বাসা থেকে ভাইভা বোর্ড কী করবেন এসময়

ড. মোহাম্মদ আমীন, বিসিএস (প্রশাসন), ১০ম ব্যাচ

আমার এক সহকর্মী মোজাম্মেল (ছদ্মনাম) বিসিএস পরীক্ষার ভাইভা বোর্ডে বহিঃস্থ পরীক্ষক হিসেবে থাকেন। একদিন তার ইউনিভার্সিটি পড়–য়া ছেলে বলল, আব্বু, তুমি তো বিসিএস পরীক্ষার ভাইভা নিতে যাও, আমি যদি তোমাকে দশটা প্রশ্ন করি পারবে?
করে দেখো।
ছেলেটি দশটি প্রশ্ন করেছিল, কিন্তু মোজাম্মেল সাহেব একটি প্রশ্নের উত্তরও দিতে পারেননি।
যারা ভাইভা নিতে আসেন, তাদের যোগ্যতা সম্পর্কে আপনি সন্দেহ পোষণ করলেও তা প্রকাশ করবেন না। কারণ, আপনি মোজাম্মেল সাহেবের ছেলে নন। পিএসসি দেশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং একাডেমিসিয়ানদেরই ভাইভা বোর্ডের সদস্য হিসেবে আমন্ত্রণ জানিয়ে থাকে। একাডেমিসিয়ানরা দক্ষ হলেও অধিকাংশ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা পদে যত ভারী, জ্ঞানে তত হালকা। তবে যেভাবেই হোক, নিঃসন্দেহে ভারী। এ নিয়ে নানা কথা আছে, তা হয়তো আপনিও জানেন, কিন্তু আপনি তা জেনেও জানবেন না। মনে করবেন, আপনি এমন লোকদের কাছে ভাইভা দিতে এসেছেন, যারা পৃথিবীর সবচেয়ে জ্ঞানী, সবচেয়ে ক্ষমতাশালী, সবচেয়ে শ্রদ্ধেয় এবং সবচেয়ে পূজনীয়। মনে করবেন, জ্ঞানে তারা প্রত্যেকে এক একজন অ্যারিস্টেটল। আপনার সমস্ত বিনয় তাদের পায়ে ঢেলে দিতে কুণ্ঠিত হবেন না। স্বাভাবিক অবস্থা অক্ষুণœ রেখে, সাহস, আত্মবিশ্বাস ও বিনয়ের সমন্বিত প্রকাশ ঘটিয়ে ব্যক্তিত্বের পরিস্ফুটন ঘটাবেন। (শুদ্ধ বানান চর্চা প্রমিত বাংলা বানান বিধি বইটি নেওয়ার জন্য যোগাযোগ করতে পারেন : অনুভব, মোবাইল নম্বর : ০১৯৮০-১০৫৫৭৭।)

ভাইভা রুমে ঢোকার সময় অনেকের বুক দুর দুর করতে শুরু করে। নিজে নিজে অকারণে অস্থির হয়ে পড়েন। ভয় এসে চেপে ধরে নিশি পাওয়া ব্যক্তির মতো। এমন হলে আপনার পরাজয় নিকটে এসে যাবে। মনে রাখবেন, যাদের কাছে ভাইভা দিতে যাচ্ছেন, তারাও আপনার-আমার মতো মানুষ, কোনো দানব নন। অনেকে ভাইভার ডাক আসার আগে এত ভয় পেয়ে যান যে, সময় ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে তাদের হৃদকম্পও বাড়তে থাকে এবং ভাইভা রুমে ঢোকার আগেই ঘাবড়ে যান। ফলে খুব ভালো প্রস্তুতি থাকা সত্ত্বেও বোর্ডের সামনে গিয়ে সব এলোমেলো করে দেন। ঘাবড়ে গেলে আপনি নিশ্চিত হেরে যাবেন, অতএব ঘাবড়ে যাবেন না। যিনি যত সহজ থাকবেন তার ভাইভা তত ভালো হবে, এমনকি তুলনামূলকভাবে কম জানাসত্ত্বেও।

