বর্ণ, চিহ্ন, স্বরধ্বনি: অ আ ই ঈ উ ঊ ঋ এ এ ও ঔ: নাম, উচ্চারণ, বৈশিষ্ট্য ও প্রয়োগ

ড. মোহাম্মদ আমীন
 
 
 
 
 
বাংলা ভাষায় স্বরবর্ণের সংখ্যা মোট ১১টি। যথা: অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ, এ, ঐ, ও, ঔ। সব বর্ণের এক-একটা কার-চিহ্ন আছে। তবে অ-কার দৃশ্যমান নয়। বাংলায় আসলে এতগুলো স্বরধ্বনি নেই। সবচেয়ে বড়ো কথা হলো:  বাংলায় কোনো দীর্ঘ স্বরধ্বনি নেই। বাংলায় মূলত রয়েছে সাতটা স্বরধ্বনি। যথা:  অ, আ, ই, উ, এ, ও এবং অ্যা।  বাংলায় এর চেয়ে ৪টি বেশি স্বরবর্ণ থাকা সত্ত্বেও কোনোটি দিয়ে ‘অ্যা’ স্বরধ্বনি নির্দেশ করা হয় না। অথচ এই ধ্বনি বাংলায় আছে কিন্তু  কোনো নির্দিষ্ট বর্ণ বা অক্ষর নেই। ঐ এবং ঔ আলাদা স্বর হিসেবে নির্দিষ্ট হলেও প্রকৃতপক্ষে দুটোই যৌগিকস্বর। যেমন: ঐ=ওই এবং ঔ=ওউ। ই ঈ এবং উ ঊ- বর্ণে কোনো উচ্চারণগত পার্থক্য নেই। এজন্য বাংলার সমস্ত বানান সমিতিই অতৎসম শব্দে ঈ, ঈ-কার, ঊ, ঊ-কার-এর বদলে ই, ই-কার, উ, উ-কার ব্যবহারের বিধান করেছে।   বাংলার ১১টি স্বরবর্ণের মধ্যে  পূর্ণমাত্রাযুক্ত স্বরবর্ণ ৬টি, অর্ধমাত্রাযুক্ত স্বরবর্ণ ১টি এবং মাত্রা ছাড়া স্বরবর্ণ ৪টি। 
 
