মড়ক, মারি, মহামারি, মহামারী, অতিমারি, বিশ্বমারি, সর্বমারি, বিক্ষিপ্তমারি, লকডাউন, ফুল লকডাউন, কোয়ারেন্টিন, আইসোলেশন, ‍Sporadic, Epidemic, Pandemic, quarantine

ড. মোহাম্মদ আমীন

মড়ক, মারি, মহামারি, মহামারী, অতিমারি, বিশ্বমারি, সর্বমারি, বিক্ষিপ্তমারি, লকডাউন, ফুল লকডাউন, কোয়ারেন্টিন, আইসোলেশন, ‍Sporadic, Epidemic, Pandemic, quarantine

মহামারি না কি মহামারী: কোনটি শুদ্ধ?

মহা ও মারি মিলে মহামারি। সংস্কৃত ‘মহা [√মহ্+অ+আ(টাপ)]’ শব্দের অনেকগুলো অর্থ আছে। এখানে মহা অর্থ: ভয়ংকর, প্রচণ্ড, অতিশয়।
সংস্কৃত মারি (মৃ+√ণিচ্+ই) অর্থ: (বিশেষ্যে) সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হয়ে ব্যাপক প্রাণহানি, মড়ক; বসন্তরোগ।
বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধানমতে, মহা ও মারি মিলে নির্মিত সংস্কৃত মহামারি অর্থ (বিশেষ্যে ) কলেরা, প্লেগ প্রভৃতি সংক্রামক রোগে ব্যাপক লোকক্ষয়, মড়ক। মারি যখন মহা ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়ে তখন তাকে বলে মহামারি।
প্রসঙ্গত, মারী বানানের কোনো শব্দ বর্ণিত অভিধানে নেই। তাই মহামারী বানানেরও কোনো শব্দ নেই, ব্যাকরণগতভাবে এমন কোনো শব্দ হতে পারে বলে আমার জানা নেই। অতএব, মহামারি লিখুন, মহামারী নয়।ইতালি: মহামারি (Epidemic) ও সর্বমারির(Pandemic)। 
নিমোনিক: মারা থেকে মারি। মহামারি, মারার জন্য আসে। তাই তার বানানে মারি দিতে হয়। মারী নয়।
 

বিক্ষিপ্তমারি স্থানীয়মারি মহামারি ও সর্বমারি

স্পরাডিক (Sporadic) বিক্ষিপ্তমারি: গ্রিক Sproraden থেকে Sporadic শব্দের উদ্ভব। Sproraden অর্থ যত্রতত্র বা এখানে-সেখানে, বিক্ষিপ্তভাবে, মাঝেমাঝে, সময়ে-সময়ে, অনির্ধারিত, যখন-তখন প্রভৃতি। ইংরেজিতে Sporadic কথাটি মূলত মাঝে মাঝে, অনিয়মিত, বিক্ষিপ্ততা, বিচ্ছিন্নতা প্রভৃতি অর্থে অধিক ব্যবহৃত হয়। তবে শব্দটির বর্তমান অর্থ উৎসর্থ হতে ভিন্নতা দিয়ে প্রয়োগ করা হচ্ছে। এখন সাধারণভাবে শব্দটি দ্বারা একটি রোগের বিস্তারের প্রকৃতি ও অবস্থা নির্দেশ করা হয়। কোনো রোগ যখন কোনো এলাকায় বিচ্ছিন্ন বা বিক্ষিপ্তভাবে মাঝেমাঝে ছড়িয়ে পড়ে তখন তাকে স্পরাডিক বলা হয়। গ্রিক Sproraden ইংরেজিতে এসে আংশিক পরিবর্তন হয়ে Sporadic নামে স্থিত হয়েছে। Sporadic শব্দের বাংলা হতে পারে বিক্ষিপ্তমারি।
 
এনডেমিক (Endemic) স্থানীয়মারী: গ্রিক উপসর্গ En- এর সঙ্গে ‘-demic’ যুক্ত হয়ে শব্দটি গঠিত হয়েছে। En- অর্থ স্থানীয়, অভ্যন্তরস্থ, ভেতর, অন্তর্ভূত, সীমাবদ্ধ প্রভৃতি। গ্রিক Demos থেকে উদ্ভূত Demic অর্থ জন, মানুষ বা গণ। Demic শব্দের সঙ্গে En- উপসর্গ হয়ে Endemic শব্দটি গঠিত। এর শাব্দিক অর্থ হতে পারে স্থানীয় জনগণ, জনগোষ্ঠীভুক্ত, জগোষ্ঠীর মধ্যে, স্থানীয় জনগণের মধ্যে সীমাবদ্ধ, দখলীয় জনগণ প্রভৃতি। যখন কোনো রোগ কোনো একটি নির্দিষ্ট অঞ্চল বা এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে এবং পরবর্তীকালে লম্বা সময় ধরে বিদ্যমান থেকে অনেকটা নিত্যতার মতো হয়ে জনগণকে আক্রান্ত করে যায়, তখন তাকে এনডেমিক(Endemic) বলা হয়। বাংলায় Endemic-এর প্রতিশব্দ হতে পারে স্থানীয়মারি বলা যায়।
 