বিসিএস এর ভাইভা বোর্ডে সদস্যরা শুধু আপনার জ্ঞান, একাডেমিক প্রজ্ঞা এবং বৌদ্ধিক গভীরতাই যাচাই করেন না, একই সঙ্গে আপনার বুদ্ধিমত্তা, হার্দিক স্পর্শকাতরতা, আত্মবিশ্বাস, অভিযোজন ক্ষমতা, পরিস্থিতি মোকাবেলা করার সামর্থ্য, ভাষজ্ঞান, উপস্থাপন কৌশল প্রভৃতিও বিবেচনা করেন। তাই আপনাকে ভাইভা রুমে ঢোকার পর হতে বের না-হওয়া পর্যন্ত এমন আচরণ করতে হবে, যাতে বোর্ড আপনাকে দেখে মুগ্ধ হওয়ার প্রেরণা পায়। এজন্য আপনাকে নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে হবে :

যাত্রা শুরু : যেসব প্রার্থী ঢাকার বাইরে থাকেন এবং দূর-দূরান্ত থেকে ভাইভা দেওয়ার জন্য ঢাকায় আসতে হয়, তাদের স্বাভাবিক যাত্রাপথে ব্যয়িত সময় বাদ দিয়ে কমপক্ষে একটা দিনে হাতে রেখে বাড়ি হতে ঢাকার উদ্দেশে রওয়ানা দেওয়া উচিত। রাস্তাঘাটের ঠিক নেই। আসার সময় অবশ্যই ভালোমানের কয়েকটা দৈনিক পত্রিকা নিয়ে গাড়িতে উঠবেন এবং পড়বেন। যারা ঢাকা থাকেন, তারা মাঝে মাঝে পিএসসিতে গিয়ে ভাইভাযজ্ঞ দেখে আসতে পারেন। তাতে সাহস বাড়বে। যদি সাহস কমে যায়, তাহলে যাবেন না।

ভাইভার পূর্ব রাত : ভাইভার আগের দিন একটু আগেভাগে ঘুমানোর চেষ্টা করবেন, তবে ঘুম না এলে বিছানায় গড়াগড়ি খাবেন না বা জোর করে ঘুমানোর চেষ্টা করবেন না। এর চেয়ে টেলিভিশন খুলে বিবিসি, আলজাজিরা, বিটিভি প্রভৃতি ইলেকট্রনিক মিডিয়ার খবর দেখুন। আমারও ঘুম আসেনি, এসময় ঘুম না-আসাই স্বাভাবিক। আমি, জিকেন খাতায় চোখ বুলিয়েছিলাম। আমাদের সময় ইলেকট্রনিক মিডিয়া এত সহজলভ্য ছিল না। (বঙ্গভবন: ইতিহাস ও ঐতিহ্য বইটির প্রকাশক দিকদর্শন)

ভাইভার উদ্দেশে যাত্রা : ভাইভার দিন ঢাকার যেখানে থাকুন না কেন, চেষ্টা করবেন বাসের প্রচ- ভীড়ে না এসে সিএনজি বা উবারে চড়ে যেতে। মনটা সতেজ থাকবে; মনে হবে আপনি বিসিএস অফিসার। গাড়িতে বসে পড়তে পারবেন একাগ্র মনে। এসব গাড়িতে বসলে চিন্তাশক্তিও খোলাসা হয়ে যায়। গাড়িতে উঠার সময় কয়েকটা বাংলা এবং কয়েকটা ইংরেজি পত্রিকা কিনে নেবেন, গাড়িতে বসে শিরোনামগুলো দেখুন। এমন সময় নিয়ে বের হবেন, যানজটের বিড়ম্বনা বাদ দিয়েও যাতে ভাইভা শুরু হওয়ার কমপক্ষে এক ঘণ্টা আগে পৌছতে পারেন।