 
অ (অ)
  • বাংলা বর্ণমালায় অবস্থিত চিহ্নটির সাধারণ পরিচিতি নাম স্বরে-অ। তবে এর আভিধানিক ও ব্যাকরণিক নাম
  • বাংলা বর্ণমালার প্রথম স্বরবর্ণ।
  • মৌলিক স্বরধ্বনি -এর প্রতীক।
  • অ-এর উচ্চারণ স্থান কণ্ঠ।
  • অ-স্বর অকারন্ত।
  • অ পূর্ণমাত্রাযুক্ত স্বরবর্ণ।
  • ব্যঞ্জনে অ-ধ্বনির অবস্থান বা উপস্থিতি নির্ধারক কোনো চিহ্ন নেই।
  • কোনো ব্যঞ্জনে অ-স্বরের অনুপস্থিতিকে হসন্ত দ্বারা নির্দেশ করা হয়।  আধুনিক বানানে  হসন্ত চিহ্নের ব্যবহারকে নিরুৎসাহিত করা হয়।
  • বাংলা শব্দে ‘অ’ বর্ণটি দুই ভাবে উচ্চারিত হয়। এর একটি হলো ‘ও’ -এর মতো, অপরটি ‘অ’-এর মতো। ধ্বনি তত্ত্বে এই দুটি রূপকে বিশেষ নামে চিহ্নিত করা হয়ে থাকে। এই ভাগ দুটি হলো বিবৃত মধ্য ও সংবৃত মধ্য।
  • বিবৃত-মধ্য অ: এই অ উচ্চারণের সময়, জিহ্বা পশ্চাৎ-তালু বরাবর উঠে বিবৃত-মধ্য অঞ্চলে প্রবেশ করবে এবং তালু ও জিহ্বার মধ্যবর্তী অঞ্চলের স্থানকে অর্ধ-বিবৃত করবে। এই কারণে এই অ-কে ‘ অর্ধ বিবৃত-ও বলা হয়। যেমন : অত, শত। এই জাতীয় উচ্চারণের সময় ঠোঁট প্রসারিত হয়ে বর্তুলাকার হবে। আন্তর্জাতিক ধ্বনিলিপি অনুসারে এর চিহ্ন ɔ।
  • সংবৃত-মধ্য অ : এই অ উচ্চারণের সময়, জিহ্বা পশ্চাৎ-তালু বরাবর উঠে বিবৃত-মধ্য অঞ্চলে প্রবেশ করবে এবং তালু ও জিহ্বার মধ্যবর্তী অঞ্চলের স্থানকে সঙ্কুচিত করবে। এই জাতীয় উচ্চারণের সময় ঠোঁট সঙ্কুচিত হয়ে বর্তুলাকার রূপকে ছোটো করে ফেলবে। ফলে অ-ধ্বনিটি ও-এর মতো শোনাবে। এক্ষেত্রে ধ্বনিরূপ সম্পূর্ণরূপে সংবৃত না হয়ে অর্ধ-সংবৃত রূপ লাভ করবে। এই কারণে এই ধ্বনিকে অর্ধ্ব-সংবৃতও বলা হয়। ফলে এই অ-এর উচ্চারণ ‘ও’ এর মতো শোনাবে। বাংলা বর্ণমালায় ‘অর্ধ-সংবৃত অ’এর জন্য পৃথক কোনো লিপি নেই। তাই এই অ-কেও ‘অ’ বর্ণ দিয়েই প্রকাশ করা হয়। যেমন : অতি (ওতি), কবি (কোবি)। আন্তর্জাতিক ধ্বনিলিপি অনুসারে এর চিহ্ন o।
 
আ (আ)
  • বাংলা বর্ণমালায় অবস্থিত চিহ্নটির প্রমিত আভিধানিক ও ব্যাকরণিক শুদ্ধ নাম  আ।
  • বাংলা বর্ণমালার দ্বিতীয় স্বরবর্ণ।
  • এটি মৌলিক স্বরধ্বনি (a)-এর প্রতীক।
  • আ-এর উচ্চারণ স্থান কণ্ঠ।
  • আ পূর্ণমাত্রাযুক্ত স্বরবর্ণ।
  • ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে যুক্ত হলে ‘আ চিহ্নটি ‘া ’ রূপ প্রাপ্ত হয়।
ই (rɦɔশ্‌শো ই)
 
