বিশেষণ নির্ণয়ের কৌশল

এবি ছিদ্দিক

যেসকল শব্দ কাউকে বা কোনো কিছুকে বিশিষ্ট করে তোলে, সেগুলোই হচ্ছে ‘বিশেষণ’। চিরায়ত সংজ্ঞার্থে যে পদ বিশেষ্য, সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের দোষ, গুণ, অবস্থা, সংখ্যা, পরিমাণ, রকম প্রভৃতি প্রকাশ করে, তাকে বিশেষণ বলা হয়। পদের আলোচনায় বিশেষণ

এবি ছিদ্দিক

পদকে তিনটি মানদণ্ডের ভিত্তিতে শ্রেণিবিভাগ করে বিভিন্ন উপশ্রেণিতে ভাগ করে বিস্তৃতরূপে আলোচনা করা যায়। কিন্তু আমি সেদিকে যাচ্ছি না। কারণ, আমার এই লেখাটি বিশেষণ পদের শ্রেণিবিভাগ কিংবা প্রয়োগালোচনার লক্ষ্যে নয়, বাক্যের মধ্য থেকে বিশেষণ পদ নির্ণয় করার কৌশল নিরূপণের উদ্দেশ্যে এগিয়ে নেওয়া হয়েছে।

বৈয়াকরণগণ বিশেষণের যে সংজ্ঞার্থগুলো উল্লেখ করেন, সেগুলোর ভিত্তিতে ব্যাকরণে দক্ষ ব্যক্তিবর্গ অনায়াসে বিশেষণ নির্ণয় করতে পারলেও আমার মতো সাধারণের পক্ষে নির্ণয় করা অনেকটা দুরূহ ব্যাপার বইকি। আর তাই, বিশেষণ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে চিরায়ত সংজ্ঞার্থের সাহায্য না-নিয়ে কিছুটা ভিন্ন কৌশল অবলম্বন করাটাই আমার মতো সাধারণের জন্যে উত্তম পন্থা। খুশির ব্যাপার হচ্ছে, কেবল হাতেগোনা কয়েকটি কৌশল রপ্ত করতে পারলে সিংহভাগ বিশেষণ নির্ভুলভাবে নির্ণয় করা যায়। তবে কিছু বিশেষণ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে কোনো কৌশল কাজে আসে না, যেমনটি ব্যাকরণের প্রায় প্রতিটি বিষয়েরই কিছু না কিছু অংশ সূত্রে ফেলা যায় না। তারপরও, নিম্নে উল্লেখ-করা কৌশল দুটি ঠিকমতো আয়ত্ত করতে পারলে বাক্যে ব্যবহৃত অধিকাংশ বিশেষণই নির্দ্বিধায় নির্ণয় করা যাবে বলে আমার বিশ্বাস।

মূল নিয়মে যাওয়ার পূর্বে একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উল্লেখ করে দেওয়া উচিত এবং সেটি হচ্ছে— একটি শব্দ যতক্ষণ পর্যন্ত বাক্যে ব্যবহৃত হয় না, ততক্ষণ পর্যন্ত ওই শব্দের পদশ্রেণি নির্ণয় করা যায় না। আর, বাংলা ভাষায় বাক্যে ব্যবহৃত বিশেষণে কোনো বিভক্তি যুক্ত হয় না (যাকে শূন্য বিভক্তি বলা হয়)। অর্থাৎ, বাক্যে ব্যবহৃত কোনো শব্দের সঙ্গে শূন্য বিভক্তি ছাড়া অন্য কোনো বিভক্তি যুক্ত হলে ওই শব্দটি কখনো বিশেষণ হবে না।

