বাংলা শব্দের পৌরাণিক উৎস সম্পূর্ণ বই, এক মলাটে বাংলা শব্দের পৌরাণিক উৎস পিডিএফ

 

ড. মোহাম্মদ আমীন

বাংলা শব্দের পৌরাণিক উৎস

দশম অধ্যায়

চক্ষুলজ্জা
‘চক্ষুলজ্জা’ শব্দের অর্থ প্রকাশ হয়ে যাবার সংকোচ, অন্যে জেনে ফেলার লজ্জা প্রভৃতি। অন্যায়, অনুচিত বা অশোভনীয় কাজের অন্তর্নিহিত সংকোচই লজ্জা। লজ্জা মানুষকে নিজের মনে এক সংশোধন ও অভিজ্ঞানমূলক অনুভূতি এনে দেয়। বলা হয় লজ্জা নারীর ভূষণ, যে নারীর লজ্জা হারিয়ে গেছে সে নারীর সকল সৌন্দর্য বিলুপ্ত। পুরুষের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। লজ্জা অধিকাংশ ক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য ও শোভনীয় মনে করা হলেও কিছু কিছু ক্ষেত্রে লজ্জা মারাত্মক পরিণতি বয়ে আনে। আমার বাবা বলতেন, জানার সময় লজ্জা রাখতে নেই। যারা জানার সময় লজ্জা পায় তারা চিরদিন অজ্ঞ থেকে যায়। তবে চক্ষুলজ্জা কিন্তু এ লজ্জা নয়। চক্ষুলজ্জা সম্পূর্ণ চোখের লজ্জা এবং সাধারণ লজ্জার সম্পূর্ণ বিপরীত। যা নিজে করতে লজ্জা বোধ হয় না কিন্তু অন্যে দেখলে বা জানলে তথা অন্যের চোখে পড়লে লজ্জা বোধ হওয়ার সমূহ কারণ সৃষ্টি হয় তা-ই ‘চক্ষুলজ্জা’। উদারহণস্বরূপ, ঘুষ দেওয়া-নেওয়ার কথা বলা যায়। ঘুষ নিতে সাহেবের প্রবল ইচ্ছে এবং ঘুষদাতাও ঘুষ দিতে উদগ্রীব। কিন্তু কাজটি উভয়েই গোপনে করতে চান। কারণ কেউ যদি দেখে ফেলেন! এই যে কেউ দেখে ফেলার ভয়ে কোনো কাজ গোপনে করার প্রবণতাটা এটাই হচ্ছে চক্ষুলজ্জা।

চন্দ্রবংশ
চন্দ্র থেকে উদ্ভূত বংশ। এ বংশ যাদব ও পৌরব নামে দুই ভাগে বিভক্ত। প্রথম বংশ যদু থেকে এবং দ্বিতীয় বংশ পুরু থেকে উদ্ভূত। কৃষ্ণ যদুবংশজাত এবং কুরুপাণ্ডব পুরুবংশজাত।

চন্দ্রভাগা
ভারতীয় পুরাণে বর্ণিত একটি নদী। বিখ্যাত পঞ্চনদের অন্যতম বলে এর গুরুত্ব ছিল অপরিসীম। নদীটির বর্তমান নাম চেনাব। দক্ষের অভিশাপ থেকে মুক্ত হওয়ার সময় চন্দ্র এ নদীতে স্নান করেন। তাই এর অন্য নাম চন্দ্রভাগা।

চম্পকারণ্য
মহাভারতে বর্ণিত একটি পবিত্র অরণ্য। এ বনে এক রাত বসবাস করলে সহস্র গো-দানের পুণ্যলাভ হয়। এর বর্তমান নাম চম্পারণ। চম্পকারণ্যে বসবাস পুণ্যলাভের অন্যতম উপায়।

চম্পা
চম্পা নামক রাজা কর্র্তৃক স্থাপিত একটি প্রসিদ্ধ নগরী। একসময় এটি অঙ্গরাজ কর্ণের রাজধানী ছিল। বর্তমানে এটি ভাগলপুরের নিকট অবস্থিত।

