শুদ্ধ বানান চর্চা (শুবাচ) প্রমিত বানানবিধি

২২. শব্দের বানানে  ই এবং হ্রস্ব ই-কার

অ-তৎসম অর্থাৎ তদ্ভব, দেশি, বিদেশি ও মিশ্র শব্দে ‘হ্রস্ব ই-কার’ ব্যবহৃত হবে। যেমন: সরকারি, তরকারি, গাড়ি, বাড়ি, দাড়ি, শাড়ি, চুরি, চাকরি, মাস্টারি, পাগলামি, পাগলি, বোমাবাজি, দাবি, হাতি, বেশি, খুশি, হিজরি, আরবি, ফারসি, ফরাসি, ইংরেজি, জাপানি, জার্মানি, ইরানি, হিন্দি, ফিরিঙ্গি, সিঙ্গি, ছুরি, টুপি, দিঘি, কেরামতি, রেশমি, পশমি, পাখি, ফরিয়াদি, বেআইনি, কুমির, নানি, দাদি, বিবি, চাচি, মাসি, পিসি, দিদি, বুড়ি প্রভৃতি। তৎসম শব্দের বানানে ব্যাকরণ ও বানান রীতি অনুযায়ী ই, হ্রস্ব-ইকার এবং ঈ ও ঈ-কার হবে।   যেমন: নিরীহ, নীরব, নারী, নদী।

২৩. ঙ ঞ ও বিসর্গ

সন্ধিতে প্রথম পদের শেষ বর্ণ ‘ম্’ হলে ক-বর্গের পূর্বে ‘ম্’ এর স্থানে ‘ং’ লেখা হবে। যেমন: অহম্ + কার = অহংকার, সম্ + গীত = সংগীত ইত্যাদি। অবশ্য বিকল্পে ‘ঙ’ লেখা যায়। যেমন: অহঙ্কার, সঙ্গীত ইত্যাদি। তবে, প্রমিত বানানে সাধারণত অনুস্বার লেখা হয়। অন্যান্য ক্ষেত্রে ‘ক-বর্গ’ এবং ‘ক্ষ’ এর পূর্বে নাসিক্য বর্ণ যুক্ত করার জন্য সর্বদা ‘ঙ’ লেখা হবে। যেমন: অঙ্ক, আকাঙ্ক্ষা, অঙ্কন, অঙ্কিত, শঙ্কিত, অঙ্গ, সঙ্গে, বঙ্গ কলিঙ্গ প্রভৃতি। প্রত্যয় ও বিভক্তিহীন শব্দের সঙ্গে সাধারণত ‘ং’ ব্যবহৃত হবে। তবে প্রত্যয় বা বিভক্তি যুক্ত হলে কিংবা পদের মধ্যে বা শেষে স্বরবর্ণ থাকলে ‘ঙ’ বসবে।  যেমন: রং কিন্তু রঙের, বাংলা কিন্তু বাঙালি, ঢং কিন্তু ঢঙের ইত্যাদি।

প্রকৃতপক্ষে, চন্দ্রবিন্দু এবং অনুস্বার বর্ণের জ্ঞাতিভাই হচ্ছে : ক-বর্গের ঙ, চ-বর্গের ঞ, ট-বর্গের ণ, ত-বর্গের ন এবং প-বর্গের ম। অনুস্বার বর্ণের এ জ্ঞাতিভাইগুলো কখন কোথায় ব্যবহৃত হবে তা নির্ভর করবে ‘অনুস্বার’-বর্ণটি কোন বর্গভুক্ত বর্ণের আগে যুক্ত হবে তার ওপর । ক, খ, ক্ষ (ক+ষ) ও গ এর আগে যুক্ত হলে ক-বর্গের ‘ঙ’ হবে। যেমন: অঙ্ক, অঙ্গ, আকাঙ্ক্ষা, বঙ্গ, সঙ্গ ইত্যাদি । চ-বর্গের আগে বসলে ঞ হবে। যেমন: সঞ্চালক, বাঞ্ছারাম, অঞ্জন ইত্যাদি । তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে ট-বর্গের আগে বসলে ‘মূর্ধন্য-ণ’ হবে। যেমন: ঘণ্টা, পণ্ডিত ইত্যাদি। বর্গীয় বর্ণের বাইরের বর্ণগুলোর আগে সাধারণত অনুস্বার অপরিবর্তিত থাকবে।