  • বাংলা বর্ণমালায় অবস্থিত চিহ্নটির নাম হ্রস্ব-ই। উচ্চারণ: rhɔশ্‌শো ই। নাম ও নামের উচ্চারণ আর চিহ্নটির দ্যোতিত ধ্বনি বা উচ্চারণ এক বিষয় নয়।
  • ‘ই’  বাংলা বর্ণমালার তৃতীয় স্বরবর্ণ। 
  • ‘ই’  তালু থেকে উচ্চারিত মৌলিক স্বরধ্বনি।
  • এটি ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে যুক্ত হলে  ‘ি’ রূপ প্রাপ্ত হয়।  অর্থাৎ ই বর্ণের বৈশিষ্ট্যসূচক চিহ্ন হলো ‘ি’
  • ‘ই’ পূর্ণমাত্রাযুক্ত স্বরবর্ণ। 
  • অতৎসম শব্দের বানানে সাধারণত ই-কার হয় । 
  • ই-এর ধ্বনিকে সম্মুখ সংবৃত্ত স্বরধ্বনি বলা হয়।
ঈ (দির্‌ঘো ই) 
  • বাংলা বর্ণমালার স্বরবর্ণ অংশে অবস্থিত ‘ঈ’ চিহ্নটির নাম দীর্ঘ-ঈ; উচ্চারণ: দির্‌ঘো ই।
  • ‘ঈ’  বাংলা বর্ণমালার চতুর্থ স্বরবর্ণ। 
  • ‘ঈ’ তালু থেকে উচ্চারিত মৌলিক স্বরধ্বনি (i)-এর প্রতীক। 
  • ‘ঈ’  একটি পূর্ণমাত্রাযুক্ত স্বরবর্ণ।
  • ‘ঈ’ ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে যুক্ত হলে  ‘ী ’ রূপ প্রাপ্ত হয়।  অর্থাৎ ‘ঈ’ বর্ণের বৈশিষ্ট্যসূচক চিহ্ন হলো— ‘ী’। ধীর, গভীর।
  • সংস্কৃতে -র উচ্চারণ দীর্ঘ হলেও বাংলায় তা হ্রস্ব এবং ই-র অনুরূপ। যেমন: দিন দীন; বিনা বীণা।
  • অবয়বে ভিন্ন হলেও  উচ্চারণের ক্ষেত্রে এবং ধ্বনির কোনো তফাত নেই। 
  • শব্দে বর্ণ দুটি কেবল অর্থের পার্থক্য নির্দেশ করে। উচ্চারণে ঈ-এর ভূমিকা অবিকল ই-ধ্বনির মতো।
  • বা সাধারণত তৎসম শব্দে ব্যবহৃত হয়। কয়েকটি ব্যতিক্রম ছাড়া অতৎসম শব্দের বানানে -এর ব্যবহার নেই।
উ (rɦɔশ্‌শো উ) 
  • বাংলা বর্ণমালার স্বরবর্ণ অংশে অবস্থিত ‘উ’ চিহ্নটির নাম হ্রস্ব-উ; উচ্চারণ: rɦɔশ্‌শো উ। মনে রাখবেন নাম ও নামের উচ্চারণ আর  বর্ণটির দ্যোতিত উচ্চারণ এক নয়।
  • ‘উ’ বাংলা বর্ণমালার পঞ্চম স্বরবর্ণ।
  • ‘উ’ বর্ণটি ওষ্ঠ দ্বারা উচ্চার্য মৌলিক স্বরধ্বনি (u)-র প্রতীক। 
  • ‘  একটি পূর্ণমাত্রাযুক্ত স্বরবর্ণ।
  • ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে যুক্ত হলে ‘উ’ চিহ্নটি ‘ ‍ু’ রূপ প্রাপ্ত হয়।
  • তৎসম ও অতৎসম উভয় শব্দের বানানে  ‘উ’ বা তার বৈশিষ্টজ্ঞাপক চিহ্ন ‘ু’ ব্যবহৃত হয়। 
  •  কোনো শব্দের বানানে উ এবং ঊ বা তাদের -কার দুটোই ব্যাকরণগতভাবে শুদ্ধ হলে প্রমিত বানানবিধিতে উ বা উ-কার ব্যবহৃত হবে।
 
 
ঊ (দির্‌ঘো উ) 
  • বাংলা বর্ণমালার স্বরবর্ণ অংশে অবস্থিত ‘ঊ’ চিহ্নটির নাম দীর্ঘ-ঊ। উচ্চারণ: দির্‌ঘো উ
  • ‘ঊ’  বাংলা বর্ণমালার ষষ্ঠ স্বরবর্ণ।
  • ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে যুক্ত হলে ‘ঊ’ চিহ্নটি ‘ ‍ূ’ রূপ প্রাপ্ত হয়।
  • ‘ঊ’ ওষ্ঠ দ্বারা উচ্চার্য মৌলিক স্বরধ্বনির প্রতীক।
  • ‘ঊ’ একটি পূর্ণমাত্রাযুক্ত স্বরবর্ণ।
  • সংস্কৃতে -র উচ্চারণ দীর্ঘ হলেও বাংলায় তা হ্রস্ব এবং -র মতো। অর্থাৎ উচ্চারণের ক্ষেত্রে এবং ধ্বনির কোনো তফাত নেই। যেমন: কুল কূল।
  • বা ‘ ূ’ সাধারণত তৎসম শব্দে ব্যবহৃত হয়।
  •  অতৎসম শব্দের বানানে ঊ বা ঊ-কারের (ূ) ব্যবহার নেই।
  •  কোনো শব্দের বানানে উ এবং ঊ বা তাদের -কার দুটোই ব্যাকরণগতভাবে শুদ্ধ হলে প্রমিত বানানবিধিতে উ বা উ-কার ব্যবহৃত হবে।
 
