Month: October 2019

সাধারণ জনগণ এবং অসংগত সর্বসাধারণ

ড. মোহাম্মদ আমীন ১.  সর্বসাধারণকে জানানো যাচ্ছে যে —-। ২. সর্বসাধারণই একটি দেশের প্রকৃত শক্তি। ৩. সর্বসাধারণের কল্যাণের জন্য গৃহীত প্রকল্প। নানা স্থানে নানা উপলক্ষ্যে উপর্যুক্ত-প্রকৃতির লেখা দেখা যায়। এসব ক্ষেত্রে ব্যবহৃত ‘সর্বসাধারণ’ শব্দটির ব্যবহার ব্যুৎপত্তি অনুযায়ী কতটুকু যৌক্তিক তা পর্যালোচনা করা যাক। ‘বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান’ অনুযায়ী বাক্যে বিশেষ্য হিসেবে ব্যবহৃত সংস্কৃত ‘সাধারণ …

সাধারণ জনগণ এবং অসংগত সর্বসাধারণ Read More »

জয় বিজয়

ড. মোহাম্মদ আমীন পুরাণে ‘জয়’ ও ‘বিজয়’ নামের দু-ভাই বৈকুণ্ঠের দ্বাররক্ষক ছিলেন। তখন তাঁদের স্বভাব-চরিত্র ও আচার-আচরণ ছিল প্রায় অভিন্ন। তবে জয়, বিজয়-এর চেয়ে কিছুটা হালকা এবং চিকন ছিল। এ দু-ভাই দুর্বাসা মুনির অভিশাপে বিষ্ণুবিরোধীরূপে পৃথক তিন যুগে তিন বার পৃথিবীতে জন্ম নিয়েছিলেন। তাঁরা সত্যযুগে হিরণ্যাক্ষ ও হিরণ্যকশিপু, ত্রেতাযুগে রাবণ ও কুম্ভকর্ণ এবং দ্বাপর যুগে …

জয় বিজয় Read More »

এক কথায় প্রকাশ

  ১. কুকুরের ডাক=বুক্কন ২. রাজহাঁসের ডাক=ক্রেঙ্কার ৩. বিহঙ্গের ডাক/ধ্বনি=কূজন/কাকলি ৪. করার ইচ্ছা=চিকীর্ষা ৫. ক্ষমা করার ইচ্ছা=চিক্ষমিষা/তিতিক্ষা ৬. ত্রাণ লাভ করার ইচ্ছা=তিতীর্ষা ৭. গমন করার ইচ্ছা=জিগমিষা ৮. নিন্দা করার ইচ্ছা=জুগুপ্সা ৯. বেঁচে থাকার ইচ্ছা=জিজীবিষা ১০. পেতে ইচ্ছা=ঈপ্সা ১১.চোখে দেখা যায় এমন=চক্ষুগোচর ১২.চোখের নিমেষ না ফেলিয়া=অনিমেষ ১৩.গম্ভীর ধ্বনি=মন্দ্র ১৪.মুক্তি পেতে ইচ্ছা=মুমুক্ষা ১৫.বিজয় লাভের ইচ্ছা=বিজিগীষা ১৬.প্রবেশ করার …

এক কথায় প্রকাশ Read More »

খচ্চর : গালি দেয় বোকা যারা বর্বর

ঘোড়া এবং গাধার সংকরকে বলা হয় ‘খচ্চর’। পুরুষ গাধা আর স্ত্রী ঘোড়ার মিলনে সৃষ্ট বাচ্চাকে ইংরেজিতে ‘মিউল (Mule)’ এবং স্ত্রী গাধা আর পুরুষ ঘোড়ার মিলনে সৃষ্ট বাচ্চাকে ‘হিনি (Hinny)’বলা হয়। বাংলায় এদের কোনো নাম নেই। বাংলা ভাষায় ‘খচ্চর’ বলতে ছেলে বা মেয়ে দুটোই হতে পারে।   ঘোড়ার ক্রোমোজম সংখ্যা ৬৪ এবং গাধার ক্রোমোজম সংখ্যা ৬২। …

খচ্চর : গালি দেয় বোকা যারা বর্বর Read More »

নিথুয়া পাথারে নেমেছি বন্ধুরে

ড. মোহাম্মদ আমীন নিথুয়া শব্দের অর্থ কী? শব্দের অর্থ বলা কঠিন। কেননা, বাক্যে বসে কোনো শব্দ পদে রূপান্তরিত না হওয়া পর্যন্ত তার অর্থ নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব নয়। কেননা, বাক্যই শব্দের প্রায়োগিক রূপ তথা পদের অর্থকে পদার্থে গিয়ে সুনির্দিষ্ট করে দেয়। সর্ববোধ্য ও বহুল প্রচলিত ‘বলি’ শব্দ দিয়ে বিষয়টি বুঝিয়ে দেওয়া যায় : “বুড়ো বলীর …