উঁয়ো (ঙ) আনুনাসিক শব্দ। যেখানে ‘ঙ’-এর ব্যবহার নির্ধারিত, সেখানে অনুস্বার (ং) ব্যবহার করা যাবে না। যেমন: অঙ্ক, অঙ্কন, অঙ্কিত, অঙ্কুর, অঙ্গ, অঙ্গন, আকাক্সক্ষা, আঙ্গুলি, আঙুল, আশঙ্কা, ইঙ্গিত, উলঙ্গ, কঙ্কন, কঙ্কর, কঙ্কাল, কুঙ্কুম, গঙ্গা, চোঙ্গা, চোঙা, টাঙ্গা, ঠোঙ্গা, ঠোঙা, দাঙ্গা, পঙ্ক্তি, পঙ্কজ, পঙ্ক, পতঙ্গ, প্রাঙ্গণ, প্রসঙ্গ, বঙ্গ, বাঙালি, ভঙ্গ, ভঙ্গুর, ভাঙ্গা, ভাঙা, মঙ্গল, রঙ্গিন, রঙিন, লঙ্কা, লঙ্গরখানা, লঙ্ঘন, লিঙ্গ, শঙ্কা, শঙ্ক, শঙ্খ, শশাঙ্ক, শৃঙ্খল, শৃঙ্গ, সঙ্গ, সঙ্গী, সঙ্ঘাত, সঙ্গে, হাঙ্গামা, হুঙ্কার প্রভৃতি।

২৪. ক্রিয়াপদে ও-কার

শুদ্ধ বানান চর্চা প্রমিত বানানবিধি পরিষদের অভিমত হলো— অনুজ্ঞাবাচক ক্রিয়াপদ, বিশেষণ ও অব্যয়পদ বা যেসব শব্দের শেষে ‘ও-কার’ যুক্ত না-করলে সুস্পষ্ট অর্থ অনুধাবনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হতে পারে সেসব শব্দে ‘ও-কার’ ব্যবহার করা যা। অন্যথায় শব্দের বানানে ‘ও-কার’ ব্যবহার করা সমীচীন নয়। যেমন— মত (অভিমত), মতো (প্রকার);  হত(আহত), হতো (হইত); হল (কক্ষ), হলো (হইল); কেন (কী জন্য), কেনো (ক্রয় করো), ভাল (কপাল, ভাগ্য), ভালো (উত্তম); কাল (সময়), কালো (কৃষ্ণ) প্রভৃতি। অর্থবিভ্রাট সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা না-থাকলে ‘ও-কার’ ব্যবহার করা বিধেয় হবে না। যেমন— ছিল, করল, যেন, কেন (কী জন্য), আছ, হইল, রইল, গেল, শত, যত, তত, কত, এত, রত, ব্রত, পথ, নত প্রভৃতি। অন্যথায় শব্দের বানানে ‘ও-কার’ ব্যবহার না-করা উত্তম। 

হল না কি হলো?
গেল না কি গেলো?
করব না কি করবো?
করছ না কি করছো?
করত না কি করতো?
হব না কি হবো?
অভিধান দেখলে বুঝতে পারবেন ক্রিয়াপদের শেষে ও-কার নেই। অতএব, উচ্চারণে এলেও ক্রিয়াপদের শেষে অযথা ও-কার দেবেন না। লিখুন: করব, করত, করছ, করছিল, করেছিল, খাব, যাব, নেব, পাব, দেব, হব ইত্যাদি।
তবে ও-কার না দিলে যেসব ক্রিয়াপদের ক্ষেত্রে বাক্যের অর্থ বিভ্রাটের আশঙ্কা থাকে সেসব ক্ষেত্রে ও-কার বিধেয়। যেমন—
‘হল’ বলতে হল (hall)ও বোঝায়, তাই ‘হইল’ ক্রিয়ার চলিত রূপ ‘হলো’ লেখা হয়।‘হত’ বলতে নিহতও বোঝায়, তাই ‘হইত’ ক্রিয়ার চলিত রূপে ‘হতো’ লেখা হয়। ‘করাত’ শব্দের একটি অর্থ— গাছ কাটার যন্ত্রবিশেষ।তাই অর্থ বিভ্রাট এড়ানোর জন্য ‘করাইত’ ক্রিয়ার চলিত রূপে ‘করাতো’ লেখা হয়।
 