চরু
দেবতরা যা আহার করেন তাকে চরু বলা হয়। হোমের উদ্দেশ্যে যে অন্ন পাক করা হয় তা-ই চরু। এটি যজ্ঞীয় পায়সান্ন নামেও পরিচিত। এটি পবিত্র এবং স্বাস্থ্যকর।

চলচ্ছক্তি
ইদানীং অনেক জায়গায় ‘চলচ্ছক্তি’ শব্দের ব্যবহার দেখা যায়। চলার শক্তি বা চলনের শক্তি অর্থে ‘চলচ্ছক্তি’ শব্দ ব্যবহার করা হয়। ‘চলচ্চিত্র’ শব্দের অনুকরণে নাকি শব্দটি গ্রহণ করা হয়েছে। ব্যাকরণের সূত্রানুসারে বিবেচনা করলে এ অর্থে শব্দটি হওয়া উচিত ‘চলনশক্তি’। ‘চলচ্ছক্তি’ শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ করলে হয় ‘চলৎ + শক্তি’। ‘চলৎ’ অর্থ যা চলে, যা চলছে, চলতে চলতে এককথায় চলন্ত। ‘চলচ্ছক্তি’ শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ‘চলন্ত শক্তি, যে শক্তি চলছে’। কিন্তু যে অর্থে ‘চলচ্ছক্তি’ ব্যবহার করা হয় তা ‘চলন্ত শক্তি নয়’। ‘শক্তির চলা’ আর ‘চলার শক্তি’ এক হতে পারে না। ‘চলচ্চিত্র’ মানে ‘যে চিত্র চলছে’ এটি চলনের চিত্র নয়। তেমনি ‘চলচ্ছক্তি’ মানে যে শক্তি চলছে এটি চলার শক্তি নয়। অতএব ‘চলার শক্তি’ অর্থে ‘চলচ্ছক্তি’ হয় না; হয় ‘চলনশক্তি’।

চাঁদা
বিভিন্ন লোকের নিকট হতে সংগৃহীত অর্থ বা বিষয়বস্তু, নির্দিষ্ট সময় তথা মাসিক, ত্রৈমাসিক, ষাণ¥াসিক, বার্ষিক বিভিন্ন সময়ের জন্য সংবাদপত্রের মূল্য বাবদ পরিশোধ্য অর্থ, কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সাহার্যার্থে প্রদত্ত অনুদান প্রভৃতি। ফারসি ‘চান্দ’ শব্দ থকে বাংলা চাঁদা শব্দের উৎপত্তি। ফারসি ভাষায় ‘চান্দ’ শব্দের অর্থ হলো : কতিপয়, সামান্য, অল্প, ৩৯-এর মধ্যবর্তী যেকোনো সংখ্যা। তা হলে ফারসি সামান্য কীভাবে বাংলায় চাঁদা হয়ে গেল? এখন চাঁদার অর্থ অনেক পরিবর্তন হয়ে গেছে। চাঁদাবাজির জন্য খুন পত্রিকায় দেখা এমন সংবাদই তা বলে দেয়। তবে আগে চাঁদা ছিল সর্বত্র স্বতঃস্ফূর্ত, কেউ কোনো কাজ করার জন্য অর্থ বা কোনো বিষয়বস্তু সংগ্রহের জন্য গেলে যে যা পারেন তা প্রদান করতেন। এতে চাঁদা সংগ্রহকারীদের কোনো দাবি বা বলার থাকত না। অধিকাংশ ক্ষেত্রে অর্থের পরিমাণ হতো সামান্য, এক অঙ্কের মধ্যে। তাই ফারসি ‘চান্দ’ শব্দের সামান্য অর্থটা বাংলায় এসে ‘সামান্য’কে প্রতিহত করে বিভিন্ন লোকের নিকট থেকে সংগৃহীত অর্থে পরিণত হয়েছে। তবে ইদানীং চাঁদা সংগ্রহকারীরা চাঁদার পরিমাণই শুধু নির্ধারণ করে দেয় না, এর পরিমাণ হয় বিশাল এবং না-দেওয়ার পরিণতিও হয় ভয়াবহ। তাই ‘চাঁদা’ শব্দটির আবার অর্থনাশ আবশ্যক হয়ে দাঁড়িয়েছে।