ঋ (রি)
  • বাংলা বর্ণমালার স্বরবর্ণ অংশে অবস্থিত ‘ঋ’ চিহ্নটির নাম রি। উচ্চারণ: রি
  • ‘ঋ’  বাংলা বর্ণমালার সপ্তম স্বরবর্ণ।
  • ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে যুক্ত হলে ‘ঋ চিহ্নটি ‘ ‍ৃ’ রূপ প্রাপ্ত হয়।
  • ‘ঋ’ হলো একমাত্র অর্ধমাত্রাযুক্ত স্বরবর্ণ।
  • ঋ বা ঋ-কার অতৎসম শব্দের বানানে ব্যবহার করা হয় না। তাই যেসব শব্দে ঋ বা ঋ-কার আছে সেসব শব্দ সাধারণত তৎসম।
  • ঋ-কে স্বরবর্ণরূপে গণ্য করা হলেও এই বর্ণের উচ্চারণ ব্যঞ্জনবর্ণ র-এর মতো। ঋ= র+ই। । 
  • শব্দের আদিতে থাকলে ঋ-এর উচ্চারণ হয় ‘রি’। যেমন: ঋণ (রিন্‌), ঋষি (রিশি), ঋতু (রিতু)।
  • শব্দের মধ্যে, কিংবা শেষে ঋ বা ঋ-কার থাকলে অনেক সময়ে যে বর্ণে ঋ-কার পড়েছে, উচ্চারণে তার দ্বিত্ব ঘটে এবং তারপর রি যোগ হয়। যেমন ‘উপকৃত’ (উপোক্‌ক্রিতো), ‘অতৃপ্ত’ (অৎত্রিপ্তো)।
  • ণত্ববিধিমতে, প্রথমে ঋ বা ঋ-কারের  পর এবং  স্বরবর্ণ, ক-বর্গ, প-বর্গ, য-ব-হ এবং অুনস্বারের ব্যবধান থাকে তাহলে ন, ণ হয়ে যায়।ঋ ব্যঞ্জন প্রকৃতির বর্ণ।
 
এ (এ/æ)
  • বাংলা বর্ণমালার স্বরবর্ণ অংশে অবস্থিত ‘এ’ চিহ্নটির নাম এ;  উচ্চারণ: এ।   ‘এ’ বাংলা বর্ণমালার অষ্টম স্বরবর্ণ। ‘‘এ’  বর্ণটি উচ্চমধ্য অর্ধসংবৃত মৌলিক স্বরধ্বনির দ্যোতক। ‘এ’ ধ্বনির উচ্চারণস্থান কণ্ঠ-তালু। এর উচ্চারণ হলো: æ ‘এ’ হলো এ একটি মাত্রাহীন স্বরবর্ণ। ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে যুক্ত হলে ‘এ চিহ্নটি ‘ ‍ে ’ রূপ প্রাপ্ত হয়।
 