নির্ণয়ের কৌশল:
১. ‘কীরকম’ বা ‘কেমন’-যোগে প্রশ্ন করা: কোনো শব্দ ‘বিশেষণ’ পদ কি না, তা নির্ণয় করতে হলে আগে শব্দটিকে একটি বাক্যের মধ্যে প্রয়োগ করতে হবে (প্রায়োগিক বাক্য উল্লেখ থাকলে দরকার নেই)। দুই-তিন শব্দের বাক্য হলেও সমস্যা নেই। তারপর, যে শব্দটির পদ নির্ণয় করতে হবে, সেটি ঊহ্য রেখে তার স্থলে ‘কীরকম’ বা ‘কেমন’ বসিয়ে প্রশ্ন করতে হবে। যদি ঊহ্য রাখা শব্দটির স্থলে ‘কীরকম’ বা ‘কেমন’ ব্যবহার করলে একটি স্পষ্ট অর্থসম্মত প্রশ্নবোধক বাক্য পাওয়া যায় এবং নতুন প্রশ্নবোধক বাক্যটির উত্তরে ঊহ্য রাখা শব্দটিই পাওয়া যায়, তাহলে কাঙ্ক্ষিত শব্দটির বিশেষণ হওয়াটা নিশ্চিত। যদি ঊহ্য রাখা শব্দটির স্থলে ‘কীরকম’ বা ‘কেমন’ বসিয়ে কোনো স্পষ্ট অর্থসম্মত বাক্য পাওয়া না-যায় কিংবা উত্তরে ঊহ্য রাখা শব্দটি পাওয়া না-যায়, তাহলে ঊহ্য রাখা শব্দটি বিশেষণ পদ হবে না। কয়েকটি ব্যাখ্যা-সহ উদাহরণ দিলে এই নিয়মটি স্পষ্টতর হয়ে যাবে:

ক. ‘ছাফিয়ার কলমটি লাল।’ এই বাক্যটিতে ‘লাল’ শব্দটি বিশেষণ কি না, তা নির্ণয় করার জন্যে ‘লাল’-এর স্থলে ‘কীরকম’ বসিয়ে প্রশ্ন করলে দাঁড়ায়— ‘ছাফিয়ার কলমটি কীরকম?’ নতুন প্রশ্নসূচক বাক্যটি একটি স্পষ্ট-সার্থক বাক্য এবং প্রশ্নবোধক বাক্যটির উত্তরে ‘লাল’ শব্দটি পাওয়া যাচ্ছে। তাই, মূল বাক্যটিতে ‘লাল’ শব্দটি হচ্ছে বিশেষণ পদ।
খ. ‘লাল একটি মৌলিক রং।’ এই বাক্যটিতে ‘লাল’-এর স্থলে ‘কীরকম’ বা ‘কেমন’ বসিয়ে লিখলে দাঁড়ায়— ‘কীরকম/কেমন একটি মৌলিক রং?’ নতুন বাক্যটির মাধ্যম্য কোনো স্পষ্ট ভাব প্রকাশ পাচ্ছে না। তাই, মূল বাক্যটিতে ‘লাল’ বিশেষণ পদ নয়।
গ. ‘সে সদা সত্যের কথা বলে।’ এই বাক্য ‘সত্যের’ শব্দটির সঙ্গে ‘-এর’ (সত্য+এর) বিভক্তি যুক্ত আছে, তাই এখানে ‘সত্যের’ বিশেষণ নয়।
ঘ. ‘সে সদা সত্য কথা বলে।’ এই বাক্যটিতে ‘সত্য’ বিশেষণ পদ কি না, তা নির্ণয়ের জন্যে ‘সত্য’-এর স্থলে ‘কীরকম’ বসিয়ে পাই— ‘সে সদা কীরকম কথা বলে?’ নতুন বাক্যটি একটি স্পষ্ট অর্থপূর্ণ সার্থক প্রশ্নবোধক বাক্য এবং বাক্যটির উত্তরে ঊহ্য রাখা ‘সত্য’ শব্দটি পাওয়া যাচ্ছে। তাই, মূল বাক্যটিতে ‘সত্য’ একটি বিশেষণ পদ।
একইরকম—
‘চলন্ত’ গাড়ি। > কীরকম গাড়ি?
: চলন্ত— বিশেষণ।
কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের ‘জাতীয়’ কবি। > কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের কীরকম কবি?
: জাতীয়— বিশেষণ।
রবীন্দ্রনাথ ‘বিশ্বের’ কবি।
: ‘বিশ্বের’ বিশেষণ নয়। কারণ, বিভক্তি আছে।
‘ভালো’ একটি বিশেষণ পদ। > কীরকম/কেমন একটি বিশেষণ পদ?
: ‘ভালো’ বিশেষণ পদ নয়। কারণ, প্রশ্নবোধক বাক্যটি একটি অস্পষ্ট-অর্থহীন বাক্য।
‘ভাজা’ মাছ। > কীরকম মাছ?
: ভাজা— বিশেষণ।
‘নিয়ম-বিরুদ্ধ’ কাজ। > কীরকম কাজ?
: নিয়ম-বিরুদ্ধ— বিশেষণ।
‘আচ্ছা’ মানুষ। > কীরকম মানুষ?
: আচ্ছা— বিশেষণ।
‘ঠুনঠুন’ শব্দ। > কীরকম শব্দ?
: ঠুনঠুন— বিশেষণ।
‘বর্গীয়’ জ। > কীরকম জ?
: বর্গীয়— বিশেষণ।
বিষধর সাপ। > কীরকম সাপ?
: বিষধর— বিশেষণ।