চাকরি
‘চাকর’ ফারসি শব্দ। এর অর্থ গোলাম, ভৃত্য, খানসামা, নফর, ফাইফরমাশ খাটে এমন লোক। ‘চাকরি’ শব্দটি ফারসি। এর অর্থ চাকরের কাজ। যাঁরা চাকরের কাজ করেন তাঁরা চাকুরে। তবে শব্দটি বাংলায় জাতে-ওঠা একটি শব্দ। শব্দের অর্থের কত প্রবল উন্নতি হতে পারে ‘চাকরি’ শব্দটি তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ।

চাটুকার
‘চাটুকার’ শব্দটির অর্থ তোষামোদকারী, অতিরিক্ত প্রশংসাকারী, প্রশংসামূলক বাচালতা প্রভৃতি। ‘চাট’ু ও ‘কার’ শব্দের মিলনে চাটুকার। অর্থাৎ যে চাটু করে সে-ই চাটুকার। ‘চাটু’ সংস্কৃত শব্দ। এর মূল অর্থ চিত্তভেদকারী প্রিয় বাক্য, চিত্তউদ্বেলকারী মনোহর বাক্য। যে বাক্য কারও মন বা চিত্তকে আনন্দে, প্রশান্তিতে মুগ্ধ করত সেটিই ‘চাটু’। সুতরাং এরূপ আনন্দদায়ক বা চিত্তপ্রশান্তকারী বাক্য দিয়ে যিনি অন্যের মনে আবেগ ও মধুময় অনুভূতি সৃষ্টি করেন সংস্কৃত ভাষায় তিনিই চাটুকার। অতএব সংস্কৃতে ‘চাটুকার’ কিন্তু কোনো নেতিবাচক শব্দ ছিল না। কিন্তু বাংলার ‘চাটুকার’ একটি নেতিবাচক শব্দ। আসলে এমনটিই হওয়ার কথা। মানুষকে সবসময় সত্য কথা বলে কারও চিত্তভেদ করা প্রায়শ সম্ভব হয় না। একজন মানুষ যা করে তা হুবহু বলা হলে কারও চিত্ত উদ্বেল না-ও হতে পারে। যেমন কেউ একজন ভিক্ষুককে একশ’ টাকা দান করল। এটি যদি বলা হয় তা হলে তা তেমন চিত্তভেদকারী হবে না। যদি বলা হয় তিনি দরিদ্রের প্রতি উদারহস্ত, ভিক্ষুককে শত শত টাকা দান করেন, তাঁর মতো দাতা দেশে আর নেই। এ বাক্যগুলো দাতাকে চরমভাবে উদ্বেল করবে। এগুলোই হচ্ছে চাটু এবং যিনি এমন করেন তিনি হচ্ছেন চাটুকার। এখন চাটুকার সর্বত্র চোখে পড়ে। চাটুকারিতা পছন্দকারী লোকের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় চাটুকারের সংখ্যাও বৃদ্ধি পেয়েছে। সবাই চাটুকার ও চাটুকারিতাকে নেতিবাচক মনে করে, কিন্তু কেউ নিজের অতিরিক্ত প্রশংসা শুনলে উদ্বেল না-হয়ে পারে না। এখানেই চাটুকারদের জয়।