পোশাক : ভাইভার দিন, আপনি ছেলে হলে সাদা বা যে-কোনো হালকা রঙের শার্ট এবং কালো বা সাদা প্যান্ট এবং নরমাল জুতো পরবেন। যদি আপনি কোট-টাই পরতে চান পরতে পারেন; তবে গ্রীষ্মকালে এসব না পরাই ভালো। অভিজ্ঞতায় দেখেছি, গ্রীষ্মকালে কোর্টটাই পরে যাওয়া অনেক প্রার্থীকে প্রশ্ন করা হয়েছে- এমন গরম ঢাকা, কোর্ট টাই পরার কারণ কী? আপনি কি সবসময় কোট-টাই পরেন? কয়টা কোর্ট-টাই আপনার আছে ইত্যদি। আপনি যদি ধর্মীয় পোশাকে অভ্যস্ত হন, তা পরে যেতে পারেন। দাড়ি টুপিও কোনো সমস্যা নয়। তবে যাই পরুন, পরিপাটি হয়ে যাবেন। যে পোশাকই পরুন, তা যেন মার্জিত হয়; এবং পকেটে অবশ্যই একটা কলম আর একটা ছোটো নোট বুক রাখবেন। মেয়েরাও মার্জিত পোশাকে যাবেন, উগ্র পোশাক কখনও পরবেন না।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র : ঘর থেকে বের হওয়ার সময় ভাইভা সম্পর্কিত সকল প্রয়োজনীয় কাগজপত্র একটি স্বচ্ছ ব্যাগে ভরে নিয়ে যাবেন। এর সঙ্গে প্রয়োজন হতে পারে এমন সব সনদের সত্যায়িত ফটোকপি নিয়ে যাবেন। ভাইভা বোর্ডে ঢোকার আগে আপনার মোবাইল অবশ্যই বন্ধ করে রাখবেন, নতুবা এয়ার মুডে রাখবেন। মোবাইল বন্ধ করতে ভুলে গেলে এবং ভাইভার সময় যদি হঠাৎ রিং এসে যায়, তখন ‘সরি’ বলে মোবাইলটা সবার সামনে অফ করে দেবেন। এজন্য মন খারাপ করে ভাইভাটার বারোটা বাজিয়ে দেবেন না। ভুল সবার হয়।

ভাইভাস্থল : ভাইভাস্থলে পৌঁছে নীরব জায়গায় বসে পত্রিকা উল্টাতে থাকুন, মুখস্থ করে নিন- ওই দিনের বাংলা ও হিজরি তারিখ এবং বিখ্যাত ব্যক্তিদের জন্ম-মৃত্যু। অনেকে আগেভাগে ভাইভাস্থলে গিয়ে ওঁত পেতে থাকেন, কেউ ভাইভা দিয়ে বের হয়ে এলে তাকে ঘিরে ধরে জানতে চান-কী প্রশ্ন করেছেন, কেমন উত্তর দিলেন ইত্যদি। এসব করবেন না। কারণ, যারা ভাইভা দিয়ে বের হয়ে আসেন, তাদের মন ওই সময় অস্থির থাকে। তারা এসব প্রশ্নের উত্তরে যা বলেন, তা ঠিক না হওয়ার আশঙ্কাই বেশি থাকে, তারা সবাইকে এড়িয়ে কোনো রকমে বের হয়ে যেতে চান। একেক জন একেক কথা বলেন। এসব শুনলে আপনি স্থির থাকলেও অস্থির হয়ে পড়তে পারেন।

ভাইভা রুমে প্রবেশ : ভাইভা বোর্ডে আপনার ডাক এলে মাথায় চিরুনি দিয়ে একটা টান দিয়ে নেবেন। তারপর দরজা খুলে স্বাভাবিক অবস্থার মতো সটান দাঁড়িয়ে মাথাটা শ্রদ্ধাভরে একটু নিচে নামিয়ে বোর্ড চেয়ারম্যানের দিকে তাকিয়ে বলবেন,
আমি কি আসতে পারি, স্যার?
তিনি ঢোকার অনুমতি দিলে রুমে ঢুকবেন এবং খুব ধীরে এমনভাবে দরজা বন্ধ করবেন, যাতে আওয়াজ না হয়। তারপর ধীরপদে সোজা সামনে এগিয়ে সালাম দেবেন। সালামের জবাব নেওয়ার পর তিনি আপনাকে বসার জন্য চেয়ার দেখিয়ে দিতে পারেন। বসার বিষয়ে কিছু না বললে, ৮/১০ সেকেন্ড পর আপনি বলবেন, আমি কি বসতে পারি, স্যার?