২. ‘কত’ বা ‘কততম’ কিংবা ‘কী পরিমাণ’-যোগে প্রশ্ন করা: বাক্যের মধ্যে কোনো সংখ্যা বা পরিমাণ নির্দেশক শব্দ বিশেষণ পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে কি না, তা জানতে হলে ওই সংখ্যা বা পরিমাণ নির্দেশক শব্দটি ঊহ্য রেখে সেটির স্থলে ‘কত’ বা ‘কততম’ কিংবা ‘কী পরিমাণ’ বসিয়ে প্রশ্ন করতে হবে। যদি ‘কত’ বা ‘কততম’ কিংবা ‘কী পরিমাণ’ বসিয়ে একটি স্পষ্ট অর্থপূর্ণ প্রশ্নবোধক বাক্য পাওয়া যায় এবং সে বাক্যের উত্তরে ঊহ্য রাখা শব্দটি পাওয়া যায়, তাহলে ওই সংখ্যা বা পরিমাণ নির্দেশক শব্দটি বিশেষণ পদ হওয়া নিশ্চিত। আর, যদি নতুন বাক্যটি কোনো স্পষ্ট অর্থের প্রশ্নবোধক বাক্য না-হয়, তাহলে ওই শব্দটি বিশেষণ নয়। উদাহরণ দিচ্ছি:

ক. ‘টমের দুই টাকা লাগবে।’ এই বাক্যটিতে ‘দুই’ বিশেষণ পদ কি না, তা নির্ণয়ের জন্যে ‘দুই’-এর স্থলে ‘কত’ লিখে প্রশ্ন করলে দাঁড়ায়— ‘টমের কত টাকা লাগবে?’ নতুন বাক্যটি একটি স্পষ্ট অর্থের সার্থক প্রশ্নবোধক বাক্য এবং বাক্যটির উত্তরে বিনা সংশয়ে ‘দুই’ শব্দটি পাওয়া যাচ্ছে। তাই, মূল বাক্যটিতে ‘দুই’ শব্দটি বিশেষণ পদ।
খ. “গণিতে ‘দুই’ একটি মৌলিক সংখ্যা।” এই বাক্যটিতে ‘দুই’ বিশেষণ পদ কি না, তা নির্ণয়ের জন্যে ‘দুই’-এর স্থলে ‘কত’ বা ‘কততম’ কিংবা ‘কী পরিমাণ’ লিখে প্রশ্ন করলে দাঁড়ায়— ‘গণিতে কত/কী পরিমাণ/কততম একটি মৌলিক?’ নতুন বাক্যটি কোনো স্পষ্ট অর্থের সার্থক প্রশ্নবোধক বাক্য নয়। তাই, মূল বাক্যটিতে ‘দুই’ শব্দটি বিশেষণ পদ নয়।
গ. ‘পহেলা বৈশাখ বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন।’ এই বাক্যটিতে ‘পহেলা’ বিশেষণ পদ কি না, তা নির্ণয়ের জন্যে ‘পহেলা’-এর স্থলে ‘কততম’ লিখে প্রশ্ন করলে দাঁড়ায়— ‘কততম বৈশাখ বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন?’ এটি একটি স্পষ্ট অর্থের সার্থক প্রশ্নবোধক বাক্য এবং বাক্যটির উত্তরে বিনা সংশয়ে ‘পহেলা’ শব্দটি পাওয়া যাচ্ছে। তাই, মূল বাক্যটিতে ‘পহেলা’ শব্দটি বিশেষণ পদ।
ঘ. ‘তলস্তয় একজন বিশ্ববিখ্যাত কথাশিল্পী।’ এই বাক্যটিতে ‘এক’ বিশেষণ পদ কি না, তা নির্ণয়ের জন্যে ‘এক’-এর স্থলে ‘কত’ বা ‘কততম’ কিংবা ‘কী পরিমাণ’ লিখে প্রশ্ন করলে দাঁড়ায়— ‘তলস্তয় কত/কী পরিমাণ/কততম জন বিশ্ববিখ্যাত কথাশিল্পী?’ নতুন বাক্যটি কোনো স্পষ্ট অর্থ বহন করে না। অর্থাৎ, এটি কোনো সার্থক প্রশ্নবোধক বাক্য নয় এবং বাক্যটির উত্তরে বিনা সংশয়ে ‘এক’ শব্দটি পাওয়া যাচ্ছে না। তাই, মূল বাক্যটিতে ‘এক’ শব্দটি বিশেষণ পদ নয়।
একইরকম—
‘সাত’ মাস। > কত মাস?
: সাত— বিশেষণ।
‘আধা’ কেজি। > কত কেজি?
: আধা— বিশেষণ।
‘দশম’ শ্রেণি। > কততম শ্রেণি?
: দশম— বিশেষণ।
‘অর্ধেক’ ভরেছে। > কী পরিমাণ ভরেছে?
: অর্ধেক— বিশেষণ।

