শ্রেষ্ঠ শুবাচি ২০২০ নির্বাচন

শ্রেষ্ঠ শুবাচি ২০২০ নির্বাচন

শুবাচ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি, শুবাচ গোষ্ঠিতে প্রকাশিত ও প্রকাশনীয় শ্রেষ্ঠ যযাতির জন্য ‘শ্রেষ্ঠ শুবাচি ২০২০’ শিরোনামের একটি উদ্দীপনা পুরস্কার প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। গত ১লা নভেম্বর ২০১৯ থেকে আগামী ৫ই ফেব্রুয়ারি ২০২০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত শুবাচে প্রকাশিত যযাতি/ যযাতিসমূহ এবং সংশ্লিষ্ট শুবাচির নানামুখী অবদান বিবেচনায় ‘শ্রেষ্ঠ শুবাচি,২০২০’ নির্বাচন করা হবে। বিজয়ী নির্বাচন কমিটি, উপদেষ্টা পরিষদ এবং শুবাচের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির কোনো সদস্য ও সম্পাদকের যযাতি পুরস্কারের আওতায় আনা হবে না।
বিজয়ী নির্বাচনের জন্য শুবাচি জনাব খুরশেদ আহমদকে (Khurshed Ahmed) সভাপতি এবং ম্যানুয়েল ত্রিপুরা (Manuel Tripural) ও এ বি সিদ্দিককে (Ab Chhiddiq) সদস্য করে তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি নির্বাচন কমিটি গঠন করা হয়েছে।কমিটি বিজয়ী নির্বাচনে সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে নীতিমালা প্রণয়ণপূর্বক প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করে আগামী ১০ই ফেব্রুয়ারি ২০২০ তারিখের মধ্যে গোপনীয়তার সঙ্গে ইনবক্সে বা ই-মেইলে পর্যবেক্ষণ ফল প্রেরণ করবেন। নির্ধারিত নীতিমালা কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটিকে জানাবেন।
কমিটি, যোগ্যতার ক্রমানুসারে তিন জন শুবাচির নাম প্রস্তাব করবেন। প্রস্তাব পাওয়ার পর উপদেষ্টা পরিষদ একজনকে বিজয়ী ঘোষণা করবেন।বিজয়ী শুবাচিকে একেএম আবদুর রউফ-এর হাতে লেখা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মূল সংবিধানের (১৯৭২ খ্রি.) একটি অবিকল প্রতিলিপি, একটি ক্রেস্ট এবং একটি সনদ প্রদান করা হবে।
আগামী ফেব্রুয়ারি (২০২০খ্রি. ) মাসে যে-কোনো একদিন আনুষ্ঠানিকভাবে বিজয়ীর হাতে পুরস্কার প্রদান করা হবে। বিজয়ী নির্বাচনে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা কমিটির থাকবে। কমিটির কার্যক্রমে উপদেষ্টা পরিষদ বা কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি কোনোরূপ হস্তক্ষেপ করবে না। তবে তাঁদের কোনো কার্যক্রম শুবাচের মূল পরিচালনা বিধির পরিপন্থী হলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে অগ্রাহ্য বলে গণ্য হবে।
শুবাচের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি ড. মোহাম্মদ আমীনের নির্দেশক্রমে এই তথ্য-যযাতি প্রকাশ করা হলো। নতুন কোনো নির্দেশনা প্রদান কিংবা কোনো সংশোধন প্রয়োজন হলে তা পরে জানানো হবে।
শুভেচ্ছাসহ
মিনহা সিদ্দিকা অথই
নির্বাচন নীতিমালা

শ্রেষ্ঠ শুবাচি ২০২০
***********************************

শুবাচিবৃন্দের উদ্দীপনা বৃদ্ধির প্রয়াসে ‘ভুল ধরি, বই পড়ি’ নামক প্রেষণা বৃদ্ধির কর্মসূচি চালুর পাশাপাশি শুবাচ কর্তৃপক্ষ ‘শ্রেষ্ঠ শুবাচি ২০২০’ শিরোনামে আরও একটি উদ্দীপনা-পুরস্কার প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন, যা শুবাচি মিনহা সিদ্দিকা অথই যযাতির মাধ্যমে শুবাচ গ্রুপে ইতোমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছেন।

‘শ্রেষ্ঠ শুবাচি ২০২০ নির্বাচন কমিটি’ বিজয়ী নির্বাচনে নিম্নোক্ত ক্ষেত্রসমূহে কোনো নির্দিষ্ট শুবাচির ভূমিকা ও সম্পাদিত কার্য নিরীক্ষণ ও মূল্যায়ন করবে:

১. বিজয়ী নির্বাচনের ক্ষেত্রে প্রমিত বাংলা ভাষা ও বানান চর্চায় সহায়ক এবং প্রমিত বাংলায়-লেখা মৌলিক যযাতিসমূহ অগ্রাধিকার পাবে।

২. শুবাচিদের প্রতিদিনের বিভিন্ন জিজ্ঞাসামূলক যযাতিতে নির্দিষ্ট শুবাচি কীরূপ সাড়া দিচ্ছেন, সে-বিষয়টিও বিবেচনা করা হবে।

৩. নির্দিষ্ট শুবাচি কতটা ধারাবাহিতার সঙ্গে শুবাচের কর্মকাণ্ডে অংশ নিচ্ছেন, বিজয়ী নির্বাচনে সে-বিষয়টিও দেখা হবে।

৪. নির্দিষ্ট শুবাচির লেখা বাংলা ভাষা ও বানানসংক্রান্ত বিভিন্ন মৌলিক যযাতি এবং অন্যের জিজ্ঞাসামূলক যযাতিতে দেওয়া উত্তর কতটা নির্ভুল, বুদ্ধিদীপ্ত, প্রায়োগিক, ও শিক্ষার্থী-বান্ধব, বিজয়ী নির্বাচনের ক্ষেত্রে সে-বিষয়টিও বিবেচনা করা হবে।

৫. সহ-শুবাচিদের প্রতি নির্দিষ্ট শুবাচির সৌজন্য ও উদারতা ওই শুবাচির প্লাস-পয়েন্ট হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

৬. শুবাচ কুম্ভিলকদের স্থান নয়। তাই, কোনো নির্দিষ্ট শুবাচি অন্যের লেখা যযাতি বা তার কোনো অংশ কোনোরূপ সূত্র উল্লেখ না-করে নিজের নামে প্রকাশ করেছেন, এরূপ প্রমাণিত হলে বিজয়ী নির্বাচনের সময় তাঁকে বিবেচনা করা হবে না।

‘শ্রেষ্ঠ শুবাচি ২০২০ নির্বাচন কমিটি’-র পরামর্শে এই যযাতিটি প্রকাশ করা হলো।

ধন্যবাদ।

এবি ছিদ্দিক

————–
error: Content is protected !!