মড়ক, মারি, মহামারি বিশ্বমারি
বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান [প্রথম প্রকাশ: ফেব্রুয়ারি ২০১৬; পরিবর্ধিত ও পরিমার্জিত সংস্করণ: এপ্রিল ২০১৬] বলেছে:
‘মড়ক’ মানে ‘মহামারী’; আবার, ‘মারি’ মানে ‘মড়ক’, এবং ‘মহামারি’ মানেও ‘মড়ক’।  এভাবে, বাংলা একাডেমির বদৌলতে, ‘মড়ক’, ‘মারি’, ‘মহামারি’ ও ‘মহামারী’—এদের যে-কোনোটি দৃশ্যত অন্য যে-কোনোটির প্রতিশব্দ!  বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান ‘মড়ক’ ভুক্তিতে ‘মহামারী’ লিখেছে দীর্ঘ ঈ-কার দিয়ে; আবার ‘মহামারি’ ভুক্তিতে ‘মহামারি’ লিখেছে হ্রস্ব ই-কার দিয়ে।  ওটা  মুদ্রণপ্রমাদ মনে হয়।  অথবা, প্রাচীন কোনো উৎস থেকে সম্পাদনাহীন অন্ধ কপি-পেস্টের অপরিহার্য পরিণতি।

Epidemic-এর পরিভাষা ‘মহামারি’
বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান ও বাংলাদেশ সরকারের জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক পরিভাষা ২০১৫ অভিন্নভাবে সে-কথাই বলেছে।

 Pandemic-এর পরিভাষা

বাংলা একাডেমির কোনো অভিধানে বা অন্য কারো কোনো অভিধান বা রেফারেন্স বইয়ে Pandemic-এর পরিভাষা  নেই। ২০০৯ খ্রিষ্টাব্দের ৯ই সেপ্টেম্বর  ‘সোয়াইন ফ্লু – আমাদের করণীয়’ শীর্ষক নিবন্ধে https://www.ebanglahealth.com লিখেছে:
“সাধারণ ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস, এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা আর সোয়াইন ইনফ্লুয়েঞ্জা মিলে তৈরি হয়েছে একটি সম্পূর্ণ নতুন প্রজাতির ভাইরাস-নাম ইনফ্লুয়েঞ্জা এইচ১এন১। পরিচিতি পেয়েছে সোয়াইন ফ্লু নামে। গত শতাব্দীর তিনটি ভয়াবহ ‘ফ্লু বিশ্বমারি’র পর বিজ্ঞানীরা আশঙ্কা করছিলেন আরেকটি ফ্লু বিশ্বমারির। এইচ১এন১ বা সোয়াইন ফ্লু সেই বিশ্বমারি হিসেবে এসেছে বিশ্বজুড়ে।”  এখন চলমান কোভিড-১৯ বিশ্বমারির আগ্রাসনের সময়ে প্রথম আলোর ২১ মার্চ ২০২০ তারিখের সংখ্যায় অধ্যাপক ডা. শুভাগত চৌধুরী ‘করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে প্রথম লড়াকু জেনিফার হলার’ শীর্ষক পাঁচমিশালি সংবাদে লিখেছেন: “করোনাভাইরাস সংক্রমণের বিস্তার বিশ্বজুড়ে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা একে বলেছে ‘বিশ্বমারি’।”
 
Pandemic (বিশ্ব মহামারি): কোনো রোগ বা সংক্রমণ যদি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকা, যেমন কোনো দেশ বা মহাদেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিশ্বজুড়ে বিপুল সংখ্যক মানুষকে আক্রান্ত করে তাকে Pandemic বলে। ১১ই মার্চ ২০২০ খ্রিষ্টাব্দ, Covid-19 (করোনা ভাইরাস) সংক্রমণটিকে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা WHO, Pandemic ঘোষণা করেছে।
 