জেনে রাখা ভালো:
i. কোনো পূর্ণ শব্দের সঙ্গে (ধাতুর সঙ্গে নয়) ‘-ইক’, ‘-ইত’, ‘-ঈয়’, ‘-ধর’ ‘-বান’, ‘-মান’, ‘-শালী’ প্রভৃতি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত নতুন শব্দটি বিশেষণ হবে। যেমন— ব্যবহার+ইক = ব্যাবহারিক; কণ্টক+ইত = কণ্টকিত; ইউরোপ+ঈয় = ইউরোপীয়; শক্তি+ধর = শক্তিধর; গুণ+বান = গুণবান; বুদ্ধি+মান = বুদ্ধিমান; বিত্ত+শালী = বিত্তশালী প্রভৃতি।
অবশ্য নতুন সৃষ্ট শব্দগুলো বিশেষণ হওয়াটা এক নম্বর কৌশল অবলম্বন করেও নির্ণয় করা যাবে।
ii. যেসকল শব্দের সঙ্গে ‘-তর’ (তরো), ‘-তম’ (তমো) আর ‘-ইষ্ঠ’ প্রত্যয় যুক্ত হয়, সেসকল শব্দ এবং সৃষ্ট নতুন শব্দসমূহও বিশেষণ পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। যেমন: কঠিন > কঠিনতর > কঠিনতম;
দীর্ঘ > দীর্ঘতর > দীর্ঘতম;
লঘু > লঘিষ্ঠ;
গুরু > গরিষ্ঠ প্রভৃতি।
iii. বাংলায় কোনোকিছুর ক্রমিক অবস্থান নির্দেশ করতে কেবল অঙ্কবাচক সংখ্যাশব্দের সঙ্গে ‘-র’ বা ‘-এর’ বিভক্তি যুক্ত হয়ে বিশেষণরূপে ব্যবহৃত হয়। যেমন: অধ্যায় পাঁচের পরিচ্ছেদ, গলি ষোলোর দোকান প্রভৃতি।
iv. কনকনে, টসটসে, ধীরে, পরে প্রভৃতি শব্দের শেষের ‘-এ’ বিভক্তি নয়, প্রতয়।
v. ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ উত্তরের জন্যে লেখা প্রশ্নবোধক বাক্যের কোনো পদ বিশেষণ কি না, তা নির্ণয় করার সময় প্রথম ‘কি’ বাদ দিয়ে প্রশ্নসূচক বাক্যটিকে বিবৃতিমূলক বাক্যে পরিণত করতে হবে। তারপর শুরুতে উল্লেখ-করা নিয়মগুলো অনুসরণ করলেই হয়ে যাবে। যেমন: ‘লাল কি একটি রঙের নাম?’ এই বাক্যটিতে ‘লাল’ বিশেষণ কি না, তা নির্ণয়ের জন্যে প্রথমে বাক্যটি থেকে ‘কি’ বাদ দিয়ে ‘লাল একটি রঙের নাম’ লিখতে হবে। এবার এক নম্বরে উল্লেখ করা নিয়ম অনুসরণ করলেই হয়ে যাবে।

