মহাজনপদ ও রাজ্য স্থাপনের সূচনা

রাজ্য স্থাপনের সূচনা
বৈদিক যুগেই ভারতে বৈশালীর মতো একাধিক গণরাজ্য স্থাপিত হয়। এগুলো খ্রিষ্টপূর্ব ষষ্ঠ শতক এমন কি কোনও কোনও অঞ্চলে চতুর্থ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত স্থায়ী থাকে। এই যুগের পরবর্তী পর্যায়ে বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর মধ্যে রাজ্যস্থাপন ও রাজ্যবিস্তারের সংগ্রাম শুরু হয়। এই রাজ্যগুলোই মহাজনপদ।

রাজ্যের উদ্ভব
পরবর্তী বৈদিক যুগে ১০০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ নাগাদ সমগ্র উপমহাদেশে একাধিক ক্ষুদ্র ও নগররাষ্ট্রের উদ্ভব ঘটে। বৈদিক এবং আদি বৌদ্ধ ও জৈন সাহিত্যে এসব রাজ্যের উল্লেখ পাওয়া যায়।

মহাজনপদ, বঙ্গ ও নগরায়ণ
৫০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ নাগাদ মহাজনপদ নামে পরিচিত ষোলোটি রাজ্য ও গণরাজ্যের উন্মেষ ঘটে। এই মহাজনপদগুলো হচ্ছে কাশী, কোশল, অঙ্গ, মগধ, বজ্জি (বা বৃজি), মল্ল, চেদী, বৎস (বা বংশ), কুরু, পাঞ্চাল, মচ্ছ (বা মৎস), শূরসেন, অশ্মক, অবন্তী, গান্ধার ও কম্বোজ। বর্তমান আফগানিস্তান থেকে মহারাষ্ট্র ও বাংলা পর্যন্ত গাঙ্গেয় সমভূমি অঞ্চল বরাবর এই রাজ্যগুলি বিস্তৃত ছিল। সিন্ধু সভ্যতার পর এই যুগেই ভারতের দ্বিতীয় প্রধান নগরায়ণ ঘটে।

মহাজনপদের ভাষা
মহাজনপদে শিক্ষিত সম্প্রদায়ের ভাষা ছিল সংস্কৃত। তবে উত্তর ভারতের জনসাধারণ প্রাকৃতের বিভিন্ন উপভাষায় কথা বলতেন।
মহাজনপদ একত্রীকরণ : প্রথম ঐতিহাসিক সা¤্রাজ্য
খ্রিষ্টপূর্ব ৫০০-৪০০ অব্দে সিদ্ধার্থ গৌতমের সময় এই ষোলোটি মহাজনপদের অধিকাংশ সংযুক্ত হয়ে বৎস, অবন্তী, কোশল ও মগধ নামের চারটি রাজ্যে মিলিত হয়।

বাংলার প্রাচীন বাংলা কয়েটি জনপদে বিভক্ত ছিল। জনপদগুলোর নাম ও বর্ণনা নিচে দেওয়া হল। ক্লিক করে জনপদগুলোর সংক্ষিপ্ত, কিন্তু তথ্যবহুল বিবরণ জেনে নিতে পারেন।

প্রাচীন বাংলার জনপদের তালিকা

error: Content is protected !!