Epidemic (মহামারি): নির্দিষ্ট কোনো ভৌগোলিক স্থানে যদি কোনো সংক্রমণ চোখে পড়ার মত বৃদ্ধি পায় বা বিপুল হারে ছড়িয়ে পড়ে তখন তাকে Epidemic বলে। প্রাথমিক অবস্থায় চীনে যখন Covid-19 (করোনা ভাইরাস) আক্রমণ করে, তখন সে দেশের জন্য সংক্রমণটি Epidemic ছিলো। তাছাড়া, কয়েকবছর আগে আফ্রিকায় ইবোলা ভাইরাসের সংক্রমণটিও Epidemic এর পর্যায়ে পড়ে। Endemic (স্থানীয় রোগ): নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকায়, কোনো বিশেষ স্থানে যদি কোনো রোগ বা সংক্রমণ বারবার হয় তখন তাকে Endemic বলে। একসময়, ভারতীয় উপমহাদেশে কলেরা, গুটিবসন্ত এসকল রোগ Endemic বলে বিবেচিত হতো।
 
লকডাউন ও ফুল লকডাউন
 
লকডাউন: ভয়ংকর কোনো মহামারি বা দুর্যোগ প্রতিরোধে জনসাধারণের স্বাভাবিক চলাচল ও প্রাত্যহিক কর্মকাণ্ডে সীমাবদ্ধতা আরোপ অনিবার্য হয়ে পড়লে, সরকার বিশেষ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে রাষ্ট্রীয় প্রশাসন যন্ত্রের মাধ্যমে জনসাধারণকে নির্ধারিত সময়ের জন্য গৃহে কিংবা নির্ধারিত এলাকার বাইরে চলাচল কিংবা নির্দিষ্ট কিছু কার্যক্রম ছাড়া অন্য কাজ হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করতে পারে। এই নির্দেশকে বলা হয় লকডাউন। লকডাউন দুই প্রকার। যথা: লকডাউন ও ফুল লকডাউন।
 
লকডাউন চলাকালে মানুষ মৌলিক চাহিদাদি সংগ্রহের জন্য সীমিত সময়ের জন্য সীমিত পরিসরে ঘর থেকে বের হতে পারে। সরকার জনসাধারণের কল্যাণের জন্যই লকডাউন করে। এসময় অনিবার্য না হলে সর্বসাধারণের চলাফেরাকে কঠোরভাবে নিরুৎসাহিত করা হয়।
লকডাউনে সরকারের মূল উদ্দেশ্য থাকে, মানুষের চলাফেরা সীমিত করে দেওয়া; যাতে তারা এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় স্বাভাবিক সময়ের মতো অবাধে বিচরণ না করতে পারে বা না করে। লকডাউনে সরকারের নির্দেশনার সঙ্গে জনগণের স্বতস্ফুর্ত সহায়তার সমন্বয় করা হয়।
 
ফুল লকডাউনের সময় মানুষ নিজের ঘর কিংবা নির্ধারিত এলাকা থেকে অনিবার্য চিকিৎসাগত প্রয়োজন বা অত্যন্ত দরকারি কিছু না হলে কোনমতেই ঘর থেকে বের হওয়া যায় না। যে-কারণেই হোক না, ফুল লকডাউনের সময় ঘর থেকে বের হতে হলে প্রশাসনের পূর্বানুমতি নিতে হয়। প্রধানত রোগজীবাণুর বিস্তার রোধের জন্য লকডাউন আদেশ জারি করা হয়। এতে জনগণের সায় থাকে।
 
Pandemic (বিশ্ব মহামারি): কোনো রোগ বা সংক্রমণ যদি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকা, যেমন কোনো দেশ বা মহাদেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিশ্বজুড়ে বিপুল সংখ্যক মানুষকে আক্রান্ত করে তাকে Pandemic বলে। ১১ই মার্চ ২০২০ খ্রিষ্টাব্দ, Covid-19 (করোনা ভাইরাস) সংক্রমণটিকে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা WHO, Pandemic ঘোষণা করেছে।
 
Epidemic (মহামারি): নির্দিষ্ট কোনো ভৌগোলিক স্থানে যদি কোনো সংক্রমণ চোখে পড়ার মত বৃদ্ধি পায় বা বিপুল হারে ছড়িয়ে পড়ে তখন তাকে Epidemic বলে। প্রাথমিক অবস্থায় চীনে যখন Covid-19 (করোনা ভাইরাস) আক্রমণ করে, তখন সে দেশের জন্য সংক্রমণটি Epidemic ছিলো। তাছাড়া, কয়েকবছর আগে আফ্রিকায় ইবোলা ভাইরাসের সংক্রমণটিও Epidemic এর পর্যায়ে পড়ে। Endemic (স্থানীয় রোগ): নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকায়, কোনো বিশেষ স্থানে যদি কোনো রোগ বা সংক্রমণ বারবার হয় তখন তাকে Endemic বলে। একসময়, ভারতীয় উপমহাদেশে কলেরা, গুটিবসন্ত এসকল রোগ Endemic বলে বিবেচিত হতো।
 