ভাইভা রুমে আপনার চেয়ার : আপনার জন্য নির্ধারিত চয়ারটা যদি টেবিলের খুব কাছাকাছি থাকে, তাহলে দুই হাত দিয়ে আলতোভাবে সরিয়ে একটু পিছিয়ে নিয়ে বসবেন। তবে টানবেন না, তাহলে শব্দ হতে পারে। বসার আগে চেয়ারটাকে আবার আগের স্থানে একইভাবে নিয়ে আসবেন। চেয়ারের হাতলে বা টেবিলে হাত রেখে বসবেন না, সটান বসবেন, তবে ওই সটান যেন স্বভাবিকতা বিরুদ্ধ না হয়। তাহলে আপনাকে অস্বাভাবিক দেখাবে। অস্বাভাবিকতা আপনার সব স্বাভাবিকতা নষ্ট করে দিতে পারে। সদস্যগণ আপনার অভিনয় বুঝে যেতে পারেন এবং আপনার নিজেরও অস্বস্তি লাগতে পারে।

হাসিমুখ কতটা যৌক্তিক : অনেকে ভাইভা বোর্ডে হাসিমুখে থাকার উপদেশ দিয়ে থাকেন। আমার অভিজ্ঞতা অন্যরকম। সব মানুষ এক নয়; এমন অনেকে আছেন যারা হাসিমুখে থাকতে পারেন না এবং জোর করে হাসিমুখে থাকতে চাইলে বিদঘুটে দেখায়, মনে হয় সঙ। আপনি, আপনাকে নিয়ে ভাইভা বোর্ডে ঢুকবেন। আপনার মনের ভিতর অন্য কাউকে নিয়ে ঢুকবেন না। অযথা নিজেকে হাসিমুখে রেখে হাসির পাত্র হতে যাবেন না। আপনার স্বাভাবিক অবয়বটাই ভাইভা বোর্ডকে সন্তুষ্ট করার জন্য যথেষ্ট। অযথা যদি হাসিমুখে থাকার চেষ্টা করেন, তাহলে আপনাকে ভাবতে পারে কৌতুকাভিনেতা। তবে ভাইভাতে, হাসির কিছু ঘটলে, মজার কথা কিছু হলে, আপনি অবশ্যই হাসবেন। তাহলে, আপনার সঙ্গে আপনার বিপরীতে বসা ভাইভা গ্রহণকারীদের মানসিক দূরত্ব কমে যাবে। আপনার সাহস বৃদ্ধি পাবে, আত্মবিশ্বাস চাঙ্গা হয়ে উঠবে। তবে অট্টহাসি কখনও দেবেন না। মৃদ হাসি দেবেন।

অঙ্গভঙ্গি : প্রশ্নকারীর চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলবেন। যে ভাষায় প্রশ্ন করা হয়, সে ভাষায় উত্তর দেবেন, প্রশ্ন না বুঝলে হতভম্ব হয়ে যাবেন না, আবার বলার জন্য অনুরোধ করবেন। যতক্ষণ ভাইভা বোর্ডে থাকবেন ততক্ষণ ধীরস্থির থাকবেন। কোনো অবস্থাতে ছটফট করবেন না। অনেকে ভাইভা বোর্ডে নখ ছিড়তে, নাকে হাত দিতে, একটু পরপর কাশির মত শব্দ করতে, নাক টানতে, বার বার মাথার চুলে হাত বুলতে দেখা যায়। এগুলো একদম করবেন না। যত মুদ্রাদোষই থাকুক, অন্তত ভাইভা বোর্ডে যতক্ষণ থাকেন ততক্ষণ তা পরিহার করুন। চেহারায় উদ্ধত ভঙ্গি কিংবা ভয়াতুরতা, জিহ্বা বের করা, ঘনঘন চোখে উঠানামা করা ব্যক্তিত্বের প্রতিকূল চিহ্ন মনে করা হয়। অন্তত আমি তা মনে করি। আমার সহকর্মীরাও তেমন ভাবে। এই সামন্যতে এমন ভয়াতুর হয়ে পড়লে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করবেন কীভাবে?