অনুজ্ঞাবাচক ক্রিয়াপদে ও-কার ব্যবহার । যেমন :
‘কর’ বলতে কর্, করো, কোরো— তিনটাই বোঝায়।
ধরো শব্দ দিয়ে ধর, ধরো, ধোরো— তিনটি কথাই প্রকাশ করে। কোনটি হবে? তা নির্ভর করে বাক্যের ওপর। কিন্তু বুঝবেন কীভাবে?
ক) তুচ্ছার্থক ক্রিয়াপদের শেষে আগে হসন্ত দেয়া হতো। যেমন— তুই কাজটি কর। আমার সাথে চল্। কথাটি কী বল্। চোরটাকে ধর্‌। এখন কিন্তু হসন্ত দেওয়া হয় না।
খ) তুমি হলে তৎক্ষণাৎ নির্দেশের ক্ষেত্রে ও-কার বিধেয়। যেমন— এক্ষুনি আমার সঙ্গে চলো। কথাটা কী বলো। এখনই কাজটি করো। পড়তে শুরু করো।
গ) তুমি-এর ক্ষেত্রে ভবিষ্যৎ নির্দেশের ক্ষেত্রে দুটো ও-কার ব্যবহার করা হয়। যেমন— এক মাসের মধে কাজটি কোরো। খাওয়ার পর ঘটনাটা বোলো।

২৫. আলি ও অঞ্জলি

বিশেষণবাচক ‘আলি’ প্রত্যয়যুক্ত শব্দে ‘ই-কার’ হবে। যেমন— সোনালি, রুপালি, বর্ণালি, হেঁয়ালি, খেয়ালি, মিতালি প্রভৃতি। অঞ্জলি দ্বারা গঠিত শব্দেও ‘ই-কার’ হবে। যেমন— অঞ্জলি, গীতাঞ্জলি, শ্রদ্ধাঞ্জলি, জলাঞ্জলি প্রভৃতি।

২৬. ভূত-অদ্ভুত

অদ্ভুত শব্দের বানান ছাড়া বাংলা ভাষার অনুরূপ সব শব্দের বানানে ভূত হবে। যেমন: ভূত, কিম্ভূত, অভিভূত, ভস্মীভূত, বহির্ভূত, ভূতপূর্ব ইত্যাদি। ‘অদ্ভুত’ শব্দের বানানে ‘হ্রস্ব উ-কার’ কিন্তু ‘কিম্ভূত’ শব্দের বানানে দীর্ঘ ঊ-কার’। ‘অদ্ভুত’ শব্দের ব্যুৎপত্তিগত বিশ্লেষণ: অৎ + ভূ + উত = অদ্ভুত। এখানে অন্তে অবস্থিত ‘উত’ প্রত্যয়ের প্রভাবে ‘ভূ’ পরিবর্তন হয়ে ‘ভু’ হয়ে গিয়েছে। অন্যদিকে, কিম্ভূত = কিম্ + ভূত। এখানে ‘উত’ প্রত্যয়ের উৎপাত নেই বলে ‘কিম্ভূত’ শব্দের ভূত অবিকল রয়ে গেছে। ‘-ভুক্ত’ সবসময় উ-কার দিয়ে লিখতে হবে। যেমন : অধিভুক্ত, অন্তর্ভুক্ত প্রভৃতি। তেমনি, ‘ভুক্তি’ বানানেও ই-কার হবে।

