ভাষা আন্দোলন বাংলা ভাষা চর্চার প্রথম সরকারি স্বীকৃতি

বাংলা ভাষা চর্চার প্রথম সরকারি স্বীকৃতি
১৮৪৪ খ্রিষ্টাব্দের পূর্বে বাংলা ভাষায় অধ্যয়ন সরকারিভাবে স্বীকৃত ছিল না। ১৮৪৪ খ্রিষ্টাব্দের ১০ অক্টোবর বঙ্গ-বিদ্যালয়ে অধ্যয়ন প্রথমবারের মতো ব্রিটিশ সরকার স্বীকৃতি দেয়। লর্ড হার্ডিঞ্জ সমগ্র বাংলা তথা বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যায় ১০১ টি আদর্শ বাংলা পাঠশালা স্থাপনের ব্যবস্থা নেন। এ লক্ষ্যে ১০১ জন শিক্ষক নিয়োগের ব্যবস্থা করা হয়। আশ্চর্য হলেও সত্য যে, ১৮৫৮ খ্রিষ্টাব্দে ৩ কোটি ৭০ লক্ষ লোকের শিক্ষার জন্য সরকারি বরাদ্দ ছিল মাত্র আট হাজার টাকা। যা তৎকালে একজন কালেক্টরের বার্ষিক বেতনের এক তৃতীয়াংশ। ১৮৫৪ খ্রিষ্টাব্দে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ‘বাংলা শিক্ষা পরিকল্পনা’ অনুযায়ী বাংলার ছোট লাট হ্যালিডে প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নের জন্য কিছু উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ গ্রহণ করেন। ভূদেব মুখোপাধ্যায় সরকারি সহযোগিতার মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা চালুর প্রয়াস নেন। তিনি ১৮৮২ খ্রিষ্টাব্দের ১৯ ফেব্রুয়ারি মিস্টার ইডেনকে একটি পত্রের মাধ্যমে বাংলায় প্রাথমিক শিক্ষা চালু ও উন্নয়নের আবেদন জানান।

বাংলা ভাষার প্রথম রাজভিষেক
বঙ্গদেশে তুর্কি শাসন শুরু হওয়ার পর অবহেলিত বাংলা ভাষা প্রথম রাজ দরবারে ঢোকার সুযোগ পায়। মুসলমান তুর্কি শাসকেরা বাংলা ভাষাকে পথ হতে কুড়িয়ে এনে সাধারণ লোকের ভাষা হিসেবে রাজ দরবারে ঠাই দেন।

মাতৃভাষা চর্চার প্রথম প্রাতিষ্ঠানিক চেষ্টা

error: Content is protected !!