একাগ্র শ্রোতা : ভাইভা বোর্ডে যতক্ষণ থাকবেন, ততক্ষণ নিজেকে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ একাগ্র শ্রোতা হিসেবে ভাইভা গ্রহণকারীদের কাছে সঁপে দিন। প্রতিটি কথা কান দিয়ে শুনে মনের গভীর ধারণ করুন। কয়েক মিনিট সময় মাত্র, কষ্ট হবে না তেমন। একটি প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার মাঝখানে অন্য সদস্য প্রশ্ন করে বসলে, আপনি যে সদস্যের প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছিলেন তাঁর অনুমতি নিয়ে দ্বিতীয় সদস্যের প্রশ্নের উত্তর দিতে পারেন। অথবা প্রথম প্রশ্নের উত্তর দেওয়া শেষের দিকে হলে, তা শেষ করে দ্বিতীয় প্রশ্নকর্তার দিকে ‘সরি’ বলে নজর দিতে পারেন।

প্রশ্নোত্তর : যা জিজ্ঞেস করা হবে কেবল তার উত্তর দেবেন। উত্তর দেওয়া শেষ হলে চুপ করে থাকবেন। অতিরিক্ত কোনো কিছু বলবেন না, নিজেকে বেশি জাহির করতে গেলে বিপদে পড়ে যেতে পারেন। যা বলার স্পষ্টভাবে বলবেন। বলার সময় হাত নাড়াবেন www.draminbd.com/about/না, পা নাচাবেন না এবং তাড়াহুড়ো করবেন না। কোনো প্রশ্নের উত্তরে আপনার সংশয় থাকলে সেটি যতটুকু জানেন, ততটুকুই আত্মবিশ্বাস নিয়ে বলবেন। তবে একেবারেই কোনো ধারণা না থাকলে উত্তর না দেওয়ায় শ্রেয়। যেমন প্রশ্ন করা হোক না কেন, কোনো অবস্থাতে উত্তেজিত হবেন না। অনেকে দুয়েকটা প্রশ্নের উত্তর দিতে না পারলে ঘাবড়ে যান। ঘাবরে যাবেন না। দুই একটা প্রশ্নের উত্তর দিতে না পারলেও কিছু যায় আসে না। পরেরটা অবশ্যই পারবেন। বের হয়ে আসার সময় সময় সালাম এবং মুচকি হাসি দেয়ে বের হবেন। আপনার চোখে যেন শ্রদ্ধা আর কৃতজ্ঞতার ভাব থাকে।বিস্তারিত :বিসিএস প্রিলিমিনারি থেকে ভাইভা কৃতকার্য কৌশল


এখানে বিসিএস-সহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পাসের সহায়ক কয়েকটি বইয়ের ছবি দেওয়া হলো। বইগুলো সংগ্রহ করতে পারেন:
আলমগীর ০১৯১৫১-৬৫৩৩৩ (পুথিনিলয়)।
মাসুদুল হক : ০১৮১৭০৯১৩৮৬ (উত্তরণ)।
ওসমান গনি : ০১৮১৯-২১৯০২৪ (আগামী প্রকাশনী)।
তুষার প্রসূন : ০১৯৮০-১০৫৫৭৭ (অনুভব প্রকাশনী)।
মাকসুদ : ০১৭২৬-৯৫৬১০৪ (হাওলাদার প্রকাশনী)।
অথবা রকমারি ডট কম বা অন্যান্য অনলাইন গ্রুপ কিংবা নিকটস্থ লাইব্রেরিতে বলতে পারেন।
Language
error: Content is protected !!