২৭. হীরা ও নীল

‘হীরা’ ও ‘নীল’ অর্থ-প্রকাশক সব বানানে ‘দীর্ঘ ঈ-কার’ বসবে। যেমন— হীরা, হীরক, হীরে, নীল, সুনীল, নীলক, নীলিমা, নীলময়, হীরণ্ময়, হীরকখণ্ড, নীলপদ্ম প্রভৃতি।

শুদ্ধ বানান চর্চা (শুবাচ) প্রমিত বানানবিধি

২৮. নাই, নেই, নি

বাংলা একাডেমি প্রমিত বানান রীতি পুস্তিকায় বলেছে, নঞর্থক পদগুলো, যেমন— ‘নাই’, ‘নেই’ প্রভৃতি আলাদা করে লিখতে হবে। শুবাচ এ বিষয়ে অভিন্ন মত পোষণ করে। যেমন— বলে নাই, আমার ভয় নাই, তার কোনো বাড়ি নেই, সে খায় নাই,  তার টাকা নেই প্রভৃতি। তবে  বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানবিধি অনুযায়ী নঞর্থক ‘নি’ পদটি মূল পদের সঙ্গে সেঁটে বসবে। যেমন— যাননি, বলিনি, দেখিনি, পাইনি, খায়নি প্রভৃতি। এটি সেঁটে লেখার যুক্তি হচ্ছে— ‘নি’ যেহেতু স্বাধীন কোনো শব্দ নয়, সেহেতু ‘নি’ পদকে মূল শব্দের সঙ্গে সেঁটে লেখা সমীচীন। পশ্চিমবঙ্গের বাঙালিরাও এমনটি করে থাকেন। তবে বাংলা একাডেমি আগে ‘নি’ পদটিও ফাঁক রেখে লেখার নির্দেশনা দিয়েছিল।  তাই বাংলা একাডেমি হতে প্রকাশিত অনেক গ্রন্থে ‘নি’ পদকে সংশ্লিষ্ট শব্দ থেকে ফাঁক লেখা হয়েছে দেখা যায়।

২৯. ব্যঞ্জনবর্ণের দ্বিত্ব নিষিদ্ধ

দ্বিত্ব কী যুক্তিপূর্ণ? অবশ্যই যুক্তপূর্ণ। যেমন: আল্লাহ্, রক্ষা, সৃষ্টিকর্তা, বঞ্চনা, বাঞ্ছা, কুজ্ঝটিকা, দত্তক, লজ্জা, মজ্জা, আব্বা, আম্মা, বৃক্ক, বেখাপ্পা, আড্ডা, চট্টগ্রাম, জগদ্দল, সত্তর, উচ্চারণ, আক্কেল, ইজ্জত প্রভৃতি। কিন্তু একটি ব্যঞ্জনের সঙ্গে অভিন্ন ব্যঞ্জনের  দ্বিত্বের উপর আবার রেফ গ্রহণযোগ্য নয়। যেমন: কর্জ্জ নয়, কর্জ, কার্য্য নয়, কার্য; বর্ত্তমান নয়, বর্তমান।  তবে  এরূপ দ্বিত্ব একসময় গ্রহণযোগ্য ছিল। বাংলায় সার্বিক বিবেচনায় এরকম দ্বিত্ব  যৌক্তিক না হওয়ায় এবং উচ্চারণের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ হওয়ায় আধুনিক পণ্ডিতগণ রহিত করে দিয়েছেন। শুবাচের পণ্ডিতগণও এ বিষয়ে অভিন্ন মত পোষণ করেন।  যেমন : ধর্ম্ম, কর্ম্ম, চর্চ্চা, কার্ত্তিক প্রভৃতি বানান আগে শুদ্ধ গণ্য করা হলেও  এখন শুদ্ধ গণ্য করা হয় না। অতএব, লিখতে হবে— ধর্ম, কর্ম, চর্চা, কার্তিক প্রভৃতি। যদি কেউ এমন দ্বিত্ব লিখে থাকেন, তাহলে বুঝতে হবে ওটি ভুল বানান কিংবা প্রাচীন বাংলা। প্রমিত বানানবিধি অনুযায়ী, তৎসম ও অ-তৎসম সকল শব্দে রেফের পর ব্যঞ্জনবর্ণের দ্বিত্ব রহিত। এর অর্থ একই ব্যঞ্জনবর্ণের দ্বিত্বের সঙ্গে রেফ হবে না। যেমন- অর্চ্চনা, গর্জ্জন, কর্জ্জ, কোর্ত্তা, মর্দ্দ, অর্জ্জন, মূর্চ্ছা, সূর্য্য, কার্য্য প্রভৃতি হবে না; হবে অর্চনা, গর্জন, কর্জ, কোর্তা, মর্দ, অর্জন, মূর্ছা, সূর্য, কার্য।  অতএব রেফের পর ব্যঞ্জনবর্ণের দ্বিত্ব হবে না। তাহলে দৈর্ঘ্য বানানে ঘ-য়ে য-ফলার ওপর রেফ কেন? কারণ, র্ঘ্য= র্‌+ঘ+য। এখানে ব্যঞ্জনের দ্বিত্ব হয়নি। অনুরূপ: বর্জ্য। তবে য বর্ণে য-ফলা থাকলে তার ওপর রেফ হবে না। কারণ সেক্ষেত্রে য-এর দ্বিত্ব হয়। যেমন: কার্য্য শব্দের র্য্য= র্‌+য্‌+য।

