রবীন্দ্রনাথের  শেষের কবিতা

ড. মোহাম্মদ আমীন

রবীন্দ্রনাথের চিত্রসৃষ্টি পর্যায়ের দুটি ‍উপন্যাস রয়েছে- প্রথমটি যোগাযোগ এবং দ্বিতীয়টি শেষের কবিতা। ১৯২৭ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ১৯২৮ খ্রিষ্টাব্দ অবধি প্রবাসী পত্রিকায় এটি ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়।বিলেত ফেরত ব্যারিস্টার অমিত রায় (‘অমিট্ রে’) প্রখর বুদ্ধিদীপ্ত এবং ভীষণ প্রেমাবেগ আপ্লত এক চৌকশ যুবক। তর্ক আর কথাবার্তায় বেশ পাকা এবং প্রতিপক্ষকে যে-কোনো বিষয়ে হারাতে সিদ্ধহস্ত।  অমিত একবার শিলং পাহাড়ে বেড়াতে যায়। সেখানে এক মোটর-দুর্ঘটনায় আকস্মিক পরিচয় ঘটে লাবণ্যর সাথে। পরিচয়ের পর অমিতের চৌকশতার কারণে অল্প সময়ের মধ্যে চলে আসে প্রেম। লাবণ্যও ছিল দূরদর্শী এবং বাস্তববাদী। অচিরেই লাবণ্য বুঝতে পারে অমিত একেবারে প্রেমাবেগ সর্বস্ব এক কল্প জগতের রোমান্টিক মানুষ। তার চরিত্রে প্রেমবিলাস আছে কিন্তু গৃহবিলাস নেই, যার সঙ্গে মধুর প্রেমালাপ চলে, কিন্তু প্রতিদিনের সাংসারিক হিসেব-নিকেশ চলে না। তারপরও প্রেমের গভীরতা বিয়ের আয়োজন পর্যন্ত নিয়ে যায় দুজনকে। এসময় শিলঙে হাজির হয় কেটি (কেতকী)। তার হাতে অমিতের দেওয়া আংটি। ওই আংটি দেখিয়ে কেতকী বলে যে, অমিত তার; আর কারো নয়। এমন দাবির ফলে ভেঙে যায় লাবণ্য-অমিতর বিবাহ-আয়োজন। শেষ পর্যন্ত অমিত স্বীকার করে নেয় যে, লাবণ্যের সাথে তাঁর প্রেম যেন দিঘির জল, সে জল ঘরে আনবার নয়, সেই জলে মন তার সাঁতার দেবে। আর কেতকীর সাথে সম্পর্ক ঘড়ায় তোলা জল- প্রতিদিন তুলবে, প্রতিদিন ব্যবহার করবে।


All Link

বাংলা সাহিত্যবিষয়ক লিংক

বাংলাদেশ ও বাংলাদেশবিষয়ক সকল গুরুত্বপূর্ণ সাধারণজ্ঞান লিংক

বাংলা বানান কোথায় কী লিখবেন এবং কেন লিখবেন/১

error: Content is protected !!