জনক : কিয়ের্কগার্ড : প্রথম অস্তিত্ববাদী দার্শনিক

বিজ্ঞানের দার্শনিক ও জনক

জনক : কিয়ের্কগার্ড : প্রথম অস্তিত্ববাদী দার্শনিক
কিয়ের্কগার্ড
দিনেমার দার্শনিক, ধর্মতাত্ত্বিক, কবি, সামাজিক সমালোচক এবং ধর্মীয় লেখক সোরেন কিয়ের্কেগার্ড (Søren Kierkegaard; ৫ মে ১৮১৩- ১১ নভেম্বর ১৮৫৫) প্রথম অস্তিত্ববাদী দার্শনিক হিসেবে বিবেচিত। তাই তাকে বলা হয় অস্তিত্ববাদি দর্শনের জনক। তাঁর দার্শনিক কর্মকাণ্ডের বড়ো অংশ জুড়েই রয়েছে ব্যক্তি কীভাবে বিমূর্ত চিন্তার পরিবর্তে মূর্ত মানবিক বাস্তবতার ওপর গুরত্বারোপ করে ব্যক্তিগত ইচ্ছা ও প্রতিশ্রুতির প্রয়োজনীয়তা দৃষ্টিগোচর করে একক সত্তা হিসেবে বেঁচে থাকতে পারে।

লেখক সোরেন কিয়ের্কেগার্ড

ফরাসি সমাজবিজ্ঞানী ও লেখক ওগ্যুস্তু কঁৎ

গুস্ত কোঁত : বিজ্ঞানের দার্শনিক ও সমাজ বিজ্ঞানের জনক​

ফরাসি সমাজবিজ্ঞানী ও লেখক ওগ্যুস্তু কঁৎ (Auguste Comte) ১৭৯৮ খ্রিষ্টাব্দের ১৯শে জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। তিনিই প্রথম সোসিওলজি শব্দটি ব্যবহার করেছিলেন। তাঁকে সমাজবিজ্ঞানের জনক বলা হয়। সমাজবিজ্ঞানে প্রথম বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি ব্যবহারের জন্য তিনি চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন। তিনি দৃষ্টবাদ বা পজিটিভিজম দর্শনের উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখেন। তিনিই প্রথম ফাংশনালিজম বা ক্রিয়াবাদের ধারণা দেন। ১৮২২ খ্রিষ্টাব্দে কঁৎ তাঁর প্রথম বই প্লঁ দ্য ত্রাভো সিয়ঁতিফিক নেসেসের পু রেয়র্গানিজে লা সোসিয়েতে (Plan de travaux scientifiques nécessaires pour réorganiser la société) প্রকাশ করেন। তিনি ১৮৫৭ খ্রিষ্টাব্দের ৫ই সেপ্টেম্বর মারা যান।

জনক : কার্ল রেইমন্ড পপার : অপ্রতিপাদ্য দর্শন

অস্ট্রিয়-ব্রিটিশ দার্শনিক এবং অধ্যাপক স্যার কার্ল রেইমন্ড পপার (২৮ জুলাই ১৯০২ – ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৯৪) সাধারণত বিংশ শতকের অন্যতম সেরা “’বিজ্ঞানের দার্শনিক” হিসেবে খ্যাত। পপার বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির ক্ষেত্রে পূর্ববর্তী তর্কশাস্ত্র প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। তিনি প্রায়োগিক জালকরণের পক্ষে ছিলেন, এটি একটি তত্ত্ব যা অভিজ্ঞতাবাদী বিজ্ঞানে কখনোই প্রমাণিত হতে পারেনা, কিন্তু এটা মিথ্যা বর্ণিত হতে পারে। পপার যে কোনো কাজ বা সত্যতার প্রতিপাদকের বিরোধিতা করতেন, যেটাকে তিনি সমালোচনামূলক যুক্তিবাদ দ্বারা প্রতিস্থাপন করেন; তিনি এর নাম দেন “দর্শনের ইতিহাসে সমালোচনার প্রথম অ-প্রতিপাদ্য দর্শন”।

স্যার কার্ল রেইমন্ড পপার

জনক : কোপের্নিকাস : জ্যোতির্বিজ্ঞান

পোল্যান্ড সম্রাজ্যের রয়েল প্রুসিয়া প্রদেশের থর্ন (অধুনা তোরন) শহরে ১৭৪৩ খ্রিষ্টাব্দের ১৯ শে ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণকারী জ্যোতির্বিজ্ঞানী করেননিকোলাউস কোপের্নিকাস (ঘরপড়ষধঁং ঈড়ঢ়বৎহরপঁং) জোর্তিবিজ্ঞানের জনক। তিনিই প্রথম আধুনিক সূর্যকেন্দ্রিক সৌরজগতের মতবাদ প্রদান করেন। যেখানে তিনি পৃথিবী নয়, সূর্যকে সৌরজগতের কেন্দ্র উল্লেখ করেন। তিনি একাধারে গণিতবিদ, জ্যোতির্বিদ, পদার্থবিদ, আধুনিক প-িতবিদ, অনুবাদক, গভর্নর কূটনীতিক এবং অর্থনীতিবিদ ছিলেন। ১৫১৭ খ্রিষ্টাব্দে তিনি অর্থের একটি পরিমাণ তত্ত্ব বের করেন যাকে অর্থনীতির প্রধান ধারণা বলা হয়। ১৫১৯ খ্রিষ্টাব্দে তিনি অর্থনীতির একটি সূত্র প্রদান করেন যা পরবর্তীকালে গ্রিসমের সূত্র নামে পরিচিতি পায়। ১৫৪৩ খ্রিষ্টাব্দের ২৪ মে তিনি মারা যান।

কোপের্নিকাস

জনক : ওগুস্ত কোঁত : বিজ্ঞানের দার্শনিক ও সমাজ বিজ্ঞানের জনক

ওগুস্ত কোঁত : বিজ্ঞানের দার্শনিক ও সমাজ বিজ্ঞানের জনক
ফরাসি সমাজবিজ্ঞানী ও লেখক ওগ্যুস্তু কঁৎ (Auguste Comte) ১৭৯৮ খ্রিষ্টাব্দের ১৯শে জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। তিনিই প্রথম সোসিওলজি শব্দটি ব্যবহার করেছিলেন। তাঁকে সমাজবিজ্ঞানের জনক বলা হয়। সমাজবিজ্ঞানে প্রথম বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি ব্যবহারের জন্য তিনি চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন। তিনি দৃষ্টবাদ বা পজিটিভিজম দর্শনের উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখেন। তিনিই প্রথম ফাংশনালিজম বা ক্রিয়াবাদের ধারণা দেন। ১৮২২ খ্রিষ্টাব্দে কঁৎ তাঁর প্রথম বই প্লঁ দ্য ত্রাভো সিয়ঁতিফিক নেসেসের পু রেয়র্গানিজে লা সোসিয়েতে (Plan de travaux scientifiques nécessaires pour réorganiser la société) প্রকাশ করেন। তিনি ১৮৫৭ খ্রিষ্টাব্দের ৫ই সেপ্টেম্বর মারা যান।

ওগুস্ত কোঁত

জনক : ওগুস্ত কোঁত : বিজ্ঞানের দার্শনিক ও সমাজ বিজ্ঞানের জনক : কার্ল রেইমন্ড পপার : অপ্রতিপাদ্য দর্শন: জনক : কোপের্নিকাস : জ্যোতির্বিজ্ঞান :
Dr.Amin

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Language
error: Content is protected !!