শ্রীচৈতন্য (Chaitanya) ও বাংলা সাহিত্য

শ্রীচৈতন্যদেব (১৪৮৬-১৫৩৩ খ্রিষ্টাব্দ ) ও কড়চা
শ্রীচৈতন্যদেব ১৪৮৬ খ্রিষ্টাব্দে নবদ্বীপে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর আসল নাম বিশ্বম্ভর এবং বাল্য নাম নিমাই। গাত্র বর্ণের জন্য তাঁকে গোরা বা গৌরাঙ্গ বলেও ডাকা হতো। সন্ন্যাস গ্রহণের পর তিনি শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য’ সংক্ষেপে চৈতন্য নামে পরিচিতি পান। বাংলা সাহিত্যে তিনিই একমাত্র ব্যক্তি যিনি রাজা বা সম্রাট না হওয়া সত্ত্বেও তাঁকে ও তাঁর মতবাদকে ঘিরে ‘বৈঞ্চব সাহিত্য’ নামে বিশাল এক সাহিত্য শাখা গড়ে উঠে। চৈতন্যদেবের জীবন কাহিনীকে ‘কড়চা’ বলা হয়।

চৈতন্যদেবের জীবন কাহিনী
চৈতন্যদেবের প্রথম জীবন কাহিনী সংস্কৃত ভাষায় রচিত হয়েছিল। তবে তাঁর প্রথম জীবনীকার হিসেবে মুরারী গুপ্ত খ্যাত। ‘কড়চা’ নামে পরিচিত মুরারী গুপ্তের কাব্য গ্রন্থটির প্রকৃত নাম ‘শ্রীশ্রীকৃষ্ণচৈতন্যচরিতামৃত’। মুরারী গুপ্ত চৈতন্যের সমসাময়িক ছিলেন। চৈতন্যদেবের জীবন কাহিনী অবলম্বনে মধ্যযুগের বাংলা কাব্যে জীবনী সাহিত্যের বিকাশ ঘটে। বৃন্দাবন দাসের ‘শ্রীচৈতন্যভাগবত’ (১৫৪৮ খ্রি.), লোচনদাসের ‘চৈতন্যমঙ্গল’(১৫৫০-১৫৫৬ খ্রি.), জয়ানন্দের ‘চৈতন্যমঙ্গল’ (১৫৬০ খ্রিষ্টাব্দ), কৃষ্ণদাসকবিরাজের ‘শ্রীচৈতন্যচরিতামৃত’ (১৬১৫ খ্রি.), ‘গোবিন্দদাসের কড়চা’, চূড়ামনিদাসের ‘গৌরাঙ্গবিজয়’ ইত্যাদি এ ধারার উল্লেখযোগ্য জীবনী গ্রন্থ। ১৫৩৩ খ্রিষ্টাব্দের ২৯ জুন চৈতন্যদেব মারা যান।

এক লাইন না লিখেও সাহিত্য ইতিহাসে অমর ব্যক্তিত্ব
এক লাইনও না লিখেও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে যে ব্যক্তি অমর হয়ে আছেন তিনি হচ্ছেন শ্রীচৈতন্যদেব। বিশ্বের আর কোনো সাহিত্যে এমন ক্ষণজন্মা ব্যতিক্রমী ব্যক্তিত্ব আর নেই।

বাংলা সাহিত্যের প্রথম ও প্রধান/১ , বাংলা সাহিত্যের প্রথম ও প্রধান/২

বাংলা সাহিত্যের প্রথম ও প্রধান/৩

বাংলা সাহিত্যের প্রথম ও প্রধান/৪

বাংলা সাহিত্যের প্রথম ও প্রধান/৫

বাংলা সাহিত্যের প্রথম ও প্রধান/৬

বাংলা সাহিত্যের প্রথম ও প্রধান/৭

বাংলা সাহিত্যের প্রথম ও প্রধান/৮

বাংলা সাহিত্যের প্রথম ও প্রধান/৯

বাংলা সাহিত্যের প্রথম ও প্রধান/১০

বাংলা সাহিত্যের প্রথম ও প্রধান/১১

বাংলা সাহিত্যের প্রথম ও প্রধান/১২

বাংলা সাহিত্যের প্রথম ও প্রধান/১৩

বাংলা সাহিত্যের প্রথম ও প্রধান/১৪

বাংলা সাহিত্যের প্রথম ও প্রধান/১৫

error: Content is protected !!