নিথুয়া পাথারে নেমেছি বন্ধুরে Read More »

বানান নিয়ে টানাটানি

ড. মোহাম্মদ আমীন বাংলা বানান যেন গরিবের পিতৃহারা ষোড়শী, জননীও যার মরমর। তার রূপ আছে, গুণ আছে, যৌবন আছে, আছে মোহনীয় চোখে হৃদয়কাড়া- মর্মর চাহনি; কিন্তু নেই কোনো অভিভাবক, যোগ্য পরামর্শক এবং নিজেকে রক্ষার করার মতো অর্থ, আশ্রয় বা কৌশল। তাই সবাই তাকে পেতে চায়, প্রভু হতে চায়- এজন্য তাকে নিয়ে টানাটানির শেষ নেই।  অধ্যাপক …

বানান নিয়ে টানাটানি Read More »

গাধাই কি আইনস্টাইন-নিউটন নাকি উলটো

ড. মোহাম্মদ আমীন গাধার বৈজ্ঞানিক নাম ই. আফ্রিকানাস এসিনাস (Equus africanus asinus)। এটি Equidae বা ঘোড়া পরিবারের অযুগ্ম খুরযুক্ত একটি চতুষ্পদ প্রাণী। যা দীর্ঘকাল যাবৎ মানুষের গৃহপালিত পশু। গাধাকে বলা হয় ঘোড়ার খুদে, কিন্তু আধুনিক ও কার্যকর সংস্করণ।একই আকারের একটি গাধা, একটি ঘোড়ার চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী এবং অধিক উপকারী ও লাভজনক।গাধার চিন্তাধারা ঘোড়া থেকে …

গাধাই কি আইনস্টাইন-নিউটন নাকি উলটো Read More »

বাংলা ভাষার প্রথম সাহিত্য-প্রবাদ

ড. মোহাম্মদ আমীন সাহিত্য-প্রবাদ অভিজ্ঞতার আলোকে লোকমুখে সৃষ্ট বাণী। বাণী বা প্রবাদের জন্যই ভাষা এবং পরবর্তীকালে সাহিত্যের সৃষ্টি। তাই ভাষা সৃষ্টির প্রথম বাণী বা কথাটিই ছিল প্রবাদ। ভাষা সৃষ্টির সূচনায় কথাই ছিল সাহিত্য এবং সাহিত্যই ছিল কথা। সংগত কারণে প্রথম সাহিত্য-প্রবাদ কোনটি তা জানা যায় না। বাংলা ভাষার জন্য কথাটি আরো কঠিনভাবে সত্য। আর্য আগমনের …

বাংলা ভাষার প্রথম সাহিত্য-প্রবাদ Read More »

দাদখানি চাল

ড. মোহাম্মদ আমীন এই পেজের সংযোগ: https://draminbd.com/2019/10/19/দাদখানি-চাল/ দাদখানি চাল ‘দাদখানি’ অতি উৎকৃষ্ট মানের এক প্রকার চাল। চালটির নাম কীভাবে দাদখানি হলো? কথিত হয়, বাংলার শেষ স্বাধীন সুলতান দাউদ খান (১৫৭৩-১৫৭৬ খ্রিষ্টাব্দ)-এর আমলে বঙ্গদেশে এ চালের চাষাবাদ শুরু হয়। সুলতানের দরবারে চালটির বেশ চাহিদা ছিল। দাউদ খান নিজেও চালটি পছন্দ করতেন। তাঁর প্রাত্যহিক খাবার টেবিলে   এই …

দাদখানি চাল Read More »

বিপদমুক্ত নয়, বিপন্মুক্ত

ড. মোহাম্মদ আমীন ‘বিপদ হতে মুক্তি বা পরিত্রাণ পেয়েছে’ এমন অর্থ প্রকাশে ‘বিপন্মুক্ত’ ও ‘বিপদমুক্ত’ শব্দটি ব্যবহৃত হয়। বাক্যে বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত সংস্কৃত ‘বিপন্মুক্ত’ শব্দের নির্মাণচিত্র হলো : বিপদ্+উন্মুক্ত = বিপন্মুক্ত। যার অর্থ বিপদ হতে ‍মুক্তি বা পরিত্রাণ পেয়েছে এমন। যেমন : ঘূর্ণিঝড় দূরে সরে গেছে, উপকূলীয় অঞ্চল এখন বিপন্মুক্ত। ডাক্তার বললেন, রোগি এখন বিপন্মুক্ত। …

বিপদমুক্ত নয়, বিপন্মুক্ত Read More »

error: Content is protected !!