বাংলায় অতিমাত্রায় করা কিছু ভুল

সংযোগ: https://draminbd.com/বাংলায়-অতিমাত্রায়-করা-কি/

সচরাচর বাংলায় অতিমাত্রায় ভুলগুলো নিম্নে দেওয়া হলো:

১.কোলন এর ব্যবহার: কোলন (:) ও ডট (.)-এর স্থলে বিসর্গ (ঃ) ব্যবহার খুব বেশি চোখে পড়ে।  জানা উচিত বিসর্গ যে, (ঃ) কোনো যতিচিহ্ন নয়— এটি একটি বর্ণ। বর্ণ হিসেবে এর ব্যবহার করতে হবে।
যেমন— আঃ (আহ্), উঃ (উহ্), ওঃ (ওহ্), ছিঃ (ছিহ্), বাঃ (বাহ্), হাঃ (হাহ্), দুঃখ।
পদের শেষে বিসর্গ ব্যবহার হবে না।
যেমন— আইনত, ন্যায়ত।
বিসর্গের স্থলে কোলন ব্যবহার করা যাবে না। যেমন: দু:খ (দুঃখ), আ: (আঃ)।
সংক্ষিপ্ত শব্দে ডট (.) ব্যবহার হবে।
যেমন: ড. (ডক্টর), ডা. (ডাক্তার), মি. (মিস্টার), লি. (লিমিটেড)।
ভুল নিয়ম: ডাঃ, ডঃ, মিঃ ইত্যাদি❌
[সতর্কীকরণ: বিসর্গ (ঃ) এর স্থলে কোলন ( : ) কোনোভাবেই ব্যবহার করা যাবে না।
যেমন: অত:পর, দু:খ ইত্যাদি।
কারণ কোলন ( : ) কোনো বর্ণ নয়, চিহ্ন। যতিচিহ্ন হিসেবে বিসর্গ (ঃ) ব্যবহার যাবে না। যেমন: নামঃ রেজা, থানাঃ লাকসাম, জেলাঃ কুমিল্লা, ১ঃ৯ ইত্যাদি।]❌
২.দাঁড়ি বা পূর্ণচ্ছেদ (।)
প্রতিটি বাক্যের শেষে দাঁড়ি ব্যবহৃত হয়।
দাঁড়ি দিয়ে বাক্যটি শেষ হয়েছে বোঝায়।
যেমন: আমি কাল বাড়িতে ছিলাম।
নামের শেষে দাঁড়ি ব্যবহার হবে না।
যেমন: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর।❌
সরকারি তোলারাম কলেজ।❌
শুদ্ধ: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর
শুদ্ধ: সরকারি তোলারাম কলেজ
৩. নামের সংক্ষিপ্ত রূপ:  রাসুল(সা.) আরবি নাম হিসেবেই যদি লেখেন তবে পুরো মোহাম্মদ(সা.) লেখবেন।
আর সংক্ষেপণের প্রতীক হিসেবে(ঃ) এটা বাদ দিন।
এটা সংক্ষেপণ চিহ্ন না।
বাংলাভাষায় সংক্ষেপের চিহ্ন কী সেটা জেনে নিন।
প্রয়োজনে বাংলা একাডেমির দ্বারস্থ হোন।
বাংলা একাডেমি ডট(.) ব্যবহার করেন।
যেমন: মোহাম্মদ(সা.) — মো./ খ্রিষ্টাব্দ—খ্রি./ ইংরেজি—ই.
৪. প্রথমেই নামের শুরুতে মোহাম্মদ(সা.) নিয়ে কথা বলি।
আমরা মোহাম্মদ(সা.) সংক্ষেপণ করি কীভাবে মোঃ❌
কিন্তু শুদ্ধ লেখার নিয়ম (মো.) [বাংলা একাডেমি।]
একান্তই যদি সংক্ষেপণ করবেন তাহলে ডট (.) ব্যবহার করুন।
{মোহাঃ, মুঃ, মোঃ, ব্যবহার করা ভুল নিয়ম❌}
শুদ্ধ— (মো.) লেখুন।
error: Content is protected !!