই সকল রাষ্ট্রের মধ্যে পারস্পরিক কূটনৈতিক, পর্যটন, বাণিজ্যিক ও সামরিক সম্পর্ক বিদ্যমান। মানব সংস্কৃতি গ্রহ সম্পর্কে বিভিন্ন ধারণার জন্মদাতা। এই সব ধারণার মধ্যে রয়েছে পৃথিবীকে দেবতা রূপে কল্পনা, সমতল বিশ্ব কল্পনা এবং পৃথিবীকে মহাবিশ্বের কেন্দ্ররূপে কল্পনা।

প্রাকৃতিক সম্পদ এবং ভূমি ব্যবহার

২০০০ খ্রিষ্টাব্দের হিসেব মতে পৃথিবীতে শস্যভূমি  ১,৫১০-১,৬১১ মেগাহেক্টর; চারণভূমি  ২,৫০০-৩,৪১০মেগাহেক্টর;  প্রাকৃতিক বনভূমি ৩,১৪৩-৩,৮৭১ মেগাহেক্টর; রোপনকৃত বনভূমি ১২৬-২১৫ মেগাহেক্টর; শহর এলাকা ৬৬-৩৫১ মেগাহেক্টর; অব্যবহৃত উৎপাদনযোগ্য ভূমি ৩৫৬-৪৪৫ মেগাহেক্টর। ১৯৮০ খ্রিষ্টাব্দের হিসেবমতে, ৫,০৫৩ মেগাহেক্টর (৫০.৫৩ মিলিয়ন বর্গ কিমি) এলাকা জুড়ে ছিল বনভূমি ও বনাঞ্চল, ৬,৭৮৮ মেগাহেক্টর (৬৭.৮৮ মিলিয়ন বর্গ কিমি) এলাকা ছিল তৃণভুমি ও চরণভুমি, এবং ১,৫০১ মেগাহেক্টর (১৫.০১ মিলিয়ন বর্গ কিমি) এলাকা ছিল খাদ্যশস্য চাষের শস্যভূমি। সেচ ভূমির পরিমাণ ১৯৯৩ খ্রিষ্টাব্দের হিসেবে প্রায় ২৪,৮১,২৫০ বর্গকিলোমিটার।


পৃথিবীর ইতিহাস ও নামকরণ : একনজরে পৃথিবী

পৃথিবীর ইতিহাস ও নামকরণ : পৃথিবীর আবাদী জমি : জনসংখ্যা : বাসযোগ্যতা

পৃথিবীর ইতিহাস ও নামকরণ : ধর্ম ও বিজ্ঞানের হিসেবে পৃথিবীর বয়স : প্লাস্টিক যুগ

সাধারণ জ্ঞান সমগ্র

 

error: Content is protected !!