চাপরাশি
‘চাপরাশি’ শব্দের অর্থ আরদালি, পেয়াদা, পিয়ন, বেয়ারা প্রভৃতি। ‘চাপরাশি’ ফারসি হতে আগত। ফারসি ‘চপরাস্ত’ শব্দ থেকে বাংলা চাপরাশি শব্দের উৎপত্তি। চপরাস্ত শব্দের অর্থ পদজ্ঞাপক চিহ্ন। তৎকালে ভৃত্যগণ মালিকের পরিচয়জ্ঞাপক ধাতুফলক বা ব্যাজ পরিধান করতেন। ভৃত্যের পরিধান-করা ধাতুফলক থেকে তার মালিকের পদমর্যাদা ও পরিচয় পাওয়া যেত। ভৃত্যগণ যখন মালিকের সঙ্গে কোথাও যেতেন তখন এ ব্যাজ পরিধান করতেন। এ অনুষঙ্গে ফারসি ‘চপরাস্ত’ নামের শব্দটি বাংলা পিয়ন, বেয়ারা প্রভৃতি অর্থে ব্যবহার হতে থাকে। আধুনিক কালের পেয়াদা, পিয়ন বা বেয়ারাগণ কোনো ব্যাজ বা ধাতুফলক ব্যবহার না-করলেও বড় গলায় মালিকের পরিচয় দিতে উদগ্রীব হয়ে থাকেন। কারণ মালিকের ক্ষমতা, প্রভাব-প্রতিপত্তি ও মর্যাদার ওপর তার নিজের মর্যাদা নির্ভরশীল।

চামচা
‘চামচা’ শব্দের আভিধানিক অর্থ অনুচর, তোষামোদকারী পার্শ্বচর, তাঁবেদার, চাটুকার প্রভৃতি। এটি একটি মজার শব্দ। ফারসি চম্্চহ্্ শব্দ থেকে বাংলা ‘চামচা’ শব্দের উৎপত্তি। ফারসি ভাষায় ছোট হাতাওয়ালা চামচ-কে চম্্চহ্্ বলে। রান্নাঘরে, খাওয়ার টেবিলে এমনকি ক্রোকারিজ বিক্রির দোকানেও ছোট চামচের সঙ্গে বড় চামচও রাখা হয়। তবে লক্ষ করলে দেখা যাবে, শেল্ফে রাখা চামচের মধ্যে বড় চামচের সংখ্যার চেয়ে ছোট চামচের সংখ্যা বেশি। বড় চামচ নেতা আর ছোট চামচ অনুসারী। একজন বড় নেতা বা ক্ষমতাশীল ব্যক্তির আশেপাশে অনেক ছোট ছোট নেতা ঘুরঘুর করে। ঠিক যেন বড় চামচের চারদিকে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা অনেক ছোট চামচ। ছোট ছোট নেতাদের কাজ হলো বড় নেতার চারদিকে ঘিরে থেকে তার তোষামোদ করা ও আদেশ-নির্দেশ পালন করা। ছোট চামচগুলোও হচ্ছে ‘চামচা’।