ঐ (ওই)
  • বাংলা বর্ণমালার স্বরবর্ণ অংশে অবস্থিত ‘ঐ’ চিহ্নটির নাম ওই;  উচ্চারণ: ওই্‌।  ‘ঐ’ বাংলা বর্ণমালার নবম স্বরবর্ণ। ঐ= ও+ই; অর্থাৎ দুটি স্বরবর্ণ  নিয়ে  ঐ গঠিত। ঐ (ও+ই) যৌগিক স্বরের দ্যোতক ও, ওই-ধ্বনির বর্ণরূপ। ‘ঐ’-এর উচ্চারণ স্থান কণ্ঠ-ওষ্ঠ। ৈ‘ঐ’ হলো এ একটি মাত্রাহীন স্বরবর্ণ। ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে যুক্ত হলে ‘এ চিহ্নটি ‘ ‍ ৈ ’ রূপ প্রাপ্ত হয়। মৌলিক শব্দের প্রারম্ভে  ঐ-এর ব্যবহার বিরল। প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার পর শব্দের প্রারম্ভে ঐ আসে। যেমন: এক+অ= ঐক; এক+য= ঐক্য, ঈশ্বর+য= ঐশ্বর্য,  ইহ+ইক= ঐহিক, ইতিহাস+ইক= ঐতিহাসিক।
 
ও (ও)
  • বাংলা বর্ণমালার স্বরবর্ণ অংশে অবস্থিত ‘ও’ চিহ্নটির নাম ও;  উচ্চারণ: ও‌। 
  • ‘ও’ বাংলা বর্ণমালার দশম স্বরবর্ণ। ও উচ্চমধ্য অর্ধসংবৃত মৌলিক স্বরের দ্যোতক।
  • ‘ও’-এর উচ্চারণ স্থান কণ্ঠ-ওষ্ঠ।  
  • ও একটি মাত্রাহীন স্বরবর্ণ।
  • ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে যুক্ত হলে ‘ও চিহ্নটি ‘ ‍ে ‍া ’ রূপ প্রাপ্ত হয়।
 
ঔ (ওউ্‌)
  • বাংলা বর্ণমালার স্বরবর্ণ অংশে অবস্থিত ‘ঔ’ চিহ্নটির নাম অউ;  উচ্চারণ: ওউ্‌‌। 
  • ‘ও’ বাংলা বর্ণমালার  একাদশ ও সর্বশেষ স্বরবর্ণ। 
  •  ‘ও’-এর উচ্চারণ স্থান কণ্ঠ-ওষ্ঠ।   
  • ও একটি মাত্রাহীন স্বরবর্ণ। ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে যুক্ত হলে ‘ঔ চিহ্নটি ‘ ‍ে ‍ৗ ’ রূপ প্রাপ্ত হয়।
  • এটি একটি দ্বিস্বরধ্বনি যেটি  এবং -এর সংযোগে গঠিত। এর একটি সংক্ষিপ্ত রূপ রয়েছে, যা ঔ-কার নামে পরিচিত। 
  • কয়েকটি ব্যতিক্রম ছাড়া সাধারণভাবে মৌলিক শব্দের প্রারম্ভে ঔ বা ঔ-কারের ব্যবহার বিরল। প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার পর শব্দের প্রারম্ভে ঔ আসে। যেমন: উজ্জ্বল+য= ঔজ্জ্বল্য,  উৎসুক+য= ঔৎসুক্য, উদার+য= ঔদার্য, উদ্ভিদ+অ= ঔদ্ভিদ, উপনিবেশ+ইক= ঔপনিবেশিক, উপন্যাস+ইক= ঔপন্যাসিক, ওষধি+য= ঔষধ।
শুবাচ গ্রুপের সংযোগ: www.draminbd.com
শুবাচ যযাতি/পোস্ট সংযোগ: http://subachbd.com/
আমি শুবাচ থেকে বলছি
— — — — — — — — — — — — — — — — —
প্রতিদিন খসড়া
আমাদের টেপাভুল: অনবধানতায়
— — — — — — — — — — — — — — — — —
Spelling and Pronunciation
HTTPS://DRAMINBD.COM/ENGLISH-PRONUNCIATION-AND-SPELLING-RULES-ইংরেজি-উচ্চারণ-ও-বান/
 
 
 
error: Content is protected !!