রেকটো বনাম ভারসো: পুস্তকের বিভিন্ন অংশ

ড. মোহাম্মদ আমীন

রেকটো (recto) বনাম ভারসো (verso)
কাগজের পাতায় লেখার মাধ্যমে সৃষ্ট কোডেক্স, পামফলেট, ব্রডশিট পুস্তক প্রভৃতির ডান বা সামনের পাশকে রেকটো (recto) এবং এর বিপরীতে বাম বা পেছনের পাশকে ভারসো (verso) বলা হয়। সহজভাষায়, পুস্তকের ডানদিকের পৃষ্ঠাকে রেকটো এবং বামদিকের পৃষ্ঠাকে ভারসো বলে। মনে রাখার জন্য বলতে পারেন— ভারসো মানে বামপৃষ্ঠা এবং রেকটো মানে ডানপৃষ্ঠা।  ভারসোসমূহে জোড় সংখ্যা এবং রেকটোসমূহে বেজোড় সংখ্যা থাকে।  বাংলায় রেকটো মানে ডানপাতা এবং ভারসো মানে বামপাতা।
 
ল্যাটিন recto folio এবং verso folio কথা থেকে যথাক্রমে রেকটো ও ভারসো শব্দের উদ্ভব। recto folio- অর্থ পাতার ডান পাশ এবং verso folio অর্থ পাতার বাম পাশ।
 
নিচের চিত্রে একটি পুস্তকের বিভিন্ন অংশ দেখানো হলো:
 
১. বেলি ব্যান্ড
২. ফ্ল্যাপ
৩. শেষ পৃষ্ঠা
৪. মলাট
৫. ঊর্ধ্ব-পাশ বা পান্ত
৬. সম্মুখ-পাশ বা প্রান্ত
৭. গোড়ার পাশ বা প্রান্ত
৪. ডানপৃষ্ঠা বা রেকটো
৯. বামপৃষ্ঠা বা ভারসো
১০. গাটার

 
বই নিয়ে কয়েকটি মজার তথ্য:
 
ইংরেজি ভাষায় ছাপা প্রথম পুস্তক: ১৭৪৫ খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশিত  উইলিয়াম ক্যাক্সটন-এর লেখা ‘The Recuyell of the Historyes of Troye’ পুস্তকটি ইংরেজি ভাষায় ছাপা প্রথম পুস্তক।

বিশ্বের বৃহত্তম লাইব্রেরি: লাইব্রেরি অব কংগ্রেস বিশ্বের বৃহত্তম লাইব্রেরি। এটি এত বড়ো যে, ঘণ্টায় ৭০ মাইল গতিতে চললে লাইব্রেরির বইগুলো পার কমপক্ষে ৮ ঘণ্টা সময় লাগবে।

সর্বাধিক বিক্রীত বই: চার্লস ডিকেন্স- ‘এ টেল অব টু সিটিজ’ এ পর্যন্ত বিশ্বের সবচেয়ে অধিক বিক্রীত বই। যুক্তরজ্যের রাজধানী  লন্ডন এবং ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিস সংক্রান্ত নানা বিষয় বইটির বিষয়বস্তু।

বিস্ময়কর পুস্তক:  স্কটিশ লেখক অ্যালান ফ্রান্সিস-এর লেখা ”Everything Man know about Women”  নামের বইটিকে পৃথিবীর সবচেয়ে ‍অদ্ভূত ও বিস্ময়কর বই বলা হয়। ‘Everything Man know about Women’ এর বাংলা ‘মেয়েদের সম্পর্কে ছেলেরা যা জানে’। বইটি হাতে নিয়ে পৃষ্ঠা উলটালে দেখা যাবে: ভূমিকার পর বইটির বাকি পৃষ্ঠাগুলো  ফাঁকা। পৃষ্ঠা নম্বর ছাড়া কিছুই নেই।

 
লিংক: https://draminbd.com/রেকটো-বনাম-ভারসো-পুস্তকে/
 
error: Content is protected !!