বাংলা সাহিত্যের প্রথম ও প্রধান /১১

বাংলা সাহিত্যের “The Melody of the Age”
হেমচন্দ্রকে বাংলা সাহিত্যের ‘The Melody of the Age’ বলা হয়। ১৮৬১ খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশিত ‘চিন্তাতরঙ্গিনী’ তাঁর একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।

গদ্য আছে এমন একটি পুরাণ
রামাই পণ্ডিত রচিত ‘শুণ্য পুরাণ’ গ্রন্থে কিছু গদ্য আছে। তবে গদ্য হলেও গদ্যগুলো অনেকটা ছড়ার মতো। তবু এগুলোকে বাংলা পুরাণের গদ্য বলা হয়। ‘শূন্য পুরাণ’ গ্রন্থটি ৫১টি অধ্যায়ে বিভক্ত।

আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম কাব্যগ্রন্থ
রঙ্গলালের (জন্ম: ১৮২৭ – মৃত্যু: ১৩ মে১৮৮৭)  ‘পদ্মিনী উপাখ্যান’ আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম কাব্যগ্রন্থ। উল্লেখ্য, রঙ্গলাল ওমর খৈয়ামের কবিতা রুবাইয়াতের বঙ্গানুবাদও করেছিলেন।

আলাওলের শেষ কাব্যগ্রন্থ
‘সেকান্দরনামা’ কবি আলাওলের শেষ কাব্যগ্রন্থ। এটি আলাওলের ষষ্ঠ গ্রন্থ। গ্রন্থটি নিজামী গঞ্জভির ফারসি গ্রন্থ ‘সেকান্দরনামা’রঅনুবাদ। আরাকানরাজ চন্দ্রসুধর্মার আমাত্য নবরাজ মজলিসের অভিপ্রায় ও আদেশে ১৬৭৩ (মতান্তরে ১৬৭২ খ্রিষ্টাব্দ ) খ্রিষ্টাব্দে আলাওল গ্রন্থটি রচনা করেন। আলাওল বাংলা ও ব্রজবুলিতে বৈষ্ণব পদাবলিও রচনা করেছিলেন।

বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দে লিখিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ
মাইকেল মধুসূদনের (২৫ জানুয়ারি ১৮২৪ – ২৯ জুন ১৮৭৩)  ‘তিলোত্তমা সম্ভব’ বাংলা সাহিত্যের অমিত্রাক্ষর ছন্দে লিখিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ।১৮৬০ খ্রিষ্টাব্দে তিনি অমিত্রাক্ষর ছন্দে ‘তিলোত্তমাসম্ভব’ কাব্য লিখেন।

আধুনিক জীবনের মহাকাব্য ও শ্রেষ্ঠ কাব্যোপন্যাস
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘চোখেরবালি’ উপন্যাসকে আধুনিক জীবনের মহাকাব্য বলা হয়। ‘শেষের কবিতা’ তাঁর শ্রেষ্ঠ কাব্যোপন্যাস।

রবীন্দ্র সংগীত প্রচার নিষিদ্ধকরণ
১৯৬৭ খ্রিষ্টাব্দের ২২ শে জুন পাকিস্তান সরকার রেডিও পাকিস্তান হতে রবীন্দ্র সঙ্গীত প্রচার নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।

বাংলা সাহিত্যে প্রথম তুলনামূলক কাব্য সমালোচক
রঙ্গলাল বন্দোপাধ্যায় (১৮১৭-১৮৮৭ খ্রিষ্টাব্দ ) রচিত ‘বাঙ্গালা কবিতা বিষয়ক প্রবন্ধ’ বাংলা সাহিত্যে প্রথম তুলনামূলক কাব্য সমালোচনা গ্রন্থ। গ্রন্থটিতে ইংরেজি ভাষার সঙ্গে বাংলা ভাষার তুলনামুলক আলোচনা করে বাংলা ভাষার শ্রেষ্ঠত্বকে প্রমাণ করা হয়েছে।

উনিশ শতকের শ্রেষ্ঠ মহিলা কবি
উনি শতকের শ্রেষ্ঠ মহিলা কবি কামিনী রায়। তাঁর প্রথম কাব্য ‘আলো ও ছায়া’।

বাংলা সাহিত্যের ছন্দের রাজা ও ছন্দের যাদুকর
সত্যেন্দ্রনাথ দত্তকে বাংলা সাহিত্যের ছন্দের রাজা এবং ছন্দের যাদুকর বলা হয়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁকে এ উপাধি প্রধান করেন।

error: Content is protected !!