৩০. ইন্-ভাগান্ত শব্দ ও সমাস

ইন্-ভাগান্ত শব্দের প্রথমার এক বচনের রূপ হিসেবে বাংলায় ‘ধনী, পাপী, গুণী, জ্ঞানী’ ইত্যাদি শব্দ এসেছে। কিন্তু ‘নিঃ’ (নির) উপসর্গযোগে সমাসবদ্ধ হলে এ শব্দগুলোর অন্তে ‘ঈ-কার’ যুক্ত করা ভুল হবে। কারণ, এসব ক্ষেত্রে ‘ধনী, পাপী, গুণী, জ্ঞানী’ ইত্যাদি শব্দের সঙ্গে সমাস হয় না। সমাস হয় ‘ধন, পাপ, গুণ, জ্ঞান’ প্রভৃতি শব্দের সঙ্গে। যেমন: নেই ধন যার = নির্ধন; নেই পাপ যার = নিষ্পাপ; নেই গুণ যার = নির্গুণ ইত্যাদি। অনেকে লিখে থাকেন, নির্ধনী, নিষ্পাপী, নির্গুণী ইত্যাদি। এমনটি বিধেয় নয়। প্রমাদ এড়ানোর সুবিধার্থে এরূপ আরও কিছু শব্দের উদাহরণ ভুল-সহ নিচে দেওয়া হলো :

(১) ভুল: নির্জ্ঞানী; শুদ্ধ: নির্জ্ঞান;

(২) ভুল: নিরভিমানী; শুদ্ধ: নিরভিমান;

(৩) ভুল: নির্বিরোধী; শুদ্ধ: নির্বিরোধ;

(৪) ভুল: নির্দোষী; শুদ্ধ: নির্দোষ;

(৫) ভুল: নিরপরাধী; শুদ্ধ: নিরপরাধ;

(৬) ভুল: নীরোগী; শুদ্ধ: নীরোগ;

(৭) ভুল: অহোরাত্রি; শুদ্ধ: অহোরাত্র;

(৮) ভুল: দিবারাত্রি; শুদ্ধ: দিবারাত্র;

(৯) ভুল: মহারাজা; শুদ্ধ: মহারাজ;

(১০) ভুল: অহর্নিশি; শুদ্ধ: অহর্নিশ প্রভৃতি।

প্রসঙ্গত, ‘দিনরাত্র‘ শব্দটি ব্যাকরণসিদ্ধ নয়। এর ব্যাকরণগত ও শুদ্ধ-প্রয়োগ হচ্ছে— দিনরাত্রি।

 
 
 

error: Content is protected !!