বাংলা সাহিত্যের প্রথম ও প্রধান /১৫

জৈনুদ্দিন ও রসুল বিজয়
জৈনুদ্দিন ছিলেন মধ্যযুগের একজন প্রখ্যাত কবি। সপ্তদশ দশকের দ্বিতীয় দশক হতে শেষ দশক বা ততোধিক কাল পর্যন্ত তিনি জীবিত থেকে সাহিত্য সাধনা করে যান। রসুল বিজয় জৈনুদ্দিনের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। ইউসুফ খাঁ নামক জনৈক ভু-স্বামীর আদেশে তিনি পারসি ভাষা হতে ‘রসুল বিজয়’ কাব্যটি রচনা করেন।

সবচেয়ে কমবয়সী মুসলিম কবি
কবি কায়কোবাদ(১৮৫৮-১৯৫২ খ্রিষ্টাব্দ) সবচেয়ে কম বয়সে কাব্য প্রকাশ করেছেন। ১৮৭০ খ্রিষ্টাব্দে মাত্র ১২ বছর বয়সে তাঁর প্রথম কাব্য ‘বিরহ বিলাস’ এবং ১৫ বছর বয়সে ১৮৭৩ খ্রিষ্টাব্দে তাঁর দ্বিতীয় কাব্য ‘কুসুমকানন’ প্রকাশিত হয়। তাঁর বিখ্যাত কাব্য ‘মহাশশ্মান’ ১৯০৪ খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশিত হয়।

বঙ্গের মহিলা কবি
বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন (১৮৮০-১৯৩২ খ্রি.) বঙ্গের মহিলা কবি হিসেবে খ্যাত। ‘সুলতানার স্বপ্ন’ এবং ‘অবরোধবাসিনী’ গ্রন্থে তিনি অবহেলিত নারী সমাজের প্রতি গভীর সহানুভূতি প্রকাশ করেন।

বাংলা সাহিত্যের স্বভাবকবি
গোবিন্দচন্দ্র দাস বাংলা সাহিত্যের স্বভাবকবি হিসেবে খ্যাত। তিনি মানুষের কবি নামেও পরিচিত।

গজল গানের ঢঙে বাংলা গানে নতুন প্রযুক্তির সুর সংযোজক
গজল গানের ঢঙে বাংলা গানে নতুন প্রযুক্তির সুর সংযোজন করেন অতুল প্রসাদ সেন। যা নজরুলে পরিপূর্ণতা পায়।

স্বামীর মৃত্যুতে কবি
স্বামীর মৃত্যুর কারণে গিরীন্দ মোহনী দাসী কবিতা লেখা শুরু করেন এবং কবি হিসেবে খ্যাতি লাভ করতে সক্ষম হন। মাইকেল মধুসূদনের ভ্রাতুষ্পুত্রী মানকুমারী বসু এবং কামিনী রায়ের নামও এ প্রসঙ্গে উল্লেখ করা যায়।

error: Content is protected !!