চার্মিং গার্ল
‘চার্মিং গার্ল’-এর আদি এবং মূল অর্থ ছিল ডাইনি, এটা কি বিশ্বাস হয়? ঈযধৎরংসধ শব্দের উৎস গ্রিক। গ্রিক ঈযধৎরং মানে মরভঃ বা মৎধপবষ মরভঃ, অর্থ দাঁড়িয়েছে ‘ঈশ্বর যে ক্ষমতা কাউকে দিয়েছেন’ আর মৎধপব হলো ঈশ্বরের করুণায় পাওয়া শক্তি। শব্দটির মূল অর্থে অলৌকিকতার উপস্থিতি তো আছেই, সে সঙ্গে যুক্ত আছে পযধৎস-এর অর্থ। অবশ্য পূর্বে পযধৎস বলতে সম্মোহন বা সম্মোহনশক্তি বোঝাত। চতুর্দশ শতকে ইংল্যান্ডে পযধৎসরহম মরৎষ মানে ছিল ফধহমবৎড়ঁং মরৎষ যধারহম সধমরপধষ ঢ়ড়বিৎ ঃড় ংবফঁপব, সোজা কথায় পযধৎসরহম মরৎষ অর্থ ছিল ডাইনি আরও পরিষ্কারভাবে বললে বলতে হয়, জার্মান উপকথায় বর্ণিত খড়ৎবষবর-এর মতো ডাইনি যে রাইন নদীর দক্ষিণ তীরে পাহাড়ে দাঁড়িয়ে তার রূপ ও সম্মোহক শক্তিতে নাবিকদের আকৃষ্ট করে তাদের প্রাণ নাশ করত। এখন যেমন সব মেয়েই পযধৎসরহম মরৎষ হতে চায় কিন্তু তখন কোনো মেয়েই তা চাইত না। কারণ কোনো মেয়েই ডাইনি হতে চাইত না। সপ্তদশ শতক থেকে পযধৎসরহম শব্দটার অর্থ পরিবর্তন হতে শুরু করে। তার সঙ্গে চালু হয়ে যায় পযধৎরংসধঃরপ শব্দটিও। এখন রাজনীতিক নেতার প্রভাব বিস্তারের অসাধারণ ক্ষমতাকে বোঝাতে পযধৎরংসধঃরপ এবং অসাধারণ মোহনীয় রমণী বোঝাতে পযধৎসরহম মরৎষ শব্দটি ব্যবহার করা হচ্ছে। পযধৎরংসধঃরপ শব্দটি সরাসরি ইংরেজি থেকে বাংলায় আসতে পারে, আবার হিন্দি থেকেও আসতে পারে। তবে বাংলার চেয়ে হিন্দিতে শব্দটির প্রয়োগ বেশি। হিন্দিতে শব্দটি হচ্ছে করিশ্ম। হিন্দি বা উর্দুতে এসেছে ফারসি হতে। ফারসিতে এর উচ্চারণ অনেকটা ক্রিশ্ম বা কিরিশ্ম। ইদানীং ভারত ও বাংলাদেশে অনেকে মেয়ের নাম রাখা হচ্ছে ক্যারিস্মা বা কারিস্মা। যাই হোক না, ক্যারিস্মা বা কারিস্মার কোনো বিকল্প নেই। এর দ্বারা যে কাউকে ঘায়েল করা হয়।

চালচিত্র
‘চালচিত্র’ শব্দের আভিধানিক অর্থ পশ্চাৎপট, হালচাল, রীতিনীতি, পরিস্থিতি প্রভৃতি। তবে প্রতিমার পেছনের পট বা চিত্র, যাতে আকাশ ও স্বর্গরাজ্যের দৃশ্যাবলি নানা আকর্ষণীয় ভঙ্গিমায় তুলির আঁচড়ে ফুটিয়ে তোলা হয় সেটাকে বলে চালচিত্র। এ চালচিত্রে দেব-দেবীর বীরত্বসূচক ঘটনা, যুদ্ধজয়ের চিত্র এবং অসুর বিনাশের রোমহর্ষক ছবি নানারঙে আঁকা থাকে। মূলত এটাই চালচিত্র শব্দের ব্যাকরণগত অর্থ। পশ্চাৎ দিকের চিত্রে মানুষ কল্পিত আকাশ-বাতাস ও স্বর্গালোকের একটা ধারণা পেয়ে যেত। তেমনি বাংলায় ব্যবহৃত চালচিত্র শব্দ হতেও রাষ্ট্র, সমাজ, পরিবার ও আর্থ-সামাজিক কর্মকাণ্ডের বিষয়ে একটি ধারণা পাওয়া যায়। এখানে চিত্র না-থাকলেও পরিবেশগত পরিস্থিতি পশ্চাৎচিত্রের ন্যায় একটি ধারণাকে পরিস্ফুট করে তোলে।

শুবাচ গ্রুপের সংযোগ: www.draminbd.com
শুবাচ যযাতি/পোস্ট সংযোগ: http://subachbd.com/

error: Content is protected !!