বাংলাদেশের রণসংগীত পরিচিতি

ড. মোহাম্মদ আমীন

বাংলাদেশের রণসংগীত
কাজী নজরুল রচিত ‘নতুনের গান’ নামক গানটি বাংলাদেশের রণসংগীত। গানটির প্রথম ছয় কলি হচ্ছে :
চল চল চল!
ঊর্দ্ধ গগনে বাজে মাদল
নিম্নে উতলা ধরণি তল,
অরুণ প্রাতের তরুণ দল
চল রে চল রে চল
চল চল চল।।

রণসংগীত পরিচিতি
‘নতুনের গান’ ১৯২৯ খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশিত হয়। বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত এবং সুরারোপিত গানটি তার ‘সন্ধ্যা’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত একটি দাদরা তালের গান।

বাংলাদেশের রণসংগীত হিসেবে স্বীকৃতি
দাদরা তালে লেখা ‘নতুনের গান’ গানটি ১৯৭২ খ্রিষ্টাব্দের ১৩ই জানুয়ারি অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের তৎকালীন মন্ত্রীসভার প্রথম বৈঠকে বাংলাদেশের রণ-সংগীত হিসেবে নির্বাচন করা হয়। বাংলাদেশের যে-কোনো সামরিক অনুষ্ঠানে এই গানটির ২১ লাইন যন্ত্রসংগীতে বাজানো হয়।

রণসংগীতের জনপ্রিয়তা
‘নতুনের গান’ ২০০৬ খ্রিষ্টাব্দে বিবিসি বাংলার জরিপে সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বিশটি বাংলা গানের মধ্যে ১৮তম স্থান অধিকার করে।

রণসংগীতের পটভূমি
১৯২৮ খ্রিষ্টাব্দের ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে নজরুল, মুসলিম সাহিত্য সমাজের দ্বিতীয় বার্ষিক সম্মেলনে যোগদানের জন্য ঢাকায় আসেন। ঢাকায় সৈয়দ আবুল হোসেনের বাসভবনে অবস্থানকালে তিনি এই গানটি রচনা করেন। গানটি ‘নতুনের গান’ শিরোনামে প্রথম প্রকাশিত হয় শিখা পত্রিকায়। পরে এটি সন্ধ্যা কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভূক্ত করা হয়।

লিংকসমূহ

বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে লেখা প্রথম কবিতা

জয় বাংলা স্লোগানের উৎস

জাতীয় সংগীত ও বঙ্গবন্ধু

একনজরে বঙ্গবন্ধু

বাংলাদেশের রণসংগীত পরিচিতি

 

 

error: Content is protected !!