আলোচিত কৌশল দুটির সাহায্যে প্রায় প্রতিটি নাম বিশেষণ নির্ভুলভাবে নির্ণয় করা যাবে। তবে কিছু ভাব বিশেষণ নির্ণয় করতে গেলে কিছুটা সমস্যায় পড়তে হবে। ভাব বিশেষণ নিয়ে অন্য একদিন লিখব; লেখার পরিসর যে দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হয়ে যাচ্ছে!

মজার তথ্য: বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত প্রতিটি শব্দই (পদই) বিশেষ্য পদ হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে!

সূত্র:  বিশেষণ নির্ণয়ের কৌশল, এবি ছিদ্দিক, শুদ্ধ বানান চর্চা (শুবাচ)।


All Link

বিসিএস প্রিলি থেকে ভাইভা কৃতকার্য কৌশল

ড. মোহাম্মদ আমীনের লেখা বইয়ের তালিকা

বাংলা সাহিত্যবিষয়ক লিংক

বাংলাদেশ ও বাংলাদেশবিষয়ক সকল গুরুত্বপূর্ণ সাধারণজ্ঞান লিংক

বাংলা বানান কোথায় কী লিখবেন এবং কেন লিখবেন/১

বাংলা বানান কোথায় কী লিখবেন এবং কেন লিখবেন/২

বাংলা বানান কোথায় কী লিখবেন এবং কেন লিখবেন /৩

কীভাবে হলো দেশের নাম

ইউরোপ মহাদেশ : ইতিহাস ও নামকরণ লিংক

শুদ্ধ বানান চর্চা লিংক/১

দৈনন্দিন বিজ্ঞান লিংক

শুদ্ধ বানান চর্চা লিংক/২

শুদ্ধ বানান চর্চা লিংক/৩

শুদ্ধ বানান চর্চা লিংক/৪

কীভাবে হলো দেশের নাম

সাধারণ জ্ঞান সমগ্র

সাধারণ জ্ঞান সমগ্র/১

সাধারণ জ্ঞান সমগ্র/২

বাংলাদেশের তারিখ

ব্যাবহারিক বাংলা বানান সমগ্র : পাঞ্জেরী পবিলেকশন্স লি.

শুদ্ধ বানান চর্চা প্রমিত বাংলা বানান বিধি : বানান শেখার বই

কি না  বনাম কিনা এবং না কি বনাম নাকি

মত বনাম মতো : কোথায় কোনটি এবং কেন লিখবেন

ভূ ভূমি ভূগোল ভূতল ভূলোক কিন্তু ত্রিভুবন : ত্রিভুবনের প্রিয় মোহাম্মদ

মত বনাম মতো : কোথায় কোনটি এবং কেন লিখবেন

প্রশাসনিক প্রাশাসনিক  ও সমসাময়িক ও সামসময়িক

বিবিধ এবং হযবরল : জ্ঞান কোষ

সেবা কিন্তু পরিষেবা কেন

ভাষা নদীর মতো নয় প্রকৃতির মতো

এককথায় প্রকাশ

শব্দের বানানে অভিধানের ভূমিকা

আফসোস নিয়ে আফসোস

লক্ষ বনাম লক্ষ্য : বাংলা বানান কোথায় কী লিখবেন

ব্যাঘ্র শব্দের অর্থ এবং পাণিনির মৃত্যু

যুক্তবর্ণ সরলীকরণ আন্দোলন : হাস্যকর অবতারণা

প্রায়শ ভুল হয় এমন কিছু শব্দের বানান/২

গীতাঞ্জলি

রবীন্দ্রনাথের ডাকঘর

রবীন্দ্রনাথের রাজা

রবীন্দ্রনাথের চতুরঙ্গ

রবীন্দ্রনাথের মুক্তধারা

error: Content is protected !!