 কোয়ারেন্টিন ও আইসোলেশন
 
কোয়ারেন্টিন (quarantine)/কোয়ারেন্টাইন শব্দের আভিধানিক অর্থ চল্লিশ দিন। কারণ, চল্লিশ অর্থ-দ্যোতক কোয়ারেন্টানা (quarantena) থেকে কোয়ারেন্টিন (quarantine) শব্দের উদ্ভব। বর্তমানে কোয়ারেন্টিন বলতে চল্লিশ দিন বোঝায় না। এর অর্থ ও প্রয়োগ পরিবর্তন হয়ে গেছে। এখন কোয়ারেন্টিন অর্থ— নির্দিষ্ট সময়ের জন্য স্বাভাবিক চলাফেরা নিয়ন্ত্রণপূর্বক পৃথক থাকা বা রাখা।
 
কোয়ারেন্টিন শব্দের বাংলা অর্থ সঙ্গরোধ বা সঙ্গনিরোধ। খ্রিষ্টপূর্ব ১৪৫৭ খ্রিষ্টাব্দে সর্বপ্রথম সঙ্গরোধ বা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য পৃথক থাকা বা রাখার বিষয়টি বিশেষ কিছু রোগের চিকিৎসার অংশ হিসেবে গুরুত্বসহ চিকিৎসাবিজ্ঞানে প্রবেশ করে। চতুর্দশ—পঞ্চদশ শতকে ভেনেটিয়ান (Venetian) ভাষায় কোয়ারেন্টিন শব্দটির ব্যবহার প্রথম শুরু হয়। ১৩৭৭ খ্রিষ্টাব্দে কালমৃত্যু প্লেগ রোগের মহা প্রাদুর্ভাব ঠেকানোর জন্য সরকারিভাবে জাহাজযাত্রীদের একনাগাড়ে কমপক্ষে ত্রিশ দিন (trentino) পৃথক রাখার নির্দেশনা জারি করা হয়। কিন্তু চিকিৎসকগণের সিদ্ধান্তে পরবর্তীকালে চল্লিশ দিন নির্ধারণপূর্বক স্পষ্টভাবে কোয়ারেন্টিন শব্দটি ব্যবহার করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
 
কোয়ারেন্টিন শব্দটি কর্ডন স্যানিট্যায়ার (cordon sanitaire)-এর সমার্থক হিসেবেও ব্যবহৃত হতে দেখা যায়। স্বাস্থ্যগত কারণে রোগ ছড়িয়ে পড়া প্রতিহত করার লক্ষ্যে সতর্কতার অংশস্বরূপ স্বাভাবিক চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে বিশেষ ভৌগোলিক এলাকায় সীমাবদ্ধ রাখাকে কর্ডন স্যানিটায়ার বলা হয়। কোয়ারেন্টিন শুধু মানুষের ওপর নয়, জীবজন্তু, এমনকি বস্তু বা যানবাহনের ওপরও আরোপ করা হয়।

অভিধান ও বাংলা বানানবিধি লিংক

বাংলা অভিধান ও বাংলা বানানবিধির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ লিংক এখানে দেওয়া হলো। নিচের লিংকসমূহে ক্লিক করলে বাংলা একাডেমির সর্বশেষ সংশোধন করা বাংলা বানানসমূহ পাওয়া যাবে। জানা যাবে বাংলা একাডেমি কেন এবং কোন বিধানের বলে কীভাবে বানানগুলো সংশোধন করেছে।
 

শুবাচ প্রমিত বাংলা বানান অভিধান, বাংলা একাডেমির সর্বশেষ সংশোধিত বানান-সহ

বাংলা অভিধান ও বাংলা বানানবিধির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ লিংক:

শুবাচ প্রমিত বাংলা বানান অভিধান, বাংলা একাডেমির সর্বশেষ সংশোধিত বানান-সহ

শুবাচ আধুনিক প্রমিত বাংলা বানান অভিধান

এক মিনিট সময় দিন বানানগুলো শিখে নিন

 
 